ফৌজদারহাটে আম পাড়া নিয়ে ঝাগড়ায় নিহতের ঘটনায় ধ্রুমজালের সৃষ্টি
সীতাকুণ্ডে গাছ থেকে আম পাড়াকে কেন্দ্রে করে মারামারির ঘটনায় ফরিদুল আলম (৪৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে ধ্রুমজালের সৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার জামাল কাজীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফরিদ ওই এলাকার মকবুল আহমদের ছেলে। খবর পেয়ে ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল রাতে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফৌজারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সামিউর রহমান বলেন, ‘প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সঙ্গে ফরিদুল আলমের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
এর জেরে গতকাল সন্ধ্যায় বিরোধপূর্ণ জমির গাছ থেকে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বাগ বিতণ্ডা শুরু হয়। এ ঘটনার জেরে রাতে পুনরায় উভয়ের মধ্যে মারামারি হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনায় ফরিদুল আলম ফরিদ গুরুতর আহত হয় এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।’ তবে নিয়ে ধ্রুমজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ বলছেন ঝগড়ার পর হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে কেউ বলছেন মারামারিতে মারা গেছেন। এদিকে মৃত্যুর পর জানাজা শেষ করে লাশ দাফন করা সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মৃতদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক যুবক বলেন,ফরিদুল আলমের ঘরের পিছনে জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সঙ্গে দুই পরিবারের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আম পাড়াকে কেন্দ্রে করে মারামারির ঘটনায় মারা যায় ফরিদুল আলম। পরে এলাকবাসী একটি বৈঠক বসে ৩ লাখ টাকা সমোঝতা হয়। কিন্তু রাতে জানাজার শেষে লাশ দাফন করার সময় পুলিশ লাশটি নিয়ে যায়। সীতাকুণ্ড থানার ওসি তোফায়েল আহম্মদ বলে, আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষে ঝগড়া হয়। কিন্তু মৃত ফরিদুল আরমের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাই এটা হত্যা না হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পোস্টমর্টেম রির্পোটে বিস্তারিত জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন