সরকারের কাছে বিএনপি’র দলীয় সদস্য পদ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) নগরীর ৭নং পশ্চিম ষোলশহর,৮নং শুলকবহর ও ৪৩নং আমিন জুট মিল সাংগঠনিক ওয়ার্ডে নগর আওয়ামী লীগের চলমান কর্মসূচি বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি সরকারের কাছে এই দাবি জানান।

সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্তি ৭৫’র ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছে। সেই অপশক্তি পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতার মসনদে বসিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে জাতীয় চার নেতাসহ হাজার হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করিয়েছে। এই জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শুধু আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছেন তা নয়। বিদেশের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃতও করেছেন তিনি। তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও ক্ষমতায় এসে স্বামীর দেখানো পথে হেঁটেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার প্রত্যক্ষ মদদে ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করা হয়। এই হামলায় আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মী নিহত হওয়াসহ পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। পরের বছর ২০০৫ সালের ১৭ আগষ্ট বাংলাদেশকে মৌলবাদী জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার অপপ্রয়াসে জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ’কে দিয়ে ৬৩ জেলায় একযোগে সিরিজ বোমা হামলা ঘটিয়েছেন। একের পর এক ন্যাক্কারজনক হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে বিএনপি প্রমাণ করেছে তারা স¦াধীনতা,সার্বভৌমত্ব বিধ্বংসী একটি দল। এদেশে তাদের রাজনীতি করার যোগ্যতা নেই।

আমি সরকারের কাছে বিএনপি’র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং রাজনৈতিক দলের তালিকা থেকে বিএনপি’কে বাদ দেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।

নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মানব জীবনে দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বৃক্ষের নিঃসরিত অক্সিজেনে মানুষ জন্মের পর প্রথম শ্বাস নেয়। জীবন ধারণের প্রতিটি পর্যায়ে ফলজ,বনজ বৃক্ষের কাছে আমরা ঋণী। ভেষজ বৃক্ষ থেকেই জীবন রক্ষাকারী ওষধ তৈরি হয়। মৃত্যুর পর লাশ দাফন বা সৎকারেও বৃক্ষের প্রয়োজন।

কর্মসুচিতে নগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা শফর আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরী,তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর,যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহরাওয়ার্দী, ৪৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সহসভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেকসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর