খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের মানুষের মূল্যায়ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী-বিপ্লব বড়ুয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২০, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের মানুষের মূল্যায়ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী-বিপ্লব বড়ুয়া

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, রাজনীতিতে পদপদবী বড় বিষয় নয়, রাজনীতির সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে মানুষের অস্থা ও ভালবাসা অর্জন করা।

তিনি বলেন, আমি চট্টগ্রামের সন্তান। দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সংগঠনটির দফতর সম্পাদক পদ দিয়ে চট্টগ্রামের মানুষকে সেবা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। সরকার ও দল পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের মানুষের মূল্যায়ণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের পুরাতন রেল স্টেশন চত্বরে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী রীগ আয়োজিত গণসংবর্ধণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ২
চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে গণসংবর্ধণাস্থল থেকে ছবিগুলো তুলেছেন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজের সিনিয়র ফটোগ্রাফার দেব প্রসাদ দাস দেবু

চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের আয়োজিত এ গণসংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উৎসর্গ করেছেন জানিয়ে আওয়ামী লীগের নব নির্বাচিত দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, প্রিয় নেত্রী চট্টগ্রামকে মূল্যায়ন করে চট্টগ্রামের ৮ জনকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগে স্থান দিয়েছেন। চট্টগ্রামের মানুষ জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, পদ-পদবী আমার কাছে মূখ্য নয়, আমি দলীয় কর্মী হিসেবে, আপনাদের ভাই হিসেবে পাশে থাকতে চাই। নেত্রী আমাকে প্রতিনিধিত্ব করার যে সুযোগ দিয়েছেন আমি চট্টগ্রামবাসীদের সহযোগীতা নিয়ে সে গুরু দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে চাই।

বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, কর্মজীবনে আমি সাংবাদিকতা করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র ছিলাম। বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রোগ্রাম প্রডিউসার ছিলাম। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর শুধুমাত্র ছাত্রলীগের রাজনীতি করার কারণে বিএনপি আমাকে চাকুরিচ্যুত করে।

ব্রারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ৩
চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে গণসংবর্ধণাস্থল থেকে ছবিগুলো তুলেছেন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজের সিনিয়র ফটোগ্রাফার দেব প্রসাদ দাস দেবু

পরে আমি লন্ডনে গিয়েছি। আমার সঙ্গে অনেকে লন্ডনে গিয়েছেন। তারা সেখানের নাগরিকত্ব নিয়ে থেকে গেছেন। আমি যে সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে লন্ডনে গিয়েছিলাম সেই পাসপোর্ট নিয়ে ফেরত এসেছি।

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আওয়ামী লীগের নানা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে আওয়ামী লীগ সফল হয়েছে। দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। কেউ যেন উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক।

সরকার পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এর আগে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াকে বরণ করে নিতে বুধবার সকাল থেকেই ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল সহকারে চট্টগ্রাম নগর ও বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন রেল স্টেশন চত্ত্বরে।

সমাবেশ উপলক্ষে সিটি কলেজ, মহসিন কলেজ, বাকলিয়া কলেজসহ নগরীর ৪৩ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের পরিবহনযোগে ও হেঁটে অসংখ্য নেতা-কর্মী, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তি, পেশাজীবী ও সাধারণ জনগণ এই অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন।

পুরো রেলস্টেশন জুড়ে জয় বাংলা স্লোগানে মুখরিত ছিলো। দুপর দেড়টার মধ্যেই নেতা কর্মীদের ভিড়ে ভরপুর হয়ে যায় রেলস্টেশনের সংবর্ধনাস্থল ও আশপাশের এলাকা। দুপুর ২টার কিছু পরে ঢাকা থেকে ট্রেনযোগে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে নামার পর নবনির্বাচিত নেতা বিপ্লব বড়ুয়া ও প্রধানমন্ত্রীর নামে স্লোগানের ঝড় তুলেন আগত নেতাকর্মীরা।

ফুলের মালা গলায় পড়িয়ে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াকে বরণ করে নেন চট্টগ্রামের সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা। পরে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত গণসংবর্ধনা সভায় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দ্যেশে বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্যে আগামি ১৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহমদকে ভোট দিয়ে জয়ী করার আহ্বান জানান বিপ্লব বড়ুয়া।

এর আগে বক্তব্য দেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী।

এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ রশিদ, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, সাতকানিয়া পৌর মেয়র ও দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. জোবায়ের, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরশেদুল আলম বাচ্চুসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’