খুচরা বাজারে ম্যাজিস্ট্রেট

২৪ ঘণ্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : বাজারে ম্যাজিস্ট্রেট প্রবেশ করতেই অনেক দোকানী তাদের সামনে সাটানো মূল্য তালিকায় দাম কমিয়ে ঘষা মাঝা করছে। আবার অনেকে দোকানের সামনে মূল্য তালিকাও উধাও। কিছু কিছু ব্যবসায়িকে নিজেদের মতো করে দাম নিতে দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর নগরীর আগ্রাবাদের চৌমুহনী বাজার ও ২ নং গেইটের কর্ণফুলী মার্কেটে পেঁয়াজের খুচরা বাজারের চিত্র এটি।

গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রামে আবারো মাথা চড়া দিয়ে উঠা পেঁয়াজের ঝাঁঝ কমাতে পাইকারি বাজারের পর এবার খুচরা বাজারেও অভিযানে নেমেছে জেলা প্রশাসন।

পেঁয়াজের মূল্য তালিকায় লাগাম টানতে নগরীর দুটি বাজারে আজ অভিযান পরিচালিত হয়। সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১২ টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত চলে এ অভিযান।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার ও মো. উমর ফারুকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৯ ব্যবসায়ির কাছ থেকে মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অতিরিক্ত মূল্যে পেয়াজ বিক্রি ও মূল্য তালিকা না থাকায় কর্ণফুলী মার্কেটের হাজা স্টোর, নিউ বিসমিল্লাহ স্টোর, কাশেম স্টোরকে ২ হাজার টাকা করে এবং হাজী স্টোরকে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

অন্যদিকে একই অপরাধে নগরীর আগ্রাবাদ চোমুহনী মার্কেটের নুরে মদীনা স্টোরকে ২ হাজার, সাগর স্টোরকে ২ হাজার, এবং মিলন স্টোর, আরিফুল স্টোর ও আলাউদ্দিন স্টোরকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

পেয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে কারা জড়িত তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে জানিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, আজ খুচরা বাজারে অভিযান পরিচালনার সময় দেখা যায়, কম দামে পেয়াজ কেনা থাকলেও বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখিয়ে তারা প্রতি কেজি পেয়াজ ১০ থেকে ১৫ টাকা বৃদ্ধিতে বিক্রি করছে। যার ফলে তাদের অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে পেয়াজের মূল্য যাতে বৃদ্ধি না হয় সে লক্ষ্যে আমাদের বাজার মনিটরিং অব্যাহত আছে। যদি কোন অসাধু ব্যবসায়ী পেয়াজের দামে আগের মতো কারসাজি করার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব