চট্টগ্রামে করোনা

২৪ ঘণ্টা নিউজ : বৈশ্বিক মহামারী প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮৩৭ জনের শরীরে করোনার জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৪ লাখ ৩২ হাজার ৩৩৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হলো বাংলাদেশে।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬১৯৪ জন।

রবিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাভাইরাস বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতাল এবং বাসায় মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬৯৩ জন। গতকালের চেয়ে আজ ২৩১ জন বেশি সুস্থ হয়েছেন। গতকাল সুস্থ হয়েছিলেন ১ হাজার ৪৬২ জন। দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৫৪২ জন।

আজ শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮০ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ৮০ দশমিক ৮০ শতাংশ। আগের দিনের চেয়ে আজ সুস্থতার হার দশমিক ০৫ শতাংশ বেশি।

বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় ১৪ হাজার ৬০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ হাজার ৮৩৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গতকালের চেয়ে আজ ৩০৬ জন বেশি শনাক্ত হয়েছে। গতকাল ১১ হাজার ৭৯৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছিলে ১ হাজার ৫৩১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৭ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১২ দশমিক ৯৮ শতাংশ। গতকালের চেয়ে আজ শনাক্তের হার দশমিক ০৯ শতাংশ বেশি।
দেশে এ পর্যন্ত মোট ২৫ লাখ ৪১ হাজার ১৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪ লাখ ৩২ হাজার ৩৩৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মোট পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ০১ শতাংশ। গতকাল পর্যন্ত এই হার ছিল ১৭ দশমিক ০৩ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘন্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩ জনের। আগের দিন সংগ্রহ করা হয়েছিল ১১ হাজার ৫৭৭ জনের। গতকালের চেয়ে আজ ২ হাজার ৪২৬টি নমুনা বেশি সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশের ১১৬টি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ৬০ জনের। আগের দিন নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল ১১ হাজার ৭৯৫ জনের। গত ২৪ ঘন্টায় আগের দিনের চেয়ে ২ হাজার ২৬৫টি বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতি ১০ লাখে এ পর্যন্ত শনাক্ত ২৫৩৮ দশমিক ৫৬ জন। সুস্থ হয়েছেন প্রতি ১০ লাখে এ পর্যন্ত ২০৫২ দশমিক ৪৩ জন এবং প্রতি ১০ লাখে মারা গেছেন এ পর্যন্ত ৩৬ দশমিক ৩৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুবরণকারী ২১ জনের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন, আর নারী ৪ জন। এ পর্যন্ত পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ হাজার ৭৬৮ জন, আর নারী মৃত্যুবরণ করেছেন ১ হাজার ৪২৬ জন। শতকরা হিসেবে পুরুষ ৭৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ; নারী ২৩ দশমিক ০২ শতাংশ। ২৪ ঘন্টায় ২১ জনই হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছরের ২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৪ জন এবং ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ১৪ জন। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ২৯ জন; যা দশমিক ৪৭ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৪৮ জন; যা দশমিক ৭৭ শতাংশ। ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ১৪৩ জন; যা ২ দশমিক ৩১ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৩৩১ জন; যা ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ; ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৭৬০ জন; যা ১২ দশমিক ২৭ শতাংশ। ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ১ হাজার ৬৩১ জন; যা ২৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সের রয়েছেন ৩ হাজার ২৫২ জন; যা ৫২ দশমিক ৫০ শতাংশ।

মৃত্যুবরণকারীদের বিভাগ ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘন্টায় ঢাকা বিভাগে ১৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ জন এবং রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন করে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৩ হাজার ২৪৮ জন; যা ৫২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। চট্টগ্রাম বিভাগে ১ হাজার ২১৪ জন; যা ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। রাজশাহী বিভাগে ৩৭৮ জন; যা ৬ দশমিক ১০ শতাংশ। খুলনা বিভাগে ৪৮২ জন; যা ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে ২০৭ জন; যা ৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ। সিলেট বিভাগে ২৫৭ জন; যা ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। রংপুর বিভাগে ২৭৮ জন; যা ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১৩০ জন; যা ২ দশমিক ১০ শতাংশ।