খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ভোট চুরির কলঙ্ক মাথায় নিয়ে খালেদা জিয়া বিদায় নিয়েছিল’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
‘ভোট চুরির কলঙ্ক মাথায় নিয়ে খালেদা জিয়া বিদায় নিয়েছিল’

ভোট চুরির কলঙ্ক মাথায় নিয়ে খালেদা জিয়া পদত্যাগ করে বিদায় নিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া নির্বাচন করে। সেই নির্বাচনে ভোট চুরি করে। আর এই ভোট চুরির অপরাধে আন্দোলন হয়, সংগ্রাম হয়, জনগণ প্রতিবাদ করে। সেই প্রতিবাদের ফলে ঠিক ৩০ মার্চ খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়। ভোট চুরির কলঙ্ক মাথায় নিয়ে খালেদা জিয়া পদত্যাগ করে বিদায় নিয়েছিল। এরপরে যে নির্বাচন হয় আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে মাদারীপুরের কালকিনিতে সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ১৯৯৬ সালের জুনে সরকার গঠন করি। ২০০১ সালের জুলাইতে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করি। এরই মধ্যে খাদ্য ঘাটতি ৪০ লাখ মেট্রিক টন পূরণ করে ২৬ মেট্রিক টন খাদ্য গোলায় মজুত রেখে যাই। বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬০০ মেগাওয়াট থেকে ৪৩০০ মেগাওয়াটে বৃদ্ধি করি। স্বাক্ষরতার হার ৪৫ ভাগ থেকে ৬৫.৫ ভাগে উন্নীত করি। কমিউনিটি ক্লিনিক করে জনগণের দোরগড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেই, বিনামূল্যে ওষুধ দিতে শুরু করি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, যে আদর্শ নিয়ে বঙ্গবন্ধু দেশ স্বধীন করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সেই চেতনা-আদর্শ তাকে হত্যার পর সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়। সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল এবং হত্যা, ক্যু ষড়যন্ত্রের যে রাজনীতি শুরু হয়েছিল, তার ফলেই এই দেশের মানুষের ভাগ্য বিড়ম্বনা শুরু হয়। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মিলিটারি ডিক্টেটর জিয়াউর রহমান। শুধু ক্ষমতা দখলই করেনি এই দেশ কে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। যেখানে স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে এই দেশের মাথাপিছু আয় ছিল ৯১ মার্কিন ডলার। মাত্র তিন বছর সাত মাসের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সেই মাথাপিছু আয় ২৭৭ মার্কিন ডলারে উন্নীত করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ এর পরে জিয়া-এরশাদ যারাই ক্ষমতায় এসেছে, এদেশের মানুষের আয় কিন্তু বাড়েনি, তারা বাড়াতে পারেনি। তারা রাষ্ট্রীয় সমস্ত অর্থ-সম্পদ দিয়ে কিছু লোককে ধনী শ্রেণিতে তৈরি করে, একটা এলিট গোষ্ঠী তৈরি করে তাদের মাধ্যমে জনগণের ভোট চুরি করা, সেই হ্যাঁ না ভোট। একদিকে সেনাপ্রধান আরেকদিকে রাষ্ট্রপতির দুই পদ বেআইনিভাবে, সংবিধানবিরোধীভাবে দখল করে একটা নির্বাচনের প্রহশন করে জনগণের ভোট কেড়ে নেয় এবং তারই পকেট থেকে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে তৈরি হয় ওই বিএনপি সংগঠন। আর যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের জিয়াউর রহমান ফিরিয়ে আনে। তাদেরকে নিয়ে রাজনীতি করে।

এর আগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে সড়কপথে মাদারীপুরের কালকিনিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল সাড়ে ৩টায় কালকিনির সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ মাঠে জনসভাস্থলে তিনি প্রবেশ করেন। এ সময় শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানাও ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই জনসভাস্থল স্লোগানে মুখর করে তোলেন নেতাকর্মীরা। প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধুকন্যার কালকিনিতে আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা যায়। জনসভায় যোগ দিতে সকাল থেকেই সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ মাঠে আসতে থাকেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…