খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রথম পারাপারে চালক-যাত্রীদের উচ্ছ্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৩, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
বঙ্গবন্ধু টানেল প্রথম পারাপারে চালক-যাত্রীদের উচ্ছ্বাস

বঙ্গবন্ধু টানেল দিয়ে রোববার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৬টা থেকে যান চলাচল শুরু হয়। তবে শনিবার (২৮ অক্টোবর) রাত থেকে যান নিয়ে অপেক্ষমাণ ছিলেন চালক-যাত্রীরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর টানেলে প্রবেশের সময় সবার চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস।

টানেলে প্রথম যাত্রী হিসেবে প্রবেশ করেন মুন্সিগঞ্জের জুয়েল রানা। ওই গাড়ির চালক মো. শাহেদ। ভোর ছয়টার পর থেকে দুই প্রান্ত থেকে যান চলাচল শুরু হয়। প্রথম দিন অনেকে নিজেদের পরিবহন নিয়ে টানেল পার হন। সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৮০টি পরিবহন পারাপার হয়। এতে টোল আদায় হয় ২১ হাজার ৩০০ টাকা।

টানেলে চলাচলকারী যানবাহন চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকে দেশের দূরদূরান্ত থেতে কাজের সূত্রে কক্সবাজার বা চট্টগ্রামে এসে ফেরার পথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন কেবল টানেলে প্রথমদিনের যাত্রী হতে। বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতাল বা রাত জাগার কষ্ট বড় দুর্ভোগ হয়ে দাঁড়ায়নি এসব মানুষের কাছে। চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু টানেলের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা দুই প্রান্তেই নদীর তলদেশের সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে পারাপারে উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষ।

সকাল ৯টার দিকে প্রথম পণ্যবাহী ট্রাক হিসেবে বিআরটিসির দুইটি ট্রাক প্রবেশ করে টানেলে। ট্রাকের চালক শফিক জানান, ঢাকা থেকে সার পরিবহনের জন্য আনোয়ারা কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের কাফকোতে যাচ্ছেন তারা। তিনি বলেন, ‘টানেল পার হতে বেশ ভালোই লেগেছে। আগে চট্টগ্রাম শহর পার হয়ে শাহ আমানত সেতু দিয়ে আসতে ২-৩ ঘণ্টা সময় অতিরিক্ত লাগত। এখন মাত্র ৫ মিনিটে টানেল পার হয়ে দ্রুত আনোয়ারা প্রান্তে কাফকোতে পৌঁছা যাচ্ছে।’

এর আগে মুন্সিগঞ্জের জুয়েল রানা বন্ধুদের নিয়ে রাত তিনটা থেকে অপেক্ষা করে ভোর ছয়টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে প্রথম যাত্রী হিসেবে টোল দিয়ে পারাপার হয়। জুয়েল রানা তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘রাত তিনটা থেকে অপেক্ষা করে প্রথম টোল দিয়ে পার হয়েছি। ভালোই লাগছে। কখনো কল্পনাও করিনি।’

সরেজমিনে দেখা যায়,সকাল থেকে টানেল পার হওয়া অধিকাংশ গাড়ি ছিল ব্যক্তিগত। তারা পরিবার পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে টানেল দেখতে ভ্রমণে এসেছেন বলে জানান। এসব গাড়ি টানেলে টোল আদায়ের পর আনোয়ারা চাতরী চৌমহনী প্রান্ত ঘুরে আবার টানেল দিয়ে চলে যায়।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি চলাচলের পরিমাণও বাড়তে থাকে। এর মধ্যে ছিল বিমানবন্দরগামী বিদেশ যাত্রী ও ওমরাহ পালনের জন্য হজের যাত্রীবাহী বাস। প্রথম পার হওয়া যাত্রীবাহী বাসটি ফুল ও রঙিন কাপড় দিয়ে সাজানো ছিল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের উপপ্রকল্প পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা সকাল ছয়টার সময় যান চলাচলের জন্য টানেল খুলে দিয়েছি। এখন থেকে ২৪ ঘণ্টা টানেল চালু থাকবে। তবে গাড়ি কম থাকায় টোলের লেন সবগুলো চালু করা হয়নি। তবে টানেলের ভেতর কোনো যানবাহন দাঁড়াতে পারবে না।’

এর আগে শনিবার (২৮ অক্টোবর) ১১টা ৪০ মিনিটে পতেঙ্গা প্রান্তে কর্ণফুলীর নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর টানেল দিয়ে আনোয়ারা প্রান্তে গিয়ে টোল আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের জনসভায় যোগ দেন তিনি।

টানেল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…