খুঁজুন
রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের বৈষম্য হ্রাস না হলে নিত্যভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোন উদ্যোগ সফল হবে না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের বৈষম্য হ্রাস না হলে নিত্যভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোন উদ্যোগ সফল হবে না

বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে একবার পেয়াঁজ, একবার চাল, একবার সয়াবিন এবং সর্বশেষ আলুর মূল্যবৃদ্ধি করে নিত্যভোগ্যপণ্যের বাজারে ভোক্তাদের নাবিশ্বাস তৈরী করছে। পেয়াঁজের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কারসাজি করার পর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী মাজিস্ট্রেট দেশের বৃহত্তর পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করলে ব্যবসায়ীরা পরের দিন ধর্মঘট ডেকে দোকানপাট বন্ধ করে দেন।ব্যবসায়ীদের চাপের মুখে জেলা প্রশাসন খাতুনগঞ্জে আর অভিযান পরিচালনা করে নাই। যার খেসারত দিতে হচ্ছে ভোক্তাদেরকে। এখন তারা পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ভোগ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরী করে জনগনের জীবন যাত্রায় প্রতিকূলতা তৈরী করছে।

নিত্যভোগ্য পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের নানাবিধ উদ্যোগ শুনা গেলেও সেগুলো কোন কাজে আসছে না। আর সরকারের এই বিফলতার জন্য ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে বিশাল আকারের বৈষম্যই দায়ী মনে করছেন ক্যাব নেতৃবৃন্দ। সরকারী-বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের ব্যবসায়ী সংগঠন ও ট্রেড বড়িগুলির সক্ষমতা অনেক বেশী হয়ে আছে। সেকারনে তারা অতি সহজেই সরকারকে নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হচ্ছে। আর সেকারনে ভোক্তাদের স্বার্থগুলি বারবার উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। তাই ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সংগঠনের মধ্যে বৈষম্য হ্রাস করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহন করার তাগিদ জানানো হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার মোহাম্মদনগরে ক্যাব আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন বক্তাগন উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

ক্যাব বায়েজিদ এর আহবায়ক সানিয়া কবির সানির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন।

ক্যাব ডিপিও জহুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশনেন ক্যাব পাঁচলাইশ থানার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি এবিএম হুমায়ুন কবির, সাধারন সম্পাদক আকতার হোসেন স্বপন, যুগ্ন সম্পাদক এম এ শাহীন, মোহাম্মদ নগর মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল বাহার, মোহাম্মদ নগর ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সভাপতি গোলাম তানবীর, ইকরা স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমদ, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম, যুবলীগ নেতা সুজন মাহমুদ প্রমুখ।

বক্তারা আরও বলেন, সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের নিজস্ব সংগঠন আছে এবং তারা নিজস্ব উৎস থেকে সম্পাদ আহরন ও সরকারী বেসরকারী সহযোগিতা পাবার কারনে তাদের সক্ষমতা তৈরী হয়ে আছে। অন্যদিকে দেশের ভোক্তারা অসংগঠিত ও তাদের সংগঠনগুলির কোন সক্ষমতা তৈরী হয়নি। ফলে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক মহল সবকিছুকে অতি সহজে ব্যবসায়ীরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে নিত্যভোগ্য পণ্যের বাজারসহ ব্যবসা সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে তারা প্রশাসনকে সহজে প্রবাভিত করতে পারে।

বক্তারা আরও বলেন, চট্টগ্রামে খাবারে বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করে যেগুলি ফুডগ্রেড বলে চালানো হলেও প্রকৃতপক্ষে এ রঙগুলি কাপড় ও ওয়ালের রঙ। বিভিন্ন খাবার ও বেকারী খাদ্যে ফুড কালারের নামে যে রঙ দেয়া হচ্ছে তার সবটুকুই বিষ। সেকারনে দেশের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার সিংহভাগই চট্টগ্রামের। অপরিস্কার অপরিছন্ন পরিবেশে খাদ্য রান্না ও পরিবেশেন, মানহীন খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ, মানহীন রান্নার তেল ও ঘি, মাছে জেলি ব্যবহার, ওজনে কম দেয়া, শাক-সবজিতে বিভিন্ন ক্যামিকেল ব্যবহার, দোকানে মূল্য তালিকা না থাকা, দেশী মুরগির কথা বলে সোনালী মুরগি বিক্রি, অপরিস্কার পরিবেশে মুরগি জবাই ও বিক্রি, ক্রেতাদের সাথে ব্যবসায়ীদের অসৌজন্যমুলক ব্যবহারের কারনে ক্রেতা-ভোক্তাদের অধিকার শুধু ক্ষুন্নই হচ্ছে না। এর বাইরে সরবরাহ সংকটের কথা বলে নিত্যভোগ্যপন্যের লাগামগীন মূল্যবৃদ্দি জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। আবার এ সমস্ত ব্যবসায়ীরা একটি পণ্যের ব্যবসা করলেও ১০টি পণ্য ও সেবা বাইরের থেকে কিনতে হচ্ছে। ফলে পুরো সমাজটিই যেন লুটপাটের হাট। যে যেভাবে পারে লুটপাট করে জনগনের পকেট কাটছে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অস্থির গোটা বিশ্বের জ্বালানির বাজার। বাংলাদেশেও গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে সংকট। এতদিন জেট ফুয়েল ছাড়া অন্য জ্বালানির দাম না বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে শনিবার (১৮ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের নতুন দাম মধ্যরাত (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। সেই দাম মার্চ মাসেও বহাল থাকে। এপ্রিল মাসেও আগের দাম বহাল রাখা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে‌ হামলা চালানোর পর অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্য। এ উত্তেজনার বড় প্রভাব পড়ে হরমুজ প্রণালিতে। এই প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল এখান দিয়ে পরিবাহিত হয়।

বাংলাদেশেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে গত কিছুদিন ধরেই যানবাহনের ভিড়। মানুষের অভিযোগ চাহিদা মত তারা জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ করা হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতির সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ জ্বালানি তেল মজুত করছে। জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে অভিযান চালিয়ে এরই মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব, সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবে না।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা-বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা।

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার পৃথক হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫), জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬), ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) এবং দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কৃষকরা হাওরে ধান কাটছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। একই সঙ্গে শুরু হয় বজ্রপাত।

তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাত ঘটলে আবুল কালাম নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।

একই সময়ে জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন নামে এক কৃষক নিহত হন। তিনি চানপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী।

ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নামে দুই কৃষক নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটা (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার।

 

প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। গতকাল ১৭ এপ্রিল এই দুই মাস পূর্ণ হয়েছে। সরকারের এই ৬০ দিনের পথচলাকে ‘অবিস্মরণীয় অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য ৬০টি উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এসব সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।

লিখিত বক্তব্যে মাহাদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এরইমধ্যে ৩৭,৫৬৭টি পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে একে নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের একটি ‘আন্তর্জাতিক রোল মডেল’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

প্রান্তিক কৃষকদের সুরক্ষা দিতে সরকারের বড় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

বেকারত্ব নিরসন ও প্রশাসনের গতিশীলতা বাড়াতে সরকারি শূন্য পদ পূরণের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। মাহাদী আমিন জানান, দেশের সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদ রয়েছে। এসব শূন্য পদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।