রাজধানীর মাইন্ডএইড হাসপাতালে পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুল করিম হত্যার ঘটনায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার সকালে তার বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশীদ।

দুপরে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসি হারুন বলেন, এ মামলায় এফআইআরভুক্ত ১৫ জনের মধ্যে আমরা ১২ জনকে গ্রেফতার করেছি। গ্রেফতার ১২ জনের মধ্যে চারজন ইতিমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

‘ওই চারজনের জবানবন্দিতে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার আবদুল্লাহ আল মামুনের নাম উঠে এসেছে। আজ সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পথে তাকে গ্রেফতার করে আদাবর থানা পুলিশ।’

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার আবদুল্লাহ আল মামুন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার। তার অধীনেই এএসপি আনিসুল চিকিৎসার জন্য মানসিক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু তার চিকিৎসার কোনো উদ্যোগ না নিয়ে বসিয়ে রাখেন। পরে একটা বেডে তাকে শুইয়ে দিয়ে ইনজেকশন পুশ করেন। এএসপি আনিসুল ঘুমিয়ে যাওয়ার পর তিনি ফোন করেন মাইন্ডএইড হাসপাতালে। তার এখানে চিকিৎসা হবে না মর্মে মাইন্ড হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলেন।

মানসিক সমস্যার চিকিৎসা নিতে সিনিয়র এএসপি আনিসুল করিমকে ৯ নভেম্বর আদাবরের মাইন্ডএইড নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করেন পরিবারের সদস্যরা।

ভর্তির কয়েক মিনিটের মাথায় তিনি মারা যান। পরে প্রতিষ্ঠানটির সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ নিশ্চিত হয়, সেখানকার কর্মচারীদের মারধরে আনিসুলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম