খুঁজুন
, ,

সোনা চোরাকারবারি আবু আহম্মেদকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 July, 2023, 10:52 am
সোনা চোরাকারবারি আবু আহম্মেদকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

২০৪ কোটি টাকা অর্থ পাচারের মামলায় সোনা চোরাকারবারি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাসিন্দা আবু আহম্মেদকে জামিন স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১০ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

এর আগে গত ১১ এপ্রিল ২০৪ কোটি টাকা অর্থ পাচারের মামলায় সোনা চোরাকারবারি আবু আহম্মেদের জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত।

২০৪ কোটি টাকা অর্থ পাচারের মামলায় সোনা চোরাকারবারি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাসিন্দা আবু আহম্মেদকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে রুলসহ জামিন দেন।

তার আগে গত ৮ জানুয়ারি ২০৪ কোটি টাকা অর্থ পাচারের মামলায় আবু আহম্মেদকে জামিন না দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ। শাহবাগ থানার পুলিশের হাতে তাকে হস্তান্তর করা হয়। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর ২০৪ কোটি টাকা অর্থ পাচারের মামলায় আবু আহম্মেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। তবে আগের দিন ৫ ডিসেম্বর আবু আহম্মেদ হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

সোনা চোরাকারবারির মামলায় দায়রা জজ আদালত আবু আহম্মেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। কিন্তু জামিন আবেদনে এই তথ্যটি গোপন করা হয়। জামিন আবেদনে তথ্য গোপন করায় আদালত আবু আহম্মেদের আইনজীবী ফারিয়া আলমকেও সতর্ক করেন।

২০৪ কোটি টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাসিন্দা ব্যবসায়ী আবু আহম্মেদসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ কোতয়ালি থানায় মামলা করে সিআইডি। সেই মামলার অভিযোগে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে প্রাপ্ত ব্যাংক হিসাব বিবরণী, কাগজপত্র পর্যালোচনা, লেনদেনের ধরন এবং আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, আসামিরা একে অপরের সহায়তায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েকটি ব্যাংক হিসাব নম্বরে ১২ বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে স্বর্ণ চোরাচালান, চোরাই ও অন্যান্য দ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা ও হুন্ডির মাধ্যমে ২০৪ কোটি টাকার পাচারের অর্থ দিয়ে গাড়ি, বাড়ি, মার্কেটসহ বিভিন্ন সম্পত্তি অর্জন করেছেন।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 7:24 pm
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল-এর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।

গত ১৯ জুলাই রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্মারক নং-৪৫.০০.০০০০.০০০.১৬০.০৬.০০০৭.২৬(অংশ-১).৭৫৮ মূলে সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যে, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিরও সহ-সভাপতি।

মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ায় চট্টগ্রামবাসী অনেক খুশী।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির নবাগত সভাপতি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি’কে স্বাগত জানান চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ একরাম হোসেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-৯ আসন মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সুনজর দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশে জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবা চালু হয়েছে। শূন্যপদগুলোতে চিকিৎসক নিয়োগের পর হাসপাতালে আগত রোগী সাধারণ ইনডোর ও আউটডোরে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রায় সকল ধরণের ওষুধ হাসপাতাল থেকেই পাচ্ছে। রোগী সাধারণ তাদের অধিকাংশ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বল্পমূল্যে করাতে পারছে। জেনারেল হাসপাতাল একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে পরিণত হচ্ছে।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির নবাগত সভাপতি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি’র নেতৃত্বে এ হাসপাতালের কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল হবে এবং রোগীরা তাদের কাক্সিক্ষত সেবা পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ একরাম হোসেন।

জালালাবাদ তালিমুল কুরআন মাদ্রাসার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শনে মুহাম্মদ শাহেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 7:03 pm
জালালাবাদ তালিমুল কুরআন মাদ্রাসার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শনে মুহাম্মদ শাহেদ

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী লিংক রোডে অবস্থিত জালালাবাদ তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসায় ২১ জুলাই রাত আনুমানিক ১০ টায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুনে ৩০০ ফুট লম্বা ও ৩০ ফুট চড়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুম ও আবাসিক ঘরটি সর্ম্পূন পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

২২ জুলাই (বুধবার) সকাল ১১ টায় পুড়ে যাওয়া মাদ্রাসা পরিদর্শনে আসেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বায়েজিদ বোস্তামী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল হারুন, ৪৪ নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব জাফর আহমদ খোকন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েল, যুবদলের সাবেক সহ তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাবুসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগস্ত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ২ দিনের খাবার ও ছাত্রদের প্রয়োজনীয় পোশাক এবং শিক্ষা সামগ্রীর দায়িত্ব নেন। মাদ্রাসা কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায় মাদ্রাসা আগুন লাগার বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম তদন্তে কাজ করছেন এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা গণ সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

ফেসবুকে চাঁদপুরের ইলিশ কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার ক্রেতারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 1:52 pm
ফেসবুকে চাঁদপুরের ইলিশ কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার ক্রেতারা

চাঁদপুরের ইলিশের সুনামকে পুঁজি করে অনলাইনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পেজ খুলে চাঁদপুরের আসল ইলিশ সরবরাহের প্রলোভন দেখিয়ে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। প্রশাসনের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও প্রতারকরা কৌশল বদলে অব্যাহত রেখেছে এ প্রতারণা।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগে সূত্রে জানা গেছে, গেল বছরের ৯ অক্টোবর চাঁদপুরে থেকে অনলাইনে ইলিশ বিক্রি করতে একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাঁদপুর জেলার ইলিশের নাম করে বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ী ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে প্রতিনিয়ত দেশবাসীকে প্রতারণা করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন চাঁদপুর এ ধরণের প্রতারণা রোধে ৭ ব্যবসায়ীকে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির জন্য নিবন্ধন প্রদান করা হয়। ইলিশের অনলাইন ব্যবসার জন্যে আগ্রহী প্রার্থীদের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে যোগ্যতা সাপেক্ষে নির্ধারিত ফরম এ আবেদন করতে হয়েছে। এছাড়া চাঁদপুর মাছ ঘাটের কিছু ব্যবসায়ী অনলাইনে ইলিশ বিক্রয় করছেন। তারা সবাই ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে ইলিশ বিক্রয় করেন।

