খুঁজুন
, ,

এবার বুবলীর নায়ক নিরব !

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 17 November, 2019, 11:35 pm
এবার বুবলীর নায়ক নিরব !

এবার শাকিব খান ছাড়াই চলচ্চিত্রে কাজ করতে যাচ্ছেন চিত্রনায়িকা বুবলী! সৈকত নাসির পরিচালিত নতুন চলচ্চিত্র ”ক্যাসিনো”তে বুবলীর বিপরীত নায়ক হিসেবে থাকছেন মডেল-চিত্রনায়ক নিরব হোসাইন। চলচ্চিত্রটির পরিচালক সৈকত নাসির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আর এর মধ্য দিয়েই ক্যারিয়ারের তিন বছরের মাথায় শাকিব খানের বাইরে প্রথমবার অন্য কোনো নায়কের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন বুবলী।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ১০ নভেম্বর নিরব-বুবলী চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এই দুজন ছাড়াও ”ক্যাসিনো”-তে থাকছেন তাসকিন রহমান। তিনিও এরইমধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। আগামী ২০ নভেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হবে চলচ্চিত্রটির শুটিং।

এদিকে এমন ঘোষণার পাশাপাশি রবিবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সৈকত নাসির ও নিরব ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন ”ক্যাসিনো”র একটি প্রাথমিক পোস্টারও। জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে তুমুল আলোচনায় আসা ক্যাসিনো-কাণ্ডকে কেন্দ্র করেই চলচ্চিত্রটির গল্প। এটির গল্প লিখছেন আব্দুল্লাহ জহির বাবু। নির্মিত হচ্ছে সিমপ্লেক্স ইন্টারন্যাশনালের ব্যানারে।

উল্লেখ্য,টেলিভিশনের সংবাদ পাঠিকা থেকে ২০১৬ সালে শাকিব খানের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন শবনম বুবলী। এ নায়কের সঙ্গে ”বসগিরি”, ”শুটার”, ”রংবাজ”, ”অহংকার”, ”চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়্যা”, ”সুপার হিরো”, ”ক্যাপ্টেন খান”, ”পাসওয়ার্ড”, ”মনের মতো মানুষ পাইলাম না”, ”একটু প্রেম দরকার” (মুক্তির অপেক্ষা), ”বীর” (নির্মাণাধীন) চলচ্চিত্রে জুটি বেঁধেছেন তিনি।

Feb2
Feb2

জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : ডা. শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 2:55 pm
জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয় দাবি করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা মানুষ, আমাদেরও ভুলত্রুটি হয়। আমরা একটা কথা পরিষ্কার বলেছি, অন্যায় আর জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে চলে না।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার রুকন সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তবে এর অর্থ এই নয় যে, আমরা কোনো অন্যায় করি না। আমাদের ভুল, অন্যায়, দোষ ও অপরাধও হয়। আমরা আহ্বান জানিয়েছি, যারা দেশ ও জাতিকে ভালোবাসেন, তারা আমাদের কোনো অন্যায় বা অপরাধ দেখলে তা আমাদের ধরে দিন। কথা দিচ্ছি- আমরা সংশোধন করব, ইনশাআল্লাহ।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনার গায়ে যদি সাদা কাপড় থাকে, তাহলে আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে। ভেরি কেয়ারফুল! নৈতিকতার প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামীতে কোনো ছাড় নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করব সংশোধন করার। সহনীয় মাত্রার কোনো লঙ্ঘন হলে সংশোধনের মাধ্যমে তাকে আবারও দায়িত্ব দেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু সেই মাত্রা যদি গুরুতর হয়, তাহলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না। সেক্ষেত্রে আমাদের কঠিন সিদ্ধান্তের দিকেই যেতে হবে। আর সেই বার্তা আমিসহ আমাদের সবার জন্য– সচেতন ও সতর্ক থাকার। সাবধান, সবাই সাবধান।

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 10:54 am
মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম নগরের বাজারে মাংস ও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৩৫ টাকা ডজন। পাঙাশ মাছের দামও দু’শ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি মাছের দাম বেশ চড়া দেখা গেছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ ও ট্যাংরা ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে কিছুটা বেড়েছে চাষের কই, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

আরও দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। প্রতি কেজি গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজরের ইদ্রিস মিয়া বলেন, এই সপ্তাহে চাষের মাছের দাম বেড়েছে। বাজারে মাছ কম আসছে। এ কারণে কিছু মাছের দাম বেশি। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা বিক্রি করছি। পাঙাশ ২২০ টাকা। তবে মরে গেলে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন আতাউর রহমান ও তার স্ত্রী। তারা জানান, ব্রয়লার আজকে ১৯০ টাকা কেজি কিনেছেন। গত মাসে মুরগির দাম কম ছিল। আজকে তো কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেশি মনে হচ্ছে।

এদিকে মাছের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়লেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।

আক্তারুজ্জামান নামে এক ক্রেতা বলেন, আমরা কী খাবো? সব কিছুর দাম তো বাড়ছে। বৃষ্টির কারণে বেড়েছে সবজির দাম। মাছের দাম বাড়াটা হয়ত ‍বুঝা যায় না। কিন্তু ১০ টাকা হলেও বেড়েছে। দাম বাড়লেও আমাদের খেতে হবে।

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কারোপ যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 8:53 am
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কারোপ যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি বাণিজ্য অংশীদার দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে ১০ শতাংশ ও ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। জোরপূর্বক শ্রম নিষেধাজ্ঞা শিথিলভাবে প্রয়োগের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাময়িক ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে নতুন এই শুল্ক ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টার থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে আরোপ করতে যাওয়া এই শুল্ক মার্কিন আমদানির ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হবে। তবে এতে তেল ও গ্যাস, সার এবং নির্দিষ্ট কিছু খাদ্য সামগ্রীর মতো অসংখ্য পণ্যে ছাড় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে জাতীয় জরুরি অবস্থা আইনের অধীনে ট্রাম্পের আরোপিত ১০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ ‘পারস্পরিক’ শুল্ক চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়। ট্রাম্পের প্রায়-বৈশ্বিক শুল্কের নির্বাচনি রূপরেখা ফিরিয়ে আনার জন্য এটি হোয়াইট হাউসের সর্বশেষ প্রচেষ্টা।

১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের সেকশন ৩০১-এর অধীনে এই নতুন শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। এটি সুপ্রিম কোর্টের ধাক্কা সত্ত্বেও প্রশাসনকে প্রায় সব ধরনের মার্কিন আমদানির ওপর ন্যূনতম শুল্ক স্তর বজায় রাখার সুযোগ দেবে। এই শুল্কগুলো ফেব্রুয়ারিতে বাতিল হওয়া শুল্কের চেয়ে আইনি ঝুঁকির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ সেকশন ৩০১ অতীতে আদালতের আইনি চ্যালেঞ্জগুলোতে টিকে থেকেছে।

ফেব্রুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জবাবে ট্রাম্প ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ সাময়িক শুল্ক আরোপ করেন। আজ শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে শেষ হচ্ছে। ঠিক একই মুহূর্তে নতুন এই শুল্ক কার্যকর হবে। তবে ট্রানজিটে বা পরিবহনে থাকা পণ্যগুলো ২৮ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত এই শুল্কের আওতামুক্ত থাকবে।

ওষুধের ১৭ কাঁচামাল আমদানিতে থাকছে না শুল্ক
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জ্যামিসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক শতাব্দী ধরে জোরপূর্বক শ্রম পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদেরও একই কাজ করার সময় অনেক আগে পার হয়ে গেছে। আজকের এই পদক্ষেপ মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিকৃত বাণিজ্য চর্চা—উভয়ই সংশোধন করতে শুরু করবে, যা সর্বত্র শ্রমিকদের কল্যাণ বাড়াবে।

গ্রিয়ার আগেও বলেছিলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করা যে দেশগুলোর মার্কিন শুল্কের হার নির্ধারণ করা রয়েছে, এই নতুন জোরপূর্বক শ্রম শুল্ক তাদের নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করবে না।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা, ব্রিটেন, কম্বোডিয়া, কানাডা, ইকুয়েডর, এল সালভেদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং ট্রিনিডাদ ও টোবাগোর পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সুইজারল্যান্ডকে এমন একটি হার বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আগে থেকে বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন শুল্ক হারের সাথে একত্রিত হয়ে মোট ১০ শতাংশ বা ১২.৫ শতাংশ হবে।

অন্য ৩৮টি দেশকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হার দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে চীন, যাদের বিরুদ্ধে উইঘুর সংখ্যালঘুদের কাজের ক্যাম্পে বন্দি রাখার অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র; তবে বেইজিং এই অভিযোগ অস্বীকার করে।