খুঁজুন
, ,

মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ হলো মানবতাবাদ চর্চার অনুপম কেন্দ্র:সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 December, 2021, 6:36 pm
মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ হলো মানবতাবাদ চর্চার অনুপম কেন্দ্র:সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ),”মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ গাউসিয়া হক মঞ্জিলের সাজ্জাদনশীন ও শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্টের মাননীয় ম্যানেজিং ট্রাস্টি শাহসুফী হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ) বলেছেন, ‘মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ হলো মানবতাবাদ চর্চার অনুপম কেন্দ্র। এই দরবার ধারণ করেছে বাঙালীত্বের সুমহান চেতনা। শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট মানবতার সেবায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ট্রাস্টের মানবতাবাদী ও জনকল্যাণমুখী যে বিশাল কর্মকাণ্ড সেটা জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ গড়ার নব উদ্যোগেরই প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রীর জাতি গঠনের মহান এই উদ্যোগে সবাইকে শামিল হতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর ২০২১) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ) এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস। তিনি বলেন, ‘মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের আওলাদ, সুফি ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান মাইজভাণ্ডারীর আগমনে আমরা আজ ধন্য। শাহানশাহ হজরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট মানবসেবার জন্য যে কাজ করে যাচ্ছে তা অনুকরণীয়।’চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল আইয়ের ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম শামসুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব মহসিন কাজী, প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্টের সচিব অধ্যাপক এ ওয়াই এম জাফর, ট্রাস্টের দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প যাকাত তহবিল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি লায়ন আলহাজ্ব দিদারুল আলম চৌধুরী, ট্রাস্টের প্রশাসনিক ও সমন্বয় কর্মকর্তা তানভীর হোসাইন এবং নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান মুস্তফা নঈম, চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের রিজিওনাল এডিটর কামাল পারভেজ, এটিএন বাংলার ডেপুটি ব্যুরো প্রধান মনজুর কাদের, যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, দেশ টিভির ব্যুরো প্রধান আলমগীর সবুজ, দৈনিক আজাদীর সিনিয়র সাব এডিটর রেজাউল করিম, দৈনিক সমকালের সিনিয়র সাব এডিটর নাসির উদ্দিন হায়দার, দৈনিক পূর্বকোণের সিনিয়র রিপোর্টার ইফতেখারুল ইসলাম প্রমুখ।

মাননীয় ম্যানেজিং ট্রাস্টি মহোদয় সম্প্রতি ‘মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন’উপলক্ষ্যে রিপাবলিক অব টার্কির বাংলাদেশ দূতাবাস, টার্কি অনারারী কনসাল জেনারেল অব চিটাগাং এবং ‘শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনার ও সুফি সংগীতানুষ্ঠান ব্যাপকভাবে প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের রিপাবলিক অব টার্কির বাংলাদেশ দূতাবাস ও ট্রাস্টের পক্ষ হতে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

Feb2
Feb2

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 20 September, 2026, 8:10 pm
সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নং ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাতটা চল্লিশ মিনিটের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।

তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। ভবনের একটি রুমের জানালা দিয়ে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা গেছে। পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক দলকে ডাকা হয়েছে। তারা এলে পুলিশ রুমে প্রবেশ করবে।

তবে কখন এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও জানান ডিসি।

গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এই ঘটনার পর ২২ জুলাই সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার এবং একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি অবগত করা হয়।

আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা: পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 20 September, 2026, 6:11 pm
আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা: পুলিশ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মূলত আইফোনটি ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত তুহিন, ফাহাদ, কামরুল এবং সিয়ামসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। তারা সবাই হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত হই যে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর আনুমানিক দুপুর ২টা থেকে সোয়া ২টার মধ্যে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন জঙ্গলের ভিতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখি এবং পর্যালোচনা করি। এতে অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা তুহিনকে এই মৃত্যুসংবাদ প্রাপ্তির পূর্বেই আমরা হেফাজতে নিই।

তিনি আরও বলেন, একটানা জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন আমাদের কাছে স্বীকার করে যে অপ্রতিমের মোবাইল আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পনা করে সে তাকে উক্ত নির্জন ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। তুহিন আরও জানায়, এই ঘটনায় ফাহাদ এবং ফাহাদের এক বন্ধু জড়িত ছিল। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করি এবং ফাহাদকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি। জিজ্ঞাসাবাদে ফাহাদ জানায়, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তার আরেক বন্ধু কামরুল জড়িত। ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা তাকে হেফাজতে নিই।

আইফোন উদ্ধার প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, তুহিনের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে আমরা প্রথমে আইফোনটির জন্য তিন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করি। সে মিসগাইড করেছিল, কোথাও পাওয়া যায়নি। অবশেষে তার স্বীকারোক্তি এবং তার দেখানো মতে তার বাসার ভিতরে অভিযান পরিচালনা করে তার তোশকের নিচ থেকে আইফোনটি আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি যে ঘটনার দিন বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন বনের ভেতরে অপ্রতিমের যে আইফোনটি ছিল সেটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে অপ্রতিম বাধা দেয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। তখন ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে। এক পর্যায়ে অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হলে আইফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি বলেন, এছাড়াও আমরা সিয়াম নামে আরেকজনকে আটক করেছি। তার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করতেছি। আমরা ইতিমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বিষয় এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলমান রেখেছি।

বিচার প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুতই পুলিশ প্রতিবেদন বা চার্জশিট বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হবে। রামিসা হত্যার মামলায় যেমন দ্রুত রায় এসেছে, এই মামলাটির জন্যও দ্রুত আমরা বিজ্ঞ আদালতের কাছে আবেদন রাখবো।

নিহত অপ্রতিম ও আসামি তুহিনের বয়স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই, তার (অপ্রতিম) বয়স ১৩, আর আসামি সাইফুল ইসলাম তুহিন, তার বয়স ১৯। সে কুমিল্লা সিটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ফেল করে ২০২৫ সালে ড্রপআউট হয়।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, আমরা ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছি, মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি এবং যে আইফোনটির কারণে হত্যাকাণ্ড, সেই আইফোনটিও আমরা আসামির দেখানো মতে তার বাসা থেকে উদ্ধার করেছি। আমরা বাকি তদন্ত কাজ শেষ করে দ্রুত বিজ্ঞ আদালতে এই মামলার পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করবো।

আওয়ামী লীগের অপতৎপরতায় সরকার মোটেও শঙ্কিত নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 20 September, 2026, 6:00 pm
আওয়ামী লীগের অপতৎপরতায় সরকার মোটেও শঙ্কিত নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের চলমান কর্মসূচি ও অপতৎপরতায় জনগণ ও সরকার মোটেও শঙ্কিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে আয়োজিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে রাতের আঁধারে ককটেল বিস্ফোরণ ও পার্কিং করা বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনার কড়া সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের তথাকথিত লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এ অপতৎপরতা চালানো হয়েছে। ককটেলবাজির ঘটনায় মোটরসাইকেলসহ আসামিদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এমনকি হাইকোর্ট ফটক ও যাত্রাবাড়ীর ঘটনায় জড়িতদের ইতোমধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অন্যান্য ঘটনায় জড়িতদেরও শনাক্ত করার কাজ চলছে। জনগণ ও সরকার এসব অপতৎপরতায় মোটেও শঙ্কিত নয় এবং দেশবাসী ইতোমধ্যে এদের বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিরোধী দলের সাম্প্রতিক লংমার্চ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে যেকোনো রাজনৈতিক দলের গঠনমূলক সমালোচনা ও কর্মসূচি পালনের অধিকার রয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম ও উত্তরাঞ্চলে বিরোধী দলের লংমার্চগুলো সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।

রাজনীতিতে জনমতের মাধ্যমেই সবকিছুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করে যেকোনো অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং অতীতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে উদাসীনতাকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, বিগত আমলের পুঞ্জীভূত সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সাময়িক সংকট তৈরি হলেও বর্তমান সরকার দেশের নিজস্ব সম্পদ আহরণে মনোযোগ দিয়েছে। দেশের শিল্পখাতে গ্যাসের ধারাবাহিক সরবরাহ বজায় রাখতে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে নতুন ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে ইতোমধ্যে দৈনিক ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হয়েছে। নিজস্ব প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুতই গ্যাসে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান মিলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ঘটনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, গত শুক্রবারে তেজগাঁওয়ের একটি মসজিদে নামাজ শেষে গোপন বৈঠকে বসলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৩ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মোবাইল ফোন ফরেনসিক ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর যাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, সেই ১১ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের বিষয়ে পাওয়া তথ্যানুসারে তারা ইত্তেহাদুল উম্মাহ নামে একটি নতুন উগ্রবাদী সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল।

যেকোনো ধরনের উগ্রবাদী তৎপরতার বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী জানান, জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে রিমান্ডে আনা হয়েছে এবং আইনানুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।