ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবং তার সাবেক স্ত্রী নাজিয়া হাসান অদিতিকে নিয়ে কিছু অনলাইন পোর্টালে অসত্য সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন অপূর্ব।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, এক অসাধু ব্যক্তির কারণে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে দাবি করে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে কিছু অনলাইন পোর্টালে।

বিষয়টি নজরে আসলে ওই সকল পোর্টালের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় শনিবার (২৫ জুলাই) উত্তরা পূর্ব থানায় সাধারণ ডায়েরি করে অভিনেতা অপূর্ব।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের প্রধান নাজমুল হোসেন বলেন, ‘অপূর্ব অভিযোগ করেছেন তার নামে অসত্য বিভ্রান্তিকর ও অশালীন খবর প্রকাশ করা হয়েছে অনলাইন পোর্টালে। এ বিষয়ে তদন্তের ভার পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

এর আগে ফেসবুক পোস্টে অপূর্ব লেখেন, গত দুইদিন ধরে দেখা যাচ্ছে কিছু ভুঁইফোড় অনলাইন পত্রিকা কোনও ধরনের তথ্য প্রমাণ ছাড়াই আমার সাবেক স্ত্রী নাজিয়া হাসান অদিতি এবং আমার বিচ্ছেদের ব্যাপারে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যা আমার এবং অদিতির জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।

আমি আগেও বলেছিলাম, অদিতির সঙ্গে আমি এখন সাংসারিক জীবনে না থাকলেও সে আমার সন্তানের মা। সুতরাং অদিতির সম্মান নিয়ে বা অদিতির নামের সঙ্গে জড়িয়ে তৃতীয় কারো নাম নিয়ে যে বা যারা কোনো ধরনের নোংরা খেলায় মাতবে এদের কাউকেই আমি ছেড়ে কথা বলব না।

আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়ে অপূর্ব লিখেন, গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে দেশের একজন দুর্নীতিবাজের সঙ্গে আয়াশের মাকে (অপূর্বর সাবেক স্ত্রী) জড়িয়ে মিথ্যা এবং কাল্পনিক ঘটনা প্রচারের জন্য দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে তীব্র প্রতিবাদ করছি। শুধু প্রতিবাদই না, আমাদের ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা নিয়ে এ ধরনের নোংরা মিথ্যাচার ছড়ানোর দায়ে এসব পত্রিকার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি, যা আজকালের ভেতরে সম্পন্ন হবে। যে বা যারা এই নোংরা খেলার সঙ্গে জড়িত তাদের প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনব।

২৪ ঘণ্টা/এম আর