চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জনগণকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রেখে যারা নির্বাচন করতে চেয়েছে তারা জনগণের সেবক হতে পারে না।

বিজ্ঞাপন

তিনি শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে নগরীর লালখান বাজার মোড়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাধারন মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরনের সময় এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, চসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ছাড়া অন্য সব মেয়র প্রার্থীরা জনগণকে করোনা থেকে মুক্ত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে। আওয়ামীলীগ প্রার্থী বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে জনসমাবেশ করে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছে। তিনি গণসংযোগের মাধ্যমে জনগণকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নিয়ে যাচ্ছে। যারা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা না করে যে কোন প্রকারে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখে তারা জনগণের সেবক হতে পারে না।

তিনি বলেন, সাধারন মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে নির্বাচন স্থগিত করার জন্য আমরা আগে থেকে দাবি জানিয়ে আসছিলাম। কিন্তু ইসি তাতে কর্ণপাত করে নাই। ঢাকা উপনির্বাচনে ভোটারের অনুপস্থিতির কারণে নির্বাচন কমিশন হতবাক হয়ে যায়। যার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের নির্বাচন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম এখন করোণা ভাইরাসের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে। অথচ চট্টগ্রামের ৭০-৮০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রেখে তারা নির্বাচনের নামে তামাশা করতে চেয়েছিল। আমরা চট্টগ্রামবাসীর দুঃখ-দুর্দশা, তাদের নিরাপত্তা ও নিরাপদ একটি শহরের জন্য আমরা জনগণের দল হিসেবে জনগণের পাশে আছি এবং থাকবো। জনগণের স্বাস্থকে ঝুঁকিমুক্ত রাখায় আমাদের কাছে মূখ্য।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার বিনা কারণে জেলে বন্দি করে রেখেছে। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও জেলে বন্দি হয়ে আছে। জেলখানায় ধারন ক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দি রয়েছে। যারা জেলে বন্দি আছে তারা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি খুবই বেশি। তাই বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল। আমরা জনগণের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে নির্বাচন স্থগিত করার কথা বলেছি। কিন্তু আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী বিএনপি হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচন স্থগিত করতে চান বলে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ জনগণকে ভয় পায়। তারা ভোটারশুণ্য নির্বাচনে জনগণকে বাদ দিয়ে ভোট ডাকাতি করে তাড়াতাড়ি মেয়রের চেয়ারে বসতে চেয়েছিল। আমরা চাই জনগণ ভোটকেন্দ্রে আসুক। জনগণের ভোট নিয়ে আমরা মেয়র হতে চাই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ ভিপি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, লালখান বাজার ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল হালিম শাহ আলম, গাজী সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ জামাল, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী মনোয়ারা বেগম মনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম স্বপন, সহ স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক আরিফ মেহেদি, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কারামুক্ত সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, সদস্য ইউসুফ আলী, লালখান বাজার ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি এ্যাডঃ আবুল কাশেম মজুমদার, সাধারন সম্পাদক নাসিম আহমেদ, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জিয়াউর রহমান জিয়া, জমির উদ্দিন নাহিদ, হেলাল হোসেন, আব্বাস উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, এ্যাডঃ মো. লিটন, নুর হোসেন উজ্জ্বল, মোস্তফা কামাল, বেলাল হোসেন, নাসির উদ্দিন প্রমুখ