খুঁজুন
, ,

বোয়ালখালীতে পুনর্বাসনের দাবিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 September, 2021, 2:24 pm
বোয়ালখালীতে পুনর্বাসনের দাবিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ৩০ বছরের ক্ষুদ্র বাজার উচ্ছেদ করায় পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা সদরে পূর্ব গোমদণ্ডী বুড়িপুকুর পাড় মৎস্য কাঁচামাল বাজার সমিতির ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাছ, মাংস, সবিজ ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।

বাজার সমিতির সভাপতি এসএম মোরশেদ বলেন, গত ১৭ আগস্ট বুড়িপুকুর পাড়ের অস্থায়ী ২০টি মাছের দোকান, ৪টি মুরগি-মাংসের দোকান উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। এতে ৪৫জন ব্যবসায়ীর পরিবার আজ না খেয়ে আছে। এসব ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের উপজেলার সদরে ব্যবসা পরিচালনা জন্য একটি নির্ধারিত জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।সমিতির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সদ্দার বলেন, উপজেলা সদরের বুড়িপুকুর পাড়ে দীর্ঘ ৩০বছর ধরে ব্যবসা করে আসছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। হঠাৎ প্রশাসনের কঠোর সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়তে হয়েছে এসব ব্যবসায়ীদের। আমরা অনতিবিলম্বে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন করার দাবি জানাচ্ছি।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী নয়ন দাস, তপন দাস, কাজল দাস, ছোটন দাস, শাহ আলম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. এনাম, মো. ইব্রাহীম, মো. হারুণ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত গত ১৭ আগস্ট উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডী বুড়িপুকুর পাড়ের ১নং খাস খতিয়ানের বিএস ৭৭৫১ ও ৭৭৫২ দাগের ৭ শতাংশ জায়গা উদ্ধার করে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

Feb2
Feb2

চিন্তায় গাফিলতি এলে জুলাই জাদুঘর থেকে ঠিকানা খুঁজে নতুন যাত্রা করবো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 3:43 pm
চিন্তায় গাফিলতি এলে জুলাই জাদুঘর থেকে ঠিকানা খুঁজে নতুন যাত্রা করবো

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এখানে এসে পথ খুঁজে নেবো। আমাদের চিন্তায় যদি কোনো গাফিলতি আসে, এখান থেকেই তার ঠিকানা খুঁজে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করবো।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীতে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের জাদুঘর থাকলেও এ জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে বহু বছরের পুরোনো ইতিহাস নয়, বরং গণ–অভ্যুত্থানের ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সেসবের স্মারক, দলিল, নিদর্শন ও মানুষের অনুভূতি সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঘটনা ঘটেছে আর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেই ঘটনার প্রতিটি নমুনা ও ইতিহাস সংগ্রহ করে জাদুঘরে নিয়ে এসেছি। এটাই আমাদের ইতিহাস সংরক্ষণের এক নতুন অধ্যায়।

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেকেই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই নিজের অনুভূতি লিখে গেছেন। পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে কেন রাজপথে নেমেছেন সেটিও তারা চিঠিতে তুলে ধরেছেন। এসব দলিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশের প্রতিটি তরুণ যেন সেই চিঠির লেখকের মতো হয়। তারা যেন বলে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে এসেছি।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের প্রতিটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী ও সাধারণ নাগরিকের অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শন করা উচিত। শুধু দেখে চলে যাওয়া নয়, তারা যেন এখানে বসে চিন্তা করে নিজেদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা লিখে রেখে যায়।

তিনি বলেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যতে সংস্কৃতি, শিল্প, সংগীত, চিত্রকলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেরও একটি প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

জাদুঘরে নির্মিত প্রতীকী কবরগুলোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রতিটি কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শহীদের পরিচয় ও আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষিত থাকবে, যেন মানুষ জানতে পারে কীভাবে এবং কেন তারা জীবন দিয়েছিলেন।

ড. ইউনূস বলেন, তারা কোনো বিশেষ রাজনৈতিক কর্মী ছিল। তারা ছিল সাধারণ পরিবারের সাধারণ ছেলে-মেয়ে। তারা রাজপথে নেমেছিল কারণ তারা বিশ্বাস করতো এই বাংলাদেশ আর আগের মতো চলতে পারে না, আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।

জাদুঘর নির্মাণে সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করে এই নোবলজয়ী অধ্যাপক বলেন, প্রতিটি নিদর্শন সংগ্রহ করতে দীর্ঘ সময়, শ্রম ও নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সেই কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ দেশের মানুষের সামনে ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ দলিল তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে।

বক্তব্যের শেষে তিনি জাদুঘর নির্মাণ ও উদ্বোধনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি আশা করি দেশের প্রতিটি মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে অন্তত একবার এখানে আসবেন। শুধু দেখার জন্য নয়, ভাবার জন্য কেন এটি ঘটেছিল, কীভাবে ঘটেছিল এবং এখান থেকে আমরা ভবিষ্যতে কোন পথে এগোবো।

চট্টগ্রাম বন্দরের দ্রুত উদ্ধার অভিযানে মুগ্ধ সিএমএ সিজিএম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 2:57 pm
চট্টগ্রাম বন্দরের দ্রুত উদ্ধার অভিযানে মুগ্ধ সিএমএ সিজিএম

চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে আটকে পড়া কন্টেইনারবাহী জাহাজ এমভি সিএনসি ইউরেনাসকে দ্রুত ও সফলভাবে উদ্ধার করায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে (সিপিএ) আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র (লেটার অব অ্যাপ্রিসিয়েশন) দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিপিং লাইন প্রতিষ্ঠান সিএমএ সিজিএম।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো প্রশংসাপত্রে যৌথভাবে স্বাক্ষর করেছেন সিএমএ সিজিএম গ্রুপের ফ্রান্সের সদর দপ্তরের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোরেও জেভিয়ার এবং সিঙ্গাপুর দপ্তরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যাকার্ড ফ্রাঁসোয়া-জেভিয়ার।

