খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মিাণে স্মার্ট ভূমিসেবার বিকল্প নেই: ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মিাণে স্মার্ট ভূমিসেবার বিকল্প নেই: ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার

চট্টগ্রাম বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছে। ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজ করে জনগণের দৌড় গোড়ায় সেবা প্রদান করা হচ্ছে। অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, ই-নামজারী, ই-পর্চা, অনলাইন জলমহাল ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল রেকর্ডরুম থেকে মৌজাম্যাপ ও পর্চা ডাকযোগে সরবরাহসহ বিভিন্ন সেবা ইতিমধ্যেই জনগণকে প্রদান করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্মার্ট সিটিজেন তৈরীসহ আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট ভূমিসেবার বিকল্প নেই।

সোমবার (২২ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরীর চট্টেশ্বরী রোডস্থ সদর ভূমি অফিস কার্যালয়ে আয়োজিত ভূমিসেবা সপ্তাহের (২৫-২৮ মে) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলুন-পায়রা উড়িয়ে ও ফিতা কেটে ভূমিসেবা সপ্তাহের উদ্বোধন করেন।

ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সেবাপ্রার্থীরা ভূমি অফিসে গেলে বিভিন্ন কারণে ভোগান্তিতে পড়ে। দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের তৎপরদতা রোধে সরকার অনলাইনে ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা নিশ্চিত করছে। ফলে সেবা প্রার্থীরা মোবাইল থেকে বিক্যাশ বা নগদের মাধ্যমে সরকারী ফি জমা সাপেক্ষে খুব অল্প সময়ে ও হয়রানি ছাড়াই ঘরে বসে সেবা পাচ্ছে। সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকা সাপেক্ষে মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে ই-নামজারী খতিয়ান ডেলিভারী দেয়া হয়। ভূমিসেবা হবে স্মার্ট। এজন্য স্মার্ট সিটিজেন প্রয়োজন। অফিসে কম আসা-যাওয়া হলে দালালের তৎপরতা কমে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, চট্টগ্রামকে দেশের প্রথম স্মার্ট জেলা করতে গেলে সরকারী সেবা আরও স্মার্ট করতে জেলা প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ জেলায় ভূমি উন্নয়ন কর আদায় শতভাগ অনলাইনে চলে গেছে। সরকারের প্রয়োজনে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের চেক প্রকৃত মালিকের হাতে পৌঁছে দেয়ার কারণে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালেরা আর সুবিধা করতে পারছে না। ভূমি ও অন্যান্য সেবায় দালাল রোধে সরকারী কার্যক্রমগুলো এখন থেকে পেপারলেস, ক্যাশলেস ও প্রিন্টলেস পর্যায়ে যেতে চাই। এজন্য সকলের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

এর আগে ভূমিসেবা উপলক্ষে বিকেল ৩টায় সার্কিট হাউজে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও আগ্রাবাদ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) গালিব চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ভূমিসেবা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ মাসুদ কামাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মোঃ আবু রায়হান দোলন ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার একেএম সরোয়ার কামাল। বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নু এমং মারমা মং, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোজাম্মেল হক, জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম, চান্দগাঁও সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাসুদ রানা, কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ উমর ফারুক, পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মিজানুর রহমান ও বাকলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জামিউল হিকমা।

সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডা. ফরিদুল আলম ও এডভোকেট ফয়জিয়া খানম। অনুষ্ঠান শেষে কয়েকজন সেবা গ্রহীতার হাতে নামজারনী খতিয়ান তুলে দেন ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী ও জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান।

এদিকে ভূমি সেবাসপ্তাহ উপলক্ষে বিকেলে সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী জানান, ২২ মে থেকে ২৮ মে পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে ভূমি সেবা সপ্তাহ উদযাপন করা হবে। এর ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম জেলাসহ এ বিভাগের ১১টি জেলা, ১০৩টি উপজেলা, সার্কেল এবং সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০২৩ উদযাপন করা হবে।

ভূমিসেবা সপ্তাহ-২০২৩ এর এবারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে “স্মার্ট ভূমিসেবায় ভূমি মন্ত্রণালয়”।

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক যৌথভাবে আগামী ২৭ মে শনিবার চট্টগ্রাম এম.এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম হলে “ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০২৩” সংক্রান্তে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্বামান চৌধুরী এমপি।

তিনি আরও বলেন, এবার ভূমি সেবা সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে সেবাগ্রহীতাদের যে সকল সেবা প্রদান করা হবে সেগুলো হচ্ছে-চট্টগ্রাম এম.এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে ১০ টি স্টলের মাধ্যমে আগত সেবা প্রার্থীদের সেবা প্রদান করা হবে। ১০টি স্টলের মধ্যে ৬টি স্টলে মহানগরের ৬টি সার্কেল ভূমি অফিসের ভূমি বিষয়ক যাবতীয় সেবা প্রদান করা হবে। ১টি স্টলের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সেবা প্রদান করা হবে। ১টি স্টলের মাধ্যমে রেকর্ডরুমের খতিয়ান সরবরাহ সংক্রান্ত সেবা প্রদান করা হবে এবং অপর ২টি স্টলের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তের ভূমি বিষয়ক সেবা অর্থাৎ অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, ই-নামজারীর আবেদনসহ অন্যান্য সেবা প্রদান করা হবে। ভূমিসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে স্টলগুলোতে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং বর্তমান ভূমি উন্নয়ন কর সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে গ্রহণকরণ বিষয়ে তথ্য প্রদান, ই-নামজরির আবেদন গ্রহণ, নিষ্পত্তিকৃত এল.এ কেইসের ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ, অনলাইনে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি প্রাপ্তির আবেদন গ্রহণ ও তাৎক্ষণিকভাবে তা সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি অনলাইনের মৌজা ম্যাপ ডাকবিভাগের মাধ্যমে সরবরাহ করণের বিষয়ে তথ্য প্রদান, মাঠ পর্যায়ে চলমান জরিপ কার্যক্রম বিষয়ে গণশুনানি, আপত্তি/আপিল দাখিল ও নিষ্পত্তির কার্যক্রম গ্রহণ, মাঠ পর্চা, রেকর্ড হস্তান্তরসহ জনগণকে সকল সেবা প্রদান করা হবে। সেবা গ্রহীতাদের সেবা সম্পর্কিত বিভিন্ন জিজ্ঞাসার জবাব সরাসরি উত্তর প্রদানের জন্য সেবা বুথে একজন কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন।

ভূমিসেবা সপ্তাহ-২০২৩ এ ভূমি সেবা পেতে জেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহায়তা ও সেবা নিতে পারবেন। দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ভূমি সেবা প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের অঙ্গীকার।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…