ইলিশের ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা জানান, চাঁদপুরের বৈধ কিছু অনলাইন ইলিশ বিক্রেতার লোগো, পুরনো ভিডিও যুক্ত করে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা করেই যাচ্ছে চক্রের সদস্যরা। তাদের ফাঁদ থেকে বাদ পড়ছেন না চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ। প্রশাসন কঠোর হলেও এসব প্রতারক ধরা ছোয়ায় বাইরে থাকছে। তবে প্রতারণা থেকে মুক্তির জন্য চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতন করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুক্তভোগী হিম অভিযোগ করে বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ নামে একটি পেজের বিজ্ঞাপন আমার নজরে আসে। বিজ্ঞাপনে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করে আমি ইলিশ মাছ কেনার আগ্রহ প্রকাশ করি এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ মাছের অর্ডার দেই। তখন তারা আমাকে জানায়, অর্ডার নিশ্চিত করতে হলে আগে অগ্রিম টাকা পরিশোধ করতে হবে। তাদের কথায় বিশ্বাস করে তারা যে বিকাশ ও নগদ নম্বর দেয়, সেখানে আমি মোট ১১ হাজার টাকা পাঠাই। কিন্তু টাকা পাঠানোর পরও তারা কোনো মাছ পাঠায়নি। এরপর আমি বারবার যোগাযোগ করে মাছ কিংবা টাকা ফেরত চাইলে তারা নানা ধরনের অজুহাত দিতে থাকে। একপর্যায়ে তারা জানায়, আমার নামে নাকি একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, সেটি চালু করতে হলে আরও টাকা পাঠাতে হবে। অ্যাকাউন্ট চালু হলেই আগের ১১ হাজার টাকাসহ সব টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেয়। কিন্তু তখন আমি বুঝতে পারি, এটি একটি প্রতারণার ফাঁদ। এরপরও তারা বিভিন্নভাবে আরও টাকা আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, আমি শুধু একাই নই, আমার মতো আরও অনেক মানুষ অনলাইনে ইলিশ মাছ বিক্রির প্রলোভনে পড়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা এভাবে হাতিয়ে নেওয়া খুবই নিন্দনীয়। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত প্রতারক চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আমার হারানো টাকা দ্রুত ফেরত পাওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

শরীয়তপুর সদরের তুলাসার এলাকার বাসিন্দা মিন্টু মাদবর বলেন, চাঁদপুরের ইলিশের স্বাদ নিতে অনলাইনে রুপালি ইলিশের সেরা চাঁদপুর পেইজের নামে একটি ফেসবুক পেজের সঙ্গে গত পরশু যোগাযোগ করি। প্রতারক চক্রকে ১১ হাজার টাকা দেই। কিন্তু চক্রটি ইলিশ আমাকে দেয় নাই।

নিবন্ধনকৃত অনলাইন ইলিশ ব্যবসায়ী খোকন পাটওয়ারী বলেন, আমরা অনলাইনে ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমে ইলিশ বিক্রি করি। আমাদের এখানে অনলাইনে নিবন্ধনকৃত ৭টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত। একটা শ্রেণির প্রতারক চক্র অনলাইনে দেখায়, মাছের দাম অনেক কমে গেছে। তারা মানুষের কাছ থেকে মাছের টাকা নেয়। কিন্তু মাছ দেয় না। আমি অনুরোধ করব আপনাদের হাতে ইলিশ পৌঁছানোর আগে টাকা দেবেন না।

চাঁদপুর মাছঘাটের মেসার্স আলম ট্রেডার্সের মালিক নুরুল আমিন বলেন, অভিনব কায়দায় ভুয়া পেজ ব্যবহার করে ইলিশ বিক্রির প্রতারণা করছে প্রতারকরা। এসব প্রতারণা করছে দেশের অন্য জেলায় বসে এক শ্রেণির প্রতারক। তাই আপনাদের হাতে ইলিশ পৌঁছানোর আগে টাকা দেবেন না।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী শবেবরাত আলী বলেন, দেশে বিদেশ থেকে কেউ ক্যাশ অন ডেলিভারি ছাড়া ইলিশ ক্রয় করবেন না। টাকা দেওয়ার আগে অন্তত খোঁজ-খবর নিয়ে মাছ ক্রয় করবেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক, উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) এবং পৌরসভার প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন বলেন, আমরা অনলাইনে বিক্রির প্রতারণা রোধে ৭ ব্যবসায়ীকে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির জন্য নিবন্ধন প্রদান করা হয়। আমরা জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছি। জেলা প্রশাসনের ওয়েব সাইডেও ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতন করা হয়েছে। কেউ যদি ইলিশ বিক্রিতে প্রতারণা করে তাহলে আপনার নিকটতম থানায় যোগাযোগ করুন।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, তালিকা বহির্ভূত অন্যান্য অনলাইন পেজ থেকে সংশ্লিষ্টদের ইলিশ ক্রয়ের বিষয়ে প্রতারণা হতে সতর্ক থাকতে হবে। কেউ প্রতারিত হলে আপনার নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করতে পারেন। আমরা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।