অলিম্পিক লিঁও-কে হারিয়ে রেকর্ড নবমবারের মত ফ্রেঞ্চ লিগ কাপের শিরোপা জিতলো প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ থাকে গোলশূন্য। এরপর পেনাল্টি শ্যুটআউটে লিঁও-কে ৬-৫ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আসরে জিতে ইতিহাস রচনা করলো দ্য পারসিয়ান।

বিজ্ঞাপন

এক সপ্তাহ আগে এ মাঠেই ফ্রেঞ্চ কাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছিলো প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। এক সপ্তাহ পর আবারো স্তাদে ডি ফ্রান্সে শিরোপার লড়াইয়ে নামে ফরাসি জায়ান্টরা। অলিম্পিক লিঁও-র বিপক্ষে ফ্রেঞ্চ লিগ কাপের ফাইনালে।

এবারের ফাইনাল অন্য ফাইনালের চেয়ে কিছুটা হলেও ভিন্ন। কারণ এটাই ফ্রেঞ্চ লিগ কাপের শেষ আসর। তাই যারাই জিতবে তারাই হয়ে থাকবে ইতিহাসের অংশ।

ম্যাচের শুরু থেকে প্রতিপক্ষ অলিম্পিক লিঁও-কে একরকম চাপে রাখে পিএসজি। আক্রমণ চালায় একের পর এক। নেইমার, ডি মারিয়ারা রীতিমত ব্যস্ত রাখে লিঁও-র রক্ষণদুর্গকে। বিরতিতে যাওয়ার কিছু সময় আগেও গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলো দ্য পারসিয়ান। কিন্তু ফিনিশিং এর অভাবে তা আর গোলে রূপ নেয়নি। ফলে প্রথমার্ধ্ব থাকে গোলশূন্য।

বিরতি থেকে ফিরেও ম্যাচের চিত্র থাকে একই। দ্বিতীয়ার্ধ্বের ৮ মিনিটের মাথায় নেইমার দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেছিলো। কিন্তু লিঁও গোলরক্ষক অঁতনি লোপেজ তা আর হতে দেননি। ফলে আক্রমণ আর রক্ষণভাগের বেড়াজালে গোলের দেখা পেতে বারবারই ব্যর্থ হয় পিএসজি। ভালো অনেক সুযোগ তৈরি করেও ফলাফল থাকে শূন্য। অন্যদিকে, অলিম্পিক লিঁও থাকে গোলবঞ্চিত। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে জমজমাট ম্যাচ উপভোগ করে স্তাদে দি ফ্রান্সের দর্শক। দু’দলই একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায়। কিন্তু গোলের আর দেখা পায় না। উল্টো যোগ করা সময়ের শেষদিকে ডি মারিয়াকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লিঁও ডিফেন্ডার রাফায়েল। আর ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে।

টান টান উত্তেজনা। চলছে পেনাল্টি শ্যুটআউট। পিএসজির হয়ে উৎরে গেছেন নেইমার, হেরেরা, ডি মারিয়ারা। কিন্তু অলিম্পিক লিঁওর হয়ে বারট্রেন্ড ব্যর্থ হন। মিস করেন পেনাল্টি। পরে সারাবিয়ার গোলে শিরোপা নিশ্চিত হয় পিএসজির। শেষ আসরে ফ্রেঞ্চ লিগ কাপ জিতে ইতিহাস গড়ে থমাস টাচেলের দল। এ নিয়ে নবমবারের মত এই শিরোপার স্বাদ নিলো দ্য পারসিয়ান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর