খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামদানী শাড়ির আদীকথা (১) ইতিহাস ও বংশপরম্পরার আভিজাত্যের প্রতীক!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
জামদানী শাড়ির আদীকথা (১)  ইতিহাস ও বংশপরম্পরার আভিজাত্যের প্রতীক!

২৪ ঘণ্টা সংস্কৃতি। জী আমি বাংলার, শুধুই যে বাংলার।।

লেখিকা তানজিন তিপিয়া : জামদানী, আমার পারিবারের আভিজাত্যের প্রতীক, আমাদের দেশীয় গর্বের প্রতীক। অক্লান্ত দীর্ঘ পরিশ্রমের অপর নাম এবং এই বাংলায় জন্মানো এক প্রাচীন নাম জামদানী। ফার্সিশব্দ হতে আগত দু’টো ধ্বনির পরিপাটি মিশ্রণ।

জাম মানে ফুল আর দানী মানে পাত্র মোট কথা ফুলদানি। আরো এক ভাবে বলা যায়, জাম মানে জামা আর দানী মানে দানা অর্থাৎ বুটিদার জামা।এটি সব সময়ে বাংলারই ছিল সেই ১৪ শতাব্দী থেকেই।

অনেক বেশি বিস্তার লাভ করে মোঘল সাম্রাজ্যের আমলে।সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) রাজত্বকে জামদানীর স্বর্ণযুগ বলে আখ্যা দিলেও ভুল হবে না, মোঘল শাসনামলে এর ঐতিহাসিক উৎপাদনের কারণে। যা শুধু মাত্র রাজপরিবারের সদস্যরা এবং রাজ্যে অন্তর্গত অভিজাত ব্যক্তিবর্গরাই পরতে পারতেন, কারণ তখন থেকেই সময় সাপেক্ষ হাতের তৈরি এই কাপড়টি বেশ ব্যয় বহুল ছিলো।

মসলিন, কার্পাস তুলোয় বোনা একটি সুতিকাপড়। এটি ইরাকের মোসুল শহর হতে আগত সেখানেই প্রথম উৎপত্তি। নামেই শহরটির আভাস পাওয়া যায়।সম্রাট জাহাঙ্গীরের আলমে (১৬০৫-১৬২৭) এইবস্ত্রে তৃতীয় সুতোর মাধ্যমে ফুলবোনা আরম্ভ হয়।

জামদানী শাড়ির বাকি ইতিহাস পড়তে চোখ রাখুন ২৪ ঘণ্টা ডট নিউজে। ৪ পর্বের আদিকথার দ্বিতীয় খণ্ডে থাকছে আরো চমকপ্রদ কিছু ইতিহাস।

জাহাঙ্গীরকে জামদানী পরতেও দেখা গিয়েছে উনার কোমরে যে কাপড়টি জড়ানো হতো ওটা নানা ফুলে ঘন কাজের জামদানী। এ ব্যাপারে স্কটিশ লেখক “জন ফোর্বস ওয়াটসন “১৮৬৬ সনে উনার বইতে মসলিন কাপড়ে আকর্ষণীয় নকশার কথা, ঢাকার তাঁতবুনন পদ্ধতি ও দামি পণ্য বলে উল্লেখ করেছেন। আর এই কারণেই জামদানীর সাথে“আভিজাত্য” শব্দটি যুক্ত হয়ে রবে আজীবন।

সাধারণত তুলা এবং সোনার সুতোর মিশ্রণে বোনা হতো তখন। সম্ভবত ২০০০ হাজার বছর আগের পদ্ধতি যা আজো বিদ্যমান। ২০১৩ সালে জামদানী বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে তুলে ধরে বাংলাদেশ ইউনেস্কোর অন্তর্গত “ইনটেনজিবল কালচার হেরিটেজ অফ হিউম্যানিটি” তে নিবন্ধন করে। ২০১৬ সালে, বাংলাদেশ জামদানী শাড়ির জন্য ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে মর্যাদা পায়।

মসলিনের সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায় “পেরিপ্লাস অফ দি এরিথ্রেয়ান সি” বইয়ে এবং আরব, চীন এবং ইতালিয়ান ভ্রমণকারী ব্যবসায়ীদের বিবরণে।

জামদানী হস্তচালিত বোনা কার্পাসতুলা দ্বারা তৈরি, যা ঐতিহাসিকভাবে মসলিন হিসেবে পরিচিত ছিল। জামদানী বুননের ঐতিহ্য বাঙালি বংশভুত। তাঁতের বুননের সর্বাধিক সময় এবং শ্রম-নিবিড় রূপগুলোর মধ্যে একটি এবং এটি মসলিনের অন্যতম সেরা জাত।

বাংলাদেশী তাঁতের অন্যতম শৈল্পিক বস্ত্র হিসেবে বিবেচিত। ঐতিহ্যগত ভাবে ঢাকার সোনারগাঁও, রূপসী নারায়গঞ্জ সেই মোঘল কাল থেকেই জামদানীর জন্য প্রসিদ্ধ স্থান যা আজো অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখে যেন বলছে- জী আমি বাংলার, শুধুই যে বাংলার।

মানুষ পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে পান অর্থ, সম্পদ, জায়গা, জমি আর আমি এগুলোর সাথে করেই পেয়েছি জামদানী। নিঃসন্দেহে এটি বংশ পরম্পরায় আমার পারিবারিক বস্ত্র, দৌলত বংশের প্রতীক।

২৪ ঘণ্টা/লেখিকা-তানজিন তিপিয়া/ সম্পাদনা-রাজীব প্রিন্স

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…