নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীর উপর ভয়াবহ পাশবিকতা, সারাদেশে নারী ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

বিজ্ঞাপন

তিনি বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকালে সরকারী দলের ছত্রছায়ায় সারাদেশে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবী জানান।

তিনি বলেন, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে যে লোমহর্ষক ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে, তা বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। শুধু নোয়াখালীর ঘটনাই নয়, গত কয়েক মাসে দেশে ধর্ষণের মহোৎসব শুরু হয়েছে। নারীর শ্লীলতাহানি, নারীর ওপর নির্যাতন এটি এখন এই অবৈধ সরকারের নিয়মিত ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে।

দেশের মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই মন্তব্য করে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। আজকে এই দেশে সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় আছেন আমাদের মা-বোনেরা। প্রতি মুহূর্তে তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে। তাই এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার আর কোনো অধিকার নেই।

তিনি অবিলম্বে বেগমগঞ্জ, সিলেট,খাগড়াছড়িসহ সারাদেশে সংঘটিত প্রতিটি ধর্ষণ ও নারী নিগ্রহের ঘটনার সাথে জডিত অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তির দাবী জানান। সমাবেশ থেকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব লায়ন মো: আসলাম চৌধুরী সহ সরকারের প্রতিহিংসায় গ্রেফতারকৃত সকল নেতৃবৃন্দের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানান।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিঃ সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, করোনা মহামারীর শুরু থেকেই এই সরকার নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে মানুষের দৃষ্টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করছে। আমরা বারবার সরকারকে বলেছি, কিন্তু সরকার কর্ণপাত করেনি। কারণ এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তারা রাতের আধারে জোর করে জনগণের ভোট ডাকাতি করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে আছে।

সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার দাবী জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে আমরা যারা জনগণের ক্ষমতা, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি, তাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলামের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি শামসুল আলম, নাজিমুর রহমান, হারুন জামান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, সিঃ যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক আলম, ইসকান্দার মির্জা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম রাসেল, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মন্জুর আলম চৌধুরী মন্জু, সম্পাদকবৃন্দ এড,সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হামিদ হোসাইন, জিয়াউদ্দীন খালেদ চৌধুরী, শেখ নুরউল্লাহ বাহার, শহীদুল ইসলাম, আবদুল বাতেন, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মো: সালাউদ্দিন আবদুল্লাহ আল হারুন, সহ সম্পাদকবৃন্দ এ কে এম পেয়ারু, আবদুল হালিম স্বপন, মো: সেলিম, মোঃ ইদ্রিস আলী, মোঃ শাহাজাহান, খোরশেদ আলম কুতুবী, জেলি চৌধুরী, আমলগীর নূর, আবু মুসা, রঞ্জিত বড়ুয়া, আবুল খায়ের মেম্বার, শফিক আহমদ, আলী আজম, থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, আবদুল কাদের জসিম, নুর হোসাইন, হাজী বাদশা মিয়া, হাবিবুর রহমান, নগর বিএনপির সদস্য ইউসুফ সিকদার, আখি সুলতানা, আবদুর রহিম , আতিকুর রহমান, ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা শহীদুল্লাহ চিশতি, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান জিলানী, তাঁতী দলের আহবায়ক মনিরুজ্জাম টিটু, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ, মৎসজীবি দলের আহবায়ক হাজী নুরুল হক, সদস্য সচিব এড. আবদুল আজিজ, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আকতার খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, রফিক চেধুরী, হাজী মো: ইলিয়াছ, কাজী শামছুল আলম, ইলিয়াছ চৌধুরী, আলাউদ্দিন আলী নুর, মো: বেলাল, রাসেল পারভেজ সুজন, মো: আজম, মো: মহসিন, মো: সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান রিপন, এম এ হালিম বাবলু, সিরাজুল ইসলাম মুন্সি, আবুল কালাম আবু, জাহেদ উল্লাহ রাসেদ, ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম, হাজী আবু ফয়েজ, হাজী মো: ইমরান, ফরিদুল আলম, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক,আবু সাঈদ হারুন, সৈয়দ আবুল বসর, মামুন আলম, জিয়াউর রহমান জিয়া, জসিম মিয়া, কামরুল ইসলাম, শফিউল্লাহ, হাসান ওসমান, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এম এ গফুর বাবুল, নাছিম চৌধুরী, মো: মুছা, তোফাজ্জল হোসেন, শহীদুল্লাহ বাহার, মজিবুল হক, আলী মুর্তোজা খান, হুমায়ুন কবির, মো: সেলিম, এরশাদ হোসেন, এম এ ইউসুফ, খায়রুল আলম দিপু, মো: আসলাম, মে: হারুন, মাঈনুদ্দিন রাসেদ, এমদাদুল হক বাদশা, জিয়াউর রহমান জিয়া, জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভুইয়া, জহিরুল হক টুটুল, মো: সরওয়ার, তানভীল মল্লিক, নওশাদ প্রমূখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর