খুঁজুন
, ,

তিস্তা সংকট ২০২৬ সালের মধ্যে মিটে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 February, 2024, 9:18 am
তিস্তা সংকট ২০২৬ সালের মধ্যে মিটে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে চলমান সংকট ২০২৬ সালের মধ্যে মিটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেছেন, তিস্তা নিয়ে ভারত সরকারের কোনো অসুবিধা নেই। সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের। তবে আলোচনা করেছি, আশা করছি ভারতের জাতীয় নির্বাচনের পর একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারবো। ২০২৬ সালে গঙ্গা চুক্তিও আছে। আশা করছি তার মধ্যেই তিস্তার পানি চুক্তির সমাধান হবে।

ভারতে তিনদিনের সফর শেষে দেশে ফেরার আগে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাস আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াসসহ মিশনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকরা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, তিস্তা চুক্তি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বাংলাদেশ কোনো কথা বলবে কি না। উত্তরে ড. হাছান বলেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিজনেস করতে হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এখন কীভাবে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করবে সেটি কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয়।

বাংলাