সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ আনিসুল করিম শিপন হত্যার প্রতিবাদ ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এসএসসি ২০০০ ও এইচএসসি ২০০২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ফেসবুক গ্রুপ লিজেন্ড বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, চিকিৎসার নামে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। পাশাপাশি সারাদেশে যেসব অবৈধ হাসপাতাল রয়েছে, সেসবের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বরিশাল মহানগর ট্রাফিক পুলিশের সহকারী কমিশনার আনিসুল করিম শিপন মানসিক চিকিৎসার জন্য গত ৯ নভেম্বর আদাবরের ওই হাসপাতালে যান। কিন্তু চিকিৎসার বদলে সেখানে হাসপাতাল কর্মীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে।

হত্যাকাণ্ডের শিকার আনিসুল করিম শিপন ঢাকা বোর্ডের অধীনে ২০০০ সালে এসএসসি ও ২০০২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে প্রাণরসায়নে এমএসসি সম্পন্ন করেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। ১৯৮৪ সালের ২১ নভেম্বর গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন শিপন।

৩১তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে দ্বিতীয় স্থান পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন তিনি। চাকরিকালীন শিপন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাবসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

২৪ ঘণ্টা/মোরশেদ