খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০১ বিজিপি সদস্যকে টেকনাফে স্থানান্তর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
১০১ বিজিপি সদস্যকে টেকনাফে স্থানান্তর

মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে আসা ১০১ সদস্যকে তুমব্রু সীমান্ত এলাকা থেকে টেকনাফে স্থানান্তর করা হয়েছে।

রাখাইন রাজ্যে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুদ্ধে টিকতে না পেরে সোমবার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালি ইউনিয়নের রহমতের বিল সীমান্ত পেরিয়ে ১১১ বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে এসে বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করে।

তাদেরকে অস্ত্রমুক্ত করার পর সেখানকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিজিপির হেফাজতে রাখা হয়েছিল। দুদিন তারা সেখানেই ছিলেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবির গাড়িতে করে টেকনাফ উপজেলার উপকূলবর্তী হ্নিলা ইউনিয়নে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম জানান।

কেন তাদের স্থানান্তর করা হল- জানতে চাইলে জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, “এখানে লোকজন বেশি হয়ে গেছে। তাই তাদের অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”

রহমতের বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে বিজিবির দুটি সাঁজোয়া যান, তিনটি ট্রাক ও দুটি সেডান কার অপেক্ষা করছে। স্কুলের ভেতর থেকে এক এক করে বিজিপি সদস্যদের গণনা করে ট্রাকে তোলা হচ্ছে। তাদের অনেকের গায়ে বাহিনীর পোশাক পরিহিত ছিল। আবার কেউ কেউ সাধারণ পোশাকেও ছিলেন।

বিকাল ৩টা ২৬ মিনিটের দিকে দুটি সাঁজোয়া যানের পাহারায় টেকনাফের দিকে রওনা হয়। এ সময় সেখানে এলাকার উৎসাহী লোকজনকে জড়ো হতে দেখা যায়। কিন্তু সশস্ত্র বিজিবি সদস্যরা তাদের কাছে ঘেঁষতে দেননি।

৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বিদ্রোহীরা বিজিপির একটি ফাঁড়ি দখল করে নিলে পরদিন সকালে পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ১৪ সদস্য। এরপর থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত সেই সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ৩২৮ জনে পৌঁছেছে। বুধবার এসেছেন ৬৪ জন।

তাদের মধ্যে মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), সেনাবাহিনী, ইমিগ্রেশন সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা রয়েছেন। তাদের নিরস্ত্র করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

বাংলাদেশ সরকার বলে আসছে, মায়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর এই সদস্যদের ফেরত পাঠানোর জন্য আলোচনা চলছে। তবে কীভাবে সেটা করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…