খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামদানী শাড়ির আদীকথা (২) মোঘল আমলে আবিষ্কৃত এক নিখুঁত হস্তের বিদ্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২০, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
জামদানী শাড়ির আদীকথা (২) মোঘল আমলে আবিষ্কৃত এক নিখুঁত হস্তের বিদ্যা

জামদানী শুধু ৬ গজ বস্ত্র নয়, কাপড় আর নকশার অসাধারণ বন্ধন

২৪ ঘণ্টা সংস্কৃতি। লেখিকা তানজিন তিপিয়া : জামদানী মূলত ৩ প্রকার- ১ সুতি জামদানী, ২ হাফসিল্ক জামদানী ও ৩ মসলিন জামদানী।

মুলত এই মসলিন জামদানী হতেই বাকি গুলোর উৎপত্তি মোঘল আমলে মসলিন খাটি সুতি কাপড়ে নকশা করাতেই জামদানী নামকরণ। আবিষ্কৃত হয় এক নিখুঁত হস্তের বিদ্যা।

বিস্তৃতি কমে যায় ব্রিটিশ আমলে। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের অধীনে, শিল্পজাত উৎপাদিত বস্ত্রের পক্ষে উপপনিবেশিক আমদানি নীতিগুলির কারণে বাঙালী জামদানী ও মসলিন শিল্পগুলো দ্রুত হ্রাস পেয়েছিল।

ব্রিটিশরা ধীরে ধীরে যন্ত্র নির্ভরশীলতায় এগোতে থাকাটাও, কম সময়ে অনেক উৎপাদন আর হাতের তৈরি এইকাজে খরচ হতো মাসের পর মাস। তাই তাঁতিরা অর্থনৈতিকভাবে বেশ বড় আঘাত পেয়ে জীবিকার দায়ে কাজ ছেড়ে অন্য পন্থায় লিপ্ত হয়ে বাঁচতে শুরু করেলেও বংশ পরম্পরা ধরে রাখতে তাঁতিরা তখনো হাল ছাড়েননি।

আরো খবর : জামদানী শাড়ির আদীকথা (১) ইতিহাস ও বংশপরম্পরার আভিজাত্যের প্রতীক!

তাঁদের হাল ধরা সেই সাহসিকতার কারণেই আজো বাংলায় জামদানী শব্দটির অস্তিত্ব বিরাজমান। জামদানী শুধুই ৬ গজ বস্ত্র নয়। কাপড় আর নকশার অসাধারণ বন্ধন যা নিজের মধ্যেই একটি সতন্ত্রতা বহন করে।

একটি ন্যূনতম কম কাজের জামদানী তৈরিতেও ২ জন কারিগরের লেগে যায় ৩-৭ দিন কাজের ধরণ ভেদে দিন এবং শ্রম বাড়তে থাকে। কোন কোন শাড়ির কাজ সম্পন্ন করতে লাগে ৬ মাস এমনকি ১ বছরও।

জামদানী শাড়ির বাকি ইতিহাস পড়তে চোখ রাখুন ২৪ ঘণ্টা ডট নিউজে। ৪ পর্বের আদিকথার তৃতীয় খণ্ডে থাকছে আরো চমকপ্রদ কিছু ইতিহাস।

ইদানিং নকশা নকল করে যন্ত্রে তৈরি শাড়ি বিক্রি হচ্ছে আসল ঢাকাই জামদানী বলে। যা দুঃখজনকভাবেই কড়া সত্য, আমার খেটে খাওয়া তাঁতি ভাই বোনদের উপর বিরাট অন্যায়।

সাধারণত ৩টি প্রাথমিক নকশায় তৈরি হয় জামদানী। ১ বুটিদার, ২ তেড়ছি, ৩ জাল। তাছাড়া ঝোপা ফুল, মাছি ফোঁড়, এস্কা, জামিতি, চারকোণা, ফুলোয়ার, কলকা পাড়, দুরিয়া, দুবলি জাল, পান্না হাজার, ছিটা তেছড়ি হাঁটু ভাঙ্গা তেছড়ি, জুঁই বুটি, ছিটার জাল, সুঁই জাল, পুঁই লতা, আঙ্গুর লতা এমন হাজারো নকশা যার নামকরণ করে থাকেন তাঁতিরা নিজের মন মতো করে।

তাই জামদানী এই দেশীয় পোশাক শখ নয় আমার, অভ্যাসকারণ আমার মা, নানী সাহেবা খালা আর মামীদের কাছে এতো শুনেছি, এতোই পরিধান করতে দেখেছি আর যত্ন নিতে শিখেছি যে রক্ত আত্মায় মিশে গেছে এই কাপড়।

আম্মার ৫টা শাড়ি আছে যেগুলো বেশ পুরোনো। সবচেয়ে পুরোনো শাড়িটির বয়স ৪৩বছর, কালচে নীল শাড়িতে মাছিফোঁড়ের গাড় সোনালী মোটিফের কাজ, যা স্পর্শকরলেই অনুভব করা যায় কতোটা বৃদ্ধ হয়েছে এই শাড়ি আর পুরনো মাড়ের গন্ধ যা বাধ্য করবে চারদশক আগের পরিবেশকে কল্পনা করতে।

সেই সাথে শুনেছি আমার মায়ের দাদা রেঙ্গুন হতে ফিরে আসার গল্প। জাহাজ থেকে নেমে তিনি প্রথমে শহরের বাজার হতে উনার মা, একমাত্র মেয়ে সুলতান এবং স্ত্রী সাবেরার জন্য জামদানী শাড়ি কিনেই বাড়ির পথে রওনা দিতেন।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম পেরিয়ে যে সৌভাগ্য আমার হয়ে উঠেছে। আমিও দু’হাত মেলে শ্রদ্ধায় গ্রহণ করে অন্তর কোটরে প্রবেশ করিয়ে ফেলেছি। তাই রোজ জামদানী গাঁয়ে দেয়া আমার নিয়ম হওয়াটাই স্বাভাবিক। আমার কাছে যা স্বর্ণের চেয়ো বহুমূল্যবান।

এতে আছে আমার পূর্বনারীদের দোয়া,বাংলার ঐতিহ্যের প্রমাণ, আমার বাংলার তাঁতি ভাই বোনদের হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম।যতনে রাঙ্গানো সুতো, নিপুণতায় বোনা এক একটি ফুল। আমার বংশের তেজস্বিনী নারীদের গল্প, আমার বংশের আভিজাত্যের প্রতীক। স্বর্ণের চেয়ে মূল্যবান কেনই বা হবে না বলুন?

২৪ ঘণ্টা/লেখিকা-তানজিন তিপিয়া/ সম্পাদনা-রাজীব প্রিন্স

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…