চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার সম্পূর্ণভাবে জনবিচ্ছিন্ন। তাদের কোনো দায়িত্বশীলতা নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা মিথ্যাচার করছে। বর্তমান সরকারের সময় চারদিকে দুর্নীতি ছাড়া আর কিছু দেখা যায় না। আওয়ামীলীগ জনগণের ভোটের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। তাদের কোনো অধিকার নেই গণতন্ত্রের কথা বলার। আওয়ামী লীগের কোনো অধিকার নেই বাংলাদেশের জনগণকে প্রতিনিধিত্ব করার। তারা হারিয়ে গেছে, তারা দেউলিয়া হয়ে গেছে বলেই আজকে তারা বন্দুক পিস্তল দিয়ে গায়ের জোরে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকালে ১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড় বিএনপির উদ্যোগে কাজীর দিঘী মোড়ে করোনার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন ও মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্টু করুন। তখন দেখা যাবে আপনারা কোথায় কে টিকে আছেন, কোথায় কি জনগণের দরদি হয়ে গেছেন । কেন আপনারা ২০১৮ সালে আগের রাত্রে সব নির্বাচন করে নিয়ে চলে গেলেন? কেন ২০১৪ সালের নির্বাচনে কোনো দলই অংশগ্রহণ করল না? ১৫৪ জনকে অগ্রিম নির্বাচিত ঘোষণা করে দিয়ে আপনারা জনবিচ্ছিন্ন একটা সরকার প্রতিষ্ঠা করলেন?

তিনি বলেন, এই অবস্থার শেষ হবে, শেষ হতে বাধ্য। বাংলাদেশের জনগণ কোনো দিনই পরাধীনতা মেনে তাদের অধিকারকে হারিয়ে তারা নিশ্চুপ থাকেনি। হয়তো সময় লেগেছে কিন্তু সেই সময়ের অবসান হয়েছে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করতে সরাসরি পুলিশ বাহিনী নিয়ে তৃণমূলে চলে গেছে। দেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। এ জন্য সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশন ও সরকার দায়ী। নির্বাচন কমিশন শুধু ব্যর্থই নয়, তাদের যোগ্যতাই নেই। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তনে বিশ্বাস করি বলেই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছি। কিন্তু স্থানীয় সরকার ও উপনির্বাচনগুলোতে আবারও প্রমাণ হলো আওয়ামী লীগ বা দলীয় সরকারের অধীনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী কখনই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড় বিএনপির আহবায়ক হাজী মোঃ সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব মোঃ শফিউল্লাহর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিঃ যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মন্জুর আলম চৌধুরী মন্জু, মোঃ কামরুল ইসলাম, পাহাড়তলি থানা বিএনপির সভাপতি হাজী বাবুল হক, সাধারন সম্পাদক জসিম উদ্দীন জিয়া।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী, সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক আজাদ বাঙ্গালী, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ও নগর বিএনপির সদস্য জেসমিনা খানম, আখি সুলতানা, উত্তর পাহাড়তলি ওয়ার্ড় বিএনপির সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধুরী, কাউন্সিলর প্রার্থী সোহরাব হোসেন শাহীন, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মুন্না, নুর সেলিম বাঙ্গালী, মহিলাদল নেত্রী খালেদা বোরহান, জাহানারা বেগম, শামসুন্নাহার প্রেমা, ওয়ার্ড় বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দীন, মাসুম ভূইয়া, আবদুর জাহের রাজু, ওয়াকিল আহমেদ রমজান, নগর যুবদল নেতা মোঃ আলী, মোঃ ইয়াসিন, মিজানুর রহমান দুলাল, মোঃ হোসেন, শ্রমিকদল নেতা সৈয়দ আলমগীর, মোঃ আলাউদ্দিন, নগর স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন, মোঃ এরশাদ, নগর ছাত্রদল নেতা রাজিব ধর তমাল, জহির উদ্দীন বাবর, ওমর কাইয়ুম প্রমূখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম