ঔপন্যাসে ও শিশুসাহিত্যে সম্মাননা পেলেন শাম্মী তুলতুল

চট্টগ্রাম ডেস্ক : স্বাধীন বাংলার প্রথম সংবাদপত্র বীর চট্টলার “দৈনিক আজাদীর” প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আলহাজ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার সন্মাননা পেলেন সাহিত্যিক শাম্মী তুলতুল।

বিজ্ঞাপন

নগরীর রীমা কনভেনশন হল চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাহিত্যিক শাম্মী তুলতুলকে ঔপন্যাসে ও শিশুসাহিত্যে সম্মাননা দেওয়া হয়। এ অনুষ্ঠানে মোট ১১ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেওয়া হয়।

সংবাদপত্রের অন্যতম পথিকৃৎ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেকের ৫৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আলহাজ খোরশেদ আলম সুজন। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম আরিফ।

মুখ্য আলোচক ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া। বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ দিদার আশরাফীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথিরা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেকের কর্ম ও উনার বিভিন্ন কাজ নিয়ে আলোচনা করেন।

শাম্মী তুলতুল বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম। দুই বাংলার জনপ্রিয় লেখক। ছোট থেকে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বাংলাদেশ-ভারতের প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকাগুলোতে লেখালেখি করে যাচ্ছেন। তিনি দৈনিক আজাদী পত্রিকার নিয়মিত একজন লেখকও।

তাছাড়া তার বই বেড়িয়েছে ১৪ টি। মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস চোরাবালির বাসিন্দা, একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল, মনজুয়াড়ি ,পদ্মবু নান্টু ঝান্টুর বক্স রহস্য, পিপড়ে ও হাতির যুদ্ধ,গণিত মামার চামচ রহস্য, দৈত্য হবে রাজা, ভূত যখন বিজ্ঞানী এই বইগুলো তাকে নিয়ে গেছে খ্যাতির শীর্ষে।

তিনি সম্প্রতি বাংলালিংক বইঘরের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। রবি, এয়ারটেল, জিপি যেকোনো অপারেটরে শাম্মী তুলতুল সার্চ দিলেই তার বই যে কেউ পড়তে পারবেন।

সম্মাননা প্রাপ্তির পর তিনি বলেন, এই সন্মাননা তাকে অনেকটাই আপ্লুত করেছে। তিনি ভাবতেও পারেনি হুট করে এমন একটি খবর আসবে। আর এই পুরস্কারে অত্যন্ত খুশী কারণ আজাদী পত্রিকায় আমি ছোট থেকে এখনো লিখালিখি করে যাচ্ছি। কারণ ইঞ্জিনিয়ার খালেক স্যার এর আজাদী পত্রিকায় লিখতে পারা মানেই চট্টগ্রামের লেখকের জন্য একটা বড় লেখক সার্টিফিকেট।

তাই এই সন্মাননা আমার জন্য অতি গৌরবের। আমি এই সন্মাননা আমার সকল পত্রিকার সম্পাদক, সকল পাতার সম্পাদক বাবা- মা আর আমার পাঠকদের উৎসর্গ করলাম।

উল্লেখ্য যে তুলতুল একটি সাহিত্য-সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক মুক্তিযোদ্ধা ও অভিজাত পরিবারে চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবার ও নিজ ইচ্ছাশক্তি বলে চট্টগ্রাম থেকেই তিনি আন্তর্জাতিক লেখক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

তুলতুলের বাবা আলহাজ আবু মোহাম্মদ খালেদ শিক্ষাবিদ, একজন মুক্তিযোদ্ধা। মা আলহাজ কাজী রওশন আখতার রাজনীতিবিদ ছিলেন। দাদা বিপ্লবী আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার লেখক ও কবি নজরুলের বন্ধু ছিলেন। নানী কাজী লতিফা হক ছিলেন বেগম পত্রিকার স্বনামধন্য লেখক ও গীতিকার।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব