সিএমসি ক্যাফেটেরিয়া দরপত্রে মিথ্যা তথ্য ও সাক্ষর জালিয়াতি করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান

  |  বৃহস্পতিবার, মে ১২, ২০২২ |  ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
24ghonta-google-news

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) স্টুডেন্ট ক্যাফেটেরিয়া পরিচালনা করার জন্য বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশগ্রহণ করেন। তবে দরপত্রের নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলেও চলছে গড়িমসি। আর নিয়ম মেনে দরপত্র জমা দেওয়া ঠিকাদারদের প্রশ্ন কতৃপক্ষ ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন কিনা এবং তাদের পছন্দের ঠিকাদারদের পেয়ে দিতে সহযোগিতা করছে কিনা এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তাদের মধ্যে। এদিকে দরপত্র জমা দেওয়ার পর অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ‌ দিয়েছেন চমেক অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ বরাবর। দরপত্রে দুই একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মিথ্যা তথ্য দিয়ে জালিয়াতি করেছেন বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় অন্য ঠিকাদাররা আগের দরপত্র গুলো বাতিল করে নতুনভাবে দরপত্র আহ্বান করার জন্য চমেক দরপত্র কমিটির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

সম্প্রতি দেশের অধিকাংশ সংবাদ মাধ্যমে বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হলেও টনক নড়েনি চমেক কতৃপক্ষের।

চমেকে ভুল তথ্য দিয়ে দরপত্র জমা দেওয়ার ব্যাপারে লিখিত অভিযোগের বিষয়ে চমেক অধ্যক্ষ ডা.সাহানা আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমার কাছে এই বিষয়ে কোন অভিযোগ আসে নাই। তাঁরা আমার কাছে আসলে তারপর আমি ব্যবস্থা নিবো।

তবে এর আগে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আমার কাছে কয়েকজন ঠিকাদার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি চমেক দরপত্র কমিটি দেখবে বলেও তিনি জানান।

চমেক ক্যাফেটেরিয়া দরপত্রের বিষয়ে অভিযোগকারী সাকিল বলেন, সি.এম.সি ক্যাফেটেরিয়া দরপত্র নিয়ে আলিফ হোটেলের সত্ত্বাধিকারী বাবুল নিয়ম বহির্ভূত এবং নকল সাক্ষর ও জাল সিল মহর দিয়ে দরপত্র আবেদন করেন।

তিনি বলেন, দরপত্রে আলিফ হোটেলের মালিকানা একজন দাবি করলেও মূল মালিক হলো চারজন । তাঁরা এতকিছু জালিয়াতি করার পরও কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

এবিষয়ে জানতে আলিফ হোটেলের
সত্ত্বাধিকারী বাবুলকে কল দিলে তিনি অন্য একজনকে ধরিয়ে দেন।

এছাড়া দরপত্রের বিষয়ে ডা.হাফিজুর ইসলামকে কল দিলে তিনি বলেন, আমি অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া বক্তব্য দিতে পারবোনা। আপনারা অধ্যক্ষের সাথে কথা বলেন।

24ghonta-google-news
24ghonta-google-news