খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঁচলাইশের ত্রাস ‘ইয়াবা শামসু’ গ্রেফতার : অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
পাঁচলাইশের ত্রাস ‘ইয়াবা শামসু’ গ্রেফতার : অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ ও পাঁচলাইশ থানা এলাকার ত্রাস হিসাবে পরিচিত শামসুল আলমকে (ইয়াবা শামসু)কে গ্রেফতার করেছে খুলশী থানা পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশিয় এলজি ও ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। 

শনিবার রাতে নগরীর জিইসি মোড় এলাকা থেকে অস্ত্র ও ইয়াবা নিয়ে শামসুকে গ্রেফতারের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রণব চৌধুরী।

তিনি বলেন, গ্রেফতার শামসু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। অস্ত্র ও মাদক আইনে তাকে কোর্টে চালান করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার শামসু জীবন নির্বাহের তাগিদে ৩০ বছর আগে যশোরের কাঁশিপুর ঝিকিরগাছা গ্রাম থেকে নগরীর দেওয়ানহাট ব্রিজের নিচে রিকশা মিস্ত্রি আবেদ আলীর সরকারি পরিত্যক্ত জায়গায় অবস্থান করে নেন। ১৭ বছর আগে ষোলশহর রেলস্টেশনের একটি কলোনিতে সে বসবাস শুরু করেন।

কয়েক বছর না যেতে না যেতেই সেখানে সে নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েন। তার অপরাধ কর্মকাণ্ডে তার তিন সন্তান শাহ আলম, শামসু ও সেলিমও যুক্ত হয়।

গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসাসহ ছিনতাইয়ের মত নানা কর্মকাণ্ডে অতিষ্ট হয়ে এলাকার মানুষ তাদের বিতারিড় করে। এরপর ছিন্নমূল বাংলা বাজার এলাকায় সরকারি পরিত্যক্ত জমিতে টায় নিয়ে ধীরে ধীরে মাদক ব্যবসার বিস্তার শুরু করে।

পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে মাদকের ব্যবসা করে টোকাই শামসু বনে যায় কোটিপতি। এরপর বিয়ে করে বার্মা কলোনির কুলছুমা বেগমের মেয়ে জেসমিন আক্তার ঝর্ণাকে। ওই পরিবারের বিরুদ্ধেও মাদক ব্যবসার অভিযোগ আছে।

২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী সামশুকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে বিভিন্ন থানায় ডজন খানেক মামলা রয়েছে। তার অত্যাচারে মাইজপাড়া, রুবি গেট, সিএন্ডবি, হিলভিউ, রহমান নগর এলাকার অর্ধলক্ষাধিক মানুষ অতিষ্ঠ ছিলো বলে এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…