চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা হচ্ছে জলাবদ্ধতা। বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই নিচু এলাকাগুলো পানিতে ডুবে যায়।তখন নগরবাসীকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়।আমি মেয়র নির্বাচিত হলে নগরির উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

বিজ্ঞাপন

তিনি আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নগরীর ৩৮ নং দক্ষিন মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে পথসভায় এ কথা বলেন।

গণসংযোগটি সল্টগোলা ক্রসিং পুলিশ বিটের সামনে থেকে শুরু হয়ে ঈশান মিস্ত্রির হাট, পুরাতন ডাকঘর, নিচিন্ত পাড়া,বাকের আলী ফকিরের টেক, ওমর শাহ্ পাড়া, কলসি দিঘী, ইপিজেড় ঝনক প্লাজা এলাকায় শেষ হয়।

এ সময় ডাঃ শাহাদাত বলেন, নগরীর ভোটারদের মাঝে প্রায় ৬০ শতাংশ ভাড়ায় বসবাস করে।আমি তাদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করব।নগর বাসীর জন্য গণপরিবহন ও পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা উন্নত করবো ।ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে নগর পিতা নয়,নগর বাসীর সেবক হিসেবে নির্বাচিত করুন।আমি আপনাদের সেবক হয়ে সুখ দুখে পাশে থাকবো।সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত চট্টগ্রাম উপহার দেবো।

প্রচারণা কালে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান।

এ সময় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম বলেন,দুর্নীতির মামলায় বরিশালের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি কে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর কারণে বিকেলের মধ্যে জজকে বদলি করা হয়। কিন্তু বিচার বিভাগ সরকারের নিয়ন্ত্রনে থাকায় বেগম খালেদা জিয়াকে সকালে জামিন দিয়ে বিকেলে আবার তা প্রত্যাহার করা হয়। এই ঘটনায় প্রমাণ করে দেশে আইনের শাসন নেই। জনগণের সাংবিধানিক অধিকার শেষ হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিগত নির্বাচন গুলোতে সরকার দিনের ভোট রাতে নেওয়ার কারণে মানুষ ভোট কেন্দ্রমুখী হচ্ছে না।আমরা চট্টগ্রামে সিটি নির্বাচনকে উৎসবমুখর পরিবেশে করার জন্য কাজ করছি ।তাই নির্বাচনে ইসিকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। অন্যথায় চট্টগ্রামবাসী সমুচিত জবাব দেবে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সফিয়ান বলেন,ভোটের দিন ভোটাররা যেন ভয় ভীতি ছাড়া কেন্দ্রে আসতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে ইসিকে।আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যেন ভোটারদের হুমকি-ধমকি দিতে না পারে সেজন্য কেন্দ্রের বাইরে প্রশাসনকে ভূমিকা রাখতে হবে।অন্যথায় যে কোনো পরিস্থিতির জন্য সরকার এবং প্রশাসনকে দায়ী থাকতে হবে।

গণসংযোগ কালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, উওর জেলা বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন,নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, শেখ নুরুল্লাহ বাহার,বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি ও ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী হানিফ সওদাগর, নগর বিএনপির স্থানীয় সরকার সম্পাদক মো: কামাল উদ্দীন ,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিম, সহ অর্থ সম্পাদক নরুল আলম, সহ আইন সম্পাদক এড. সেলিম উদ্দীন শাহীন,বিএনপি নেতা মোহাং ইলিয়াছ, কামাল উদ্দীন,হাছান মুরাদ,৩৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ ওসমান,আবদুল কুদ্দুস সেন্টু,সাহাব উদ্দীন সাবু,হাজী মো: হোসেন,নগর যুবদলের সিঃ সহ সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপাত ফারুক আহম্মদ, মোঃ আজম উদ্দিন, মো: হাছান ,২৭, ৩৭, ৩৮ নং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী সাহিদা খানম মালা,জিয়াউর রহমান জিয়া, মো: সালাউদ্দীন, মাহাবুবুর রহমান বাচ্চু,আনোয়ার হোসেন জুনু প্রমূখ।