খুঁজুন
রবিবার, ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ জনআতঙ্কে ভুগছে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগ জনআতঙ্কে ভুগছে: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান শর্ত। কিন্তু বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকার গণতন্ত্রের গন্ধটুকুও মুছে ফেলেছে। আসন্ন চসিক নির্বাচনকে চট্টগ্রামবাসী অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য দেখতে চায়। বিএনপি বিশ্বাস করে নগরবাসীর গণরায় সুষ্ঠুভাবে প্রতিফলিত হবে। কিন্তু বর্তমান ক্ষমতাসিন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের রায়ের প্রতি আস্থাশীয় নয়। তাই আওয়ামি লীগ জনআতঙ্কে ভুগছে। তারা চর দখলের মতো জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে নিয়ে যাচ্ছে।

এক সময় নির্বাচন ছিল মানুষের কাছে উৎসব। এখন নির্বাচন মানে আতঙ্ক, মামলা, হামলা, গ্রেফতার ও নির্যাতন। দেশের জনগণ নির্বাচনের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব চসিক নির্বাচনে সে আস্থা ফিরিয়ে আনা। জনগণের দেওয়া রায় যেন ভূলুণ্ঠিত না হয় এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় সে ব্যবস্থা করা। ভোটাররা ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে আনন্দঘন পরিবেশে ভোট দিতে পারে তার ব্যবস্থা করা। তাই নির্বাচন নিয়ে জনমনে যে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করার জন্য সরকার ও ইসিকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি শনিবার (০৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর ৩৮ নং দক্ষিন মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন। তাই বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলনের বিকল্প নাই। তারই ধারাবাহিকতায় আন্দোলনের অংশ হিসাবে বিএনপি চসিক নির্বাচনে গিয়েছে। আন্দোলন মানে মিছিল করে ঘরে ফিরা নয়, আন্দোলন মানে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে লিপ্ত হওয়া। এই চসিক নির্বাচনেই আমাদের ভূলণ্ঠিত গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ফ্যাসিষ্ট সরকারের অনেক জুলুম নির্যাতন শিকার হয়েছেন, এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমরা অনেক কিছু হারিয়েছি, আমাদের আর হারানোর কিছু নাই। আন্দোলন করে বিজয় অর্জন করে ঘরে ফিরব, অন্যথায় কারাগারে যাব। ইনশাআল্লাহ বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে, প্রতিষ্ঠিত হবে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার।

৩৮ নং দক্ষিন মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাজী জাহিদ হোসেন এর সঞ্চালনায় করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন ও মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সিনিঃ যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী, কামরুল ইসলাম, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি ও কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী হানিফ সওদাগন , নগর বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিম, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর সাহেদা খানম, বন্দর থানা বিএনপির সহ সভাপতি হাজী এবাদুর রহমান, সালাউদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ হোসেন, যুব সম্পাদক নেজাম উদ্দিন, ওয়ার্ড বিএনপির সিনিঃ সহ সভাপতি মনজুর মোর্শেদ, সহ সভাপতি শাহ আলম বাচা, আবদুস সাত্তার, মোঃ কামরুল, সিনিঃ যুগ্ম সম্পাদক আলী হাসান, মোঃ হোসেন মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জুনু, মাহাবুব আলম, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাজ উদ্দিন, মোঃ বকতিয়ার উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন রাজু, সাদ উদ্দিন চৌধুরী, আবদুর রহির, জাহেদ আলম, মোঃ সাকিব মোঃ সাজ্জাদ, মোঃ এসকান্দর, মোঃ টিপু প্রমূখ।

Feb2

এনআইডির নতুন ডিজি আনোয়ার পাশা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
এনআইডির নতুন ডিজি আনোয়ার পাশা

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধনের (এনআইডি) মহাপরিচালক (ডিজি) হলেন আবুল হাসনাত মুহম্মদ আনোয়ার পাশা।

রোববার (২৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পেশন শাখা-১ এর উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলমের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরিকল্পনা বিভাগের এ অতিরিক্ত সচিবকে এনআইডি মহাপরিচালক পদে বদলিপূর্বক পেশনে পদায়ন করা হলো।

এর আগে এনআইডির ডিজি ছিলেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব এ এস এম হুমায়ুন কবির। তাকে গত ১৩ এপ্রিল বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নিয়ে যায় সরকার।

একনেকে ১৭ প্রকল্প উত্থাপন, পাস ১৫ : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৭ প্রকল্প উত্থাপন, পাস ১৫ : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উত্থাপিত ১৭টি প্রকল্পের মধ্যে ১৫টি প্রকল্প পাস হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ের একনেকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১০ম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ কমিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হোটেল লবিতে বন্দুকধারীর গুলি, নৈশভোজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ
হোটেল লবিতে বন্দুকধারীর গুলি, নৈশভোজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে

হোয়াইট হাউজের সাংবাদিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির ওয়াশিংটন হিল্টন হোটেলে আয়োজন করা হয়েছিল নৈশভোজের। সেই হোটেলের লবিতে এসে গুলি ছোড়ে এক বন্দুকধারী। এ ঘটনার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরিয়ে নিয়েছেন তার গোয়েন্দা সদস্যরা।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

ওই অনুষ্ঠান থেকে প্রচারিত টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ট্রাম্প খাবার টেবিলে বসে আছেন। ওই সময় হোটেলটির বাঙ্কেট হলে বিকট শব্দ শোনা যায়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রাম্পকে ঘিরে ফেলেন তার নিরাপত্তা বাহিনী। বাঙ্কেট হলের ভেতরই অনুষ্ঠানটি হচ্ছিল।

কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ওই বন্দুকধারীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউজ সাংবাদিক প্রতিনিধি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওইজা জিয়াং জানিয়েছেন, নৈশভোজের অনুষ্ঠানটি আবারও শুরু হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাশাপাশি ফার্স্ট লেডি মেলেনিয়া ট্রাম্পকেও ওই নৈশভোজের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারা দুজনই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজে যেসব সাংবাদিক কাজ করেন তাদের নিয়ে প্রতিবছর এ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। সেখানে সাংবাদিক ছাড়াও মিডিয়া অঙ্গনের তারকারাও ছিলেন। গুলির ঘটনার পর তাদের সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য বার্তাসংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, এক বন্দুকধারী হোটেলটিতে এসে গুলি ছোড়ে। তবে তাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা সেটি স্পষ্ট করেননি তিনি।

গুলির শব্দের সঙ্গে সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পুরো বাঙ্কেট হলটিতে অবস্থান নেন। এ সময় তারা সেখানে থাকা অতিথিদের বিভিন্ন নির্দেশনা দেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডিকে সরিয়ে নেন।