খুঁজুন
, ,

সালমান শাহ’র মৃত্যু হত্যা নয়, আত্মহত্যা: পিবিআই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 February, 2020, 1:32 pm
সালমান শাহ’র মৃত্যু হত্যা নয়, আত্মহত্যা: পিবিআই

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহকে হত্যার কোনো আলামত পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পারিবারিক কলহের জের ধরেই সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন বলে পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে।

হত্যা মামলাটির তদন্ত শেষে সোমবার ধানমন্ডিতে সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন ডাকে পিবিআই। সেখানে চাঞ্চল্যকর মামলাটির তদন্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানান সংস্থাটির প্রধান বনজ কুমার মজুমদার।

বনজ কুমার বলেন, পিবিআইয়ের তদন্তে সালমান শাহকে হত্যার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পারিবারিক কলহ ও মানসিক যন্ত্রণায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

পিবিআই প্রধান বলেন, ২০১৬ সালে পিবিআই তদন্ত শুরু করে। প্রায় ২৫ বছর আগের ঘটনা তাই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বেশি সময় লেগেছে। ১৬৪ ধারায় ১০ জনের জবানবন্দি নিয়েছে পিবিআই।

পিবিআই নতুন করে আলামত হিসেবে একটি ফ্যান জব্দ করেছে, ধারনা করা হয় ওই ফ্যানেই আত্মহত্যা করেছিলেন সালমান।

১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে সালমান শাহর। স্মার্টনেস, নিজস্বতার কারণে রাতারাতি তরুণ প্রজন্মের কাছে ভীষণ জনপ্রিয় ওঠেন তিনি। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি ছবি করেন। যার অধিকাংশই ছিল সুপারহিট।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান জনপ্রিয় এই নায়ক। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা করেন।

২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠায় আদালত। এরপর প্রায় ১৫ বছর মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল। ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। এ প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী ছেলের মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান এবং ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আবেদন করেন। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী ঢাকা মহানগর হাকিম জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে নারাজির আবেদন দাখিল করেন। নারাজি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জন তার ছেলে সালমান শাহের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন

মামলাটি এরপর র‌্যাব তদন্ত করে। তবে র‌্যাবের দ্বারা তদন্তের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ গত বছরের ১৯ এপ্রিল মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি রিভিশন মামলা করে। ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬-এর বিচারক ইমরুল কায়েস রাষ্ট্রপক্ষের রিভিশনটি মঞ্জুর করেন এবং র‌্যাবকে মামলাটি আর না তদন্ত করার আদেশ দেন। তখন থেকে পিবিআই মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায়।

Feb2
Feb2

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 5:31 pm
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরে মাসে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন অংশগ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে (ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র) এসেছে। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ফোনালাপ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ফোনালাপের নির্দিষ্ট তথ্য নেই, বিষয়টি তদন্ত করবে সরকার। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির ফোনালাপের বিষয়ে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেনি। তথ্য প্রমাণ পেলে এ বিষয়ে তদন্ত করবে বাংলাদেশ।

গন্তান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ চায় আলোচনার মাধ্যমে ভারতের চলমান উত্তেজনা সমাধান হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সবসময় ভালো আছে। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়েই আলোচনা হবে।

বিভিন্ন দেশে ভিসা বন্ধ আছে, এজন্য একাধিক বার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। নানা সমস্যা অ্যাড্রেস করে ভিসা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সরকার বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ঊর্ধ্বতন ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 4:33 pm
ঊর্ধ্বতন ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আলোচিত যুগ্ম কমিশনার ফরিদা ইয়াসমিনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‍পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকী, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন, এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি সহেলী ফেরদৌস, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা ও রাজশাহী সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ্‌।

এ ছাড়াও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সল মাহমুদ ও কানিজ ফাতেমা, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সুলতানা নাজমা হোসেন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জেসমিন বেগম, টিডিএস ঢাকার পুলিশ সুপার আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন।

এ বিষয়ে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের বর্ণিত কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 4:09 pm
২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পূর্বনির্ধারিত অবশিষ্ট পরীক্ষা আগামী ২৭ জুলাই থেকে আবার শুরু হবে। পরীক্ষার্থীরা নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। আর আগে যেসব পরীক্ষা অন্যত্র অনুষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু চট্টগ্রামে স্থগিত হয়েছে, সেগুলো পরে নতুন রুটিন প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি সৈয়দ আক্তারুজ্জামনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক পরিস্থিতি, অংশীজনদের মতামত এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং এর আওতাধীন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার জেলা প্রশাসকদের প্রতিবেদন এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের আবেদনের ভিত্তিতে আগামী ২৭ জুলাই থেকে অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো যথারীতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বন্যার কারণে যেসব পরীক্ষা স্থগিত হয়েছিল, সেগুলোর নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থী, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

এর আগে, বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতি এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার বিঘ্নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট সব পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

একইসঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার অবশিষ্ট বিষয়গুলোর পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের অন্য সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হচ্ছে।