বুধবার (৫ আগস্ট) চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রশংসাপত্রে বলা হয়, জরুরি পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক সাড়া, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং মেরিন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিত ও নিবেদিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে সদস্য (হারবার ও মেরিন), হারবার মাস্টার, ডক মাস্টার এবং জ্যেষ্ঠ পাইলটদের নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ধার অভিযানে সরাসরি অংশ নিয়ে সহায়তা করায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিএমএ সিজিএম তাদের বার্তায় উল্লেখ করেছে, দ্রুত ও কার্যকর এই পদক্ষেপের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর আন্তর্জাতিক মানের পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতের সঙ্গে বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে তারা।

সোমবার (৩ আগস্ট) যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলের রিটেইনিং ওয়ালে আটকে পড়ে এমভি সিএনসি ইউরেনাস। পরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সমন্বিত অভিযানে রাতেই জাহাজটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

‘আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 2:23 pm
‘আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আপনারা যদি বিশ্বাসঘাতকতা না করতেন, তাহলে আমাদের অস্থির হওয়ার কোনো কারণ ছিল না। দেশের এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে আর আমরা বসে থাকব, তা হতে পারে না। সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে, আরেকটি বিপ্লব আসন্ন। সেই বিপ্লবের জন্য আমি দেশবাসীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১১-দলীয় জোটের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, পাপের পরিণতি পেতে কিছুটা সময় লাগে। কিন্তু একসময় সেই পাপই পচে গিয়ে ঝরে পড়ে। এখন সেই পাপে পচন ধরেছে। সরকার যদি তা বুঝতে পারে, তাহলে ভালো। না বুঝতে পারলে তাদের পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিপ্লব কোনো বয়স মানে না। যেমন জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই রাজপথে ছিল, তেমনি আগামী দিনেও সবাই এই আন্দোলনের অংশ হবে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম চলবে।

জেল-জুলুম ও ফাঁসির ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না বলেও মন্তব্য করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জাতির মুক্তির জন্য যদি ফাঁসির রশিও প্রয়োজন হয়, তবে সেটিকে ফুলের মালা হিসেবে গ্রহণ করব। ফাঁসির মঞ্চেও আমরা ভীত হব না, বরং বিজয়ের জয়ধ্বনি উচ্চারণ করবো।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আপনারাও মজলুম ছিলেন। অথচ যেসব জুলুম ও অপকর্মের বিরুদ্ধে মানুষ লড়াই করেছে, এখন আপনারা সেগুলোরই পুনরাবৃত্তি করছেন। ফ্যাসিবাদী আচরণ করলে জনগণ আপনাদের ফ্যাসিবাদী বলবেই। তাই ফ্যাসিবাদী আচরণ পরিহার করুন। জনগণকে সম্মান করলে জনগণও আপনাদের ফুল দিয়ে বরণ করবে। আমরা সবাই দেশকে ভালোবাসি। কিন্তু আল্লাহর কসম করে বলছি, বাংলার জমিনে কোনো ফ্যাসিবাদকে আমরা সহ্য করবো না।

শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের জনমত ও গণরায় মেনে নিন। ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অপমান করবেন না। জনগণের রায়কে অপমান করে কেউ টিকে থাকতে পারেনি। ইতিহাস সাক্ষী, যারা জনগণের রায়কে অস্বীকার করেছে, তাদের অপমানজনকভাবে বিদায় নিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আপস করার জন্য প্রতিনিয়ত আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, বিভিন্ন ধরনের লোভও দেখানো হচ্ছে। কিন্তু দেশবাসীকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই, আপনাদের গণরায়ের পাহারাদারি আমরা করব, ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহর সাহায্যে এই দাবি আমরা আদায় করেই ছাড়ব। কোনো কিছুর বিনিময়ে, এমনকি জীবনের বিনিময়েও আমরা এই দাবি থেকে সরে আসব না।

জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, গত কয়েক দিন ধরে দেশের শিক্ষাঙ্গনে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে ছাত্র-শিক্ষক সবাই আতঙ্কগ্রস্ত। গণরুম ও গেস্টরুমের সেই ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি আবার ফিরে আসছে কি না, সেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের বলব, যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর আগে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়। জনগণ যখন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে, তখন দাম বাড়িয়ে সংকট দূর করা হয়। যদি দাম বাড়ানোর পর সংকট দূর করা যায়, তাহলে আগে কেন তা করা হয় না? এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা এবং ফ্যাসিবাদী চর্চা।

তিনি বলেন, অতীতে যারা জনগণের সম্পদ লুটপাট, চুরি ও ডাকাতি করেছে, তাদের সেই প্রবৃত্তির কোনো পরিবর্তন হয়নি। সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক নেতার বক্তব্যই তার প্রমাণ। এটি কার্যত একটি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি।

তিনি আরও বলেন, আসুন আমরা প্রতিজ্ঞা করি, জনগণের দুর্ভোগ, সন্ত্রাস, ফ্যাসিবাদ ও অধিকার হরণের বিরুদ্ধে যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই আমরা প্রতিবাদে জ্বলে উঠব। কোনো বাধা মানব না। আল্লাহ তাআলার ওপর আমাদের পূর্ণ ভরসা। বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির কাছে মাথা নত করবে না। আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত, মানবিক, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক একটি মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ দেখতে চাই। সেই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।