খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে নির্বাচনকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে : সিইসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৩, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে নির্বাচনকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে : সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে নির্বাচনকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক এখন দেশে, সেটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এই নির্বাচনের ফেয়ারনেসকে উপলক্ষ করে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিভক্ত হয়ে গেছে। এটি কাঙ্ক্ষিত ছিল না। সে জন্যই বলা হয় ক্রেডিবল ইলেকশন।

তিনি বলেন, ইলেকশন জিনিসটা কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য, চোখে দেখা যায় না, যাবেও না। তারপরেও বলা নির্বাচন ক্রেডিবল, ফ্রি হয়েছে কিনা, ফেয়ার হয়েছে কিনা। এই পাবলিক পারসেপসনের কোনো মানদণ্ড নেই। তবুও জনগণকে বলতে হবে নির্বাচন ফ্রি এবং ফেয়ার হয়েছে। সার্বিকভাবে যদি জনগণ বলে থাকেন যে এবারের নির্বাচনটা ফ্রি ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হয়েছে, তাহলে এটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।

আজ সোমবার (২৭ নভেম্বর) নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) আয়োজিত সংসদ নির্বাচনের অনুসন্ধান কমিটির সদস্যদের (বিচারক) প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, আমরা একটি ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল ইলেকশন চাচ্ছি। দুর্ভাগ্যজনক হলো আমাদের নির্বাচনে বাইরে থেকে থাবা বা হাত এসে পড়েছে। তারা আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে। আমাদের অর্থনীতি, আমাদের ভবিষ্যৎ, আমাদের অনেক কিছু রক্ষা করতে হলে নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা আশ্বস্ত করছি পৃথিবীর অনেক দেশ সার্বভৌম নয়। আমাকে যেভাবে যুক্তরাষ্ট্র কমেন্ট করতে পারে আমি কিন্তু ওয়াশিংটনে গিয়ে হুমকি-ধমকি দিতে পারছি না। তবে আমাকে বাঁচাতে হলে আমার সাধারণ জনগণকে বাঁচাতে হলে আমার গার্মেন্ট বাঁচাতে হলে যে দাবিটা আমাদের বা বাইরের—ওরা (বিদেশি) খুব বেশি দাবি করেনি। তাদের (বিদেশিদের) একটাই দাবি বাংলাদেশের নির্বাচন ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হতে হবে।

সিইসি বলেন, নির্বাচন নিয়ে দেশে যে বিতর্ক হচ্ছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত। নির্বাচন নিয়ে রাজনীতি দ্বিধাবিভক্ত। নির্বাচন নিয়ে দেশ সংকটে আছে। এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচনে আমরা অবিতর্কিত ফলাফল দেখতে চাই। সব এজেন্ট যেন ফলাফল গ্রহণ করেন।

সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, নির্বাচনকালে দায়িত্ব পালনে সততা এবং সাহসিকতা যেন থাকে। বাংলাদেশ একটা প্রজাতন্ত্র। নির্বাচন ছাড়া বাংলাদেশ কখনও প্রজাতন্ত্র হতে পারে না। প্রজাতন্ত্র মানেই জনগণের প্রতিনিধিদের দ্বারা শাসন পদ্ধতি। একনায়কতন্ত্র ও রাজতন্ত্র খুব একটা খারাপতন্ত্র আমরা বলছি না। তবে প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা সব থেকে জনপ্রিয়। গণতন্ত্র বাঁচিয়ে যদি রাখতে হয় তাহলে নির্বাচন বাঁচিয়ে রাখতে হবে। নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক অনাকাঙ্ক্ষিত।

নির্বাচন ফেয়ারনেসকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা বিভক্ত হয়ে গেছে এটা কাঙ্ক্ষিত ছিল না। সে জন্য বলা হয় ইলেকশন ক্রেডিবল হতে হবে। ক্রেডিবল বিশ্বাসযোগ্য জিনিস এটা চোখে দেখা যায় না। তারপরও এটাকে বলা হয় পাবলিক পারসেপশন। নির্বাচন ক্রেডিবল ও ফ্রি হয়েছে কি না ওটা পাবলিক পারসেপশন এটার কোনো মানদণ্ড নেই। জনগণকে বলতে হবে নির্বাচন ক্রেডিবল হতে হবে।

সুষ্ঠু, অবাধ ও আইনানুগভাবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের প্রথম দিন ১০৫ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

Feb2

একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

জামায়াতপন্থি ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তারা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগকারী ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।

১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন—ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ আলী বলেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোট সচিবালয় নিয়োগ অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল করায় এর প্রতিবাদে আমরা একযোগে পদত্যাগ করেছি।

সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের জেরে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পারস্য উপসাগর এলাকায় আটকে থাকার পর অবশেষে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা।

সোমবার (২২ জুন) রাত ৩টার দিকে ৩১ বাংলাদেশি নাবিক ও ক্রুকে নিয়ে জাহাজটি নিরাপদে প্রণালি পাড়ি দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে জাহাজটি জ্বালানি গ্রহণ (বাংকারিং) ও অন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, গত ২ ফেব্রুয়ারি জাহাজটি হরমুজ প্রণালি হয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে। কাতার থেকে স্টিল কয়েল পরিবহন শেষে এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। এ সময় অঞ্চলজুড়ে সংঘাত তীব্র হয়ে ওঠায় হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

পরে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে ৩৭ হাজার টন সার বোঝাই করলেও প্রণালি বন্ধ থাকায় জাহাজটি সেখানে আটকা পড়ে। যুদ্ধবিরতির পর গত ৮ এপ্রিল পুনরায় যাত্রা শুরু করলেও দুই দিন পর ইরানি কোস্ট গার্ডের বাধার মুখে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। এরপর ওমানের মিনা সাকার বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করে জাহাজটি।

সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমে আসা এবং কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে জাহাজটি অবশেষে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছে।

বিএসসি জানিয়েছে, ২০১৮ সালে নির্মিত ৩৮ হাজার ৮৯৪ ডেডওয়েট টন ধারণক্ষমতার এই বাল্ক ক্যারিয়ারের সব নাবিক ও ক্রু বর্তমানে সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছেন।

জর্ডানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে রইল আলজেরিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
জর্ডানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে রইল আলজেরিয়া

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও দারুণ প্রত্যাবর্তন করে জর্ডানকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আলজেরিয়া। সোমবার (২৩ জুন) সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে নকআউট পর্বে ওঠার আশা জিইয়ে রাখল উত্তর আফ্রিকার দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি আলজেরিয়া। উল্টো ৩৬ মিনিটে মুসা আল-তামারির অ্যাসিস্ট থেকে নিযার আল-রাশদান গোল করে জর্ডানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে একাধিক পরিবর্তন আনেন আলজেরিয়া কোচ। তার ফলও আসে দ্রুত। ৬৮ মিনিটে অধিনায়ক রিয়াদ মাহরেজের কর্নার থেকে নাধির বেনবুয়ালি হেডে সমতা ফেরান।

গোল শোধ করার পর আরও আক্রমণ বাড়ায় আলজেরিয়া। শেষ পর্যন্ত ৮২ মিনিটে কর্নার থেকে সৃষ্ট জটলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন আমিন গুইরি। তার গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আলজেরিয়া।

শেষ মুহূর্তে জর্ডান সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও আলজেরিয়ার রক্ষণভাগে আটকে যায় তাদের আক্রমণ। ফলে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াদ মাহরেজদের দল।

এই জয়ে দুই ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে নিজেদের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখল আলজেরিয়া। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে নকআউট স্বপ্ন আরও কঠিন হয়ে গেল জর্ডানের।