খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্বে খোরশেদ আলম সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০, ২:১৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্বে খোরশেদ আলম সুজন

অবশেষে সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি।

চসিক প্রশাসক মনোনীত হওয়ার পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি খুবই খুশি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

চট্টগ্রামের উন্নয়নে মহিউদ্দিন চৌধুরীর পথ ধরে এগুবেন জানিয়ে তিনি বলেন ‘এই শহর বাংলাদেশের হৃদপিণ্ড। এই শহরকে এগিয়ে নেয়ার জন্য এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর যে স্বপ্ন ছিল আমি চেষ্টা করবো সেটাকে এগিয়ে নিতে।’

চট্টগ্রামের কিংবদন্তি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর খোরশেদ আলম সুজন শহরের বিভিন্ন দূর্ভোগ সমস্যা নিয়ে সব সময় সরব ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকের নানা সমস্যা নিয়ে আন্দোলন করে আসছিলেন তিনি। স্থগিত হওয়া চসিক নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি ছিলেন।

খোরশেদ আলম সুজন ছাত্রজীবনেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতি হিসেব দায়িত্ব পালন করেন। পরে চবি থেকে সমাজতত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরি সায়েন্সে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে ১৯৮৬ সালে জাতীয় ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
সেই থেকে প্রায় ৫০ বছরের বর্ণিল রাজনীতিক ক্যারিয়ারে অনেকবার সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন লাভের সুযোগ আসলেও তা বারবারই হাতছাড়া হয়েছে তাঁর। কিন্তু রাজনীতির মাঠে সজ্জন পরিছন্ন পোড় খাওয়া এই নেতা জীবনের শেষ বেলায় এসে তাঁর প্রাপ্য মূল্যায়ন পেলেন।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচন। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে ৫ আগস্ট। গত ২৯ মার্চ চসিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সেটা স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ২৫ (১) ধারায় বলা আছে, সিটি করপোরেশন মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সরকার সিটি করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এর কার্যক্রম সম্পাদনের উদ্দেশ্যে একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে।

একই আইনের ২৫ (২) ধারায় বলা হয়েছে, সরকার প্রয়োজনবোধে যথাযথ বলে বিবেচিত হয়— এমন সংখ্যক সদস্য সমন্বয়ে গঠিত কমিটিকে প্রশাসকের কর্মসম্পাদনে সহায়তার জন্য নিয়োগ করতে পারবে।

আর ২৫ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, প্রশাসক এবং কমিটির সদস্যরা যথাক্রমে মেয়র ও কাউন্সিলরের ক্ষমতা প্রয়োগ এবং দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচন। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে ৫ আগস্ট। গত ২৯ মার্চ চসিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সেটা স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ২৫ (১) ধারায় বলা আছে, সিটি করপোরেশন মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সরকার সিটি করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এর কার্যক্রম সম্পাদনের উদ্দেশ্যে একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে।

একই আইনের ২৫ (২) ধারায় বলা হয়েছে, সরকার প্রয়োজনবোধে যথাযথ বলে বিবেচিত হয়— এমন সংখ্যক সদস্য সমন্বয়ে গঠিত কমিটিকে প্রশাসকের কর্মসম্পাদনে সহায়তার জন্য নিয়োগ করতে পারবে।

আর ২৫ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, প্রশাসক এবং কমিটির সদস্যরা যথাক্রমে মেয়র ও কাউন্সিলরের ক্ষমতা প্রয়োগ এবং দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে অফিস খোলার প্রথম দিনেই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

স্থগিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি দলটির নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তার বদলে নৌকার মনোনয়ন পান নগর কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী। অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান দলটির নগর কমিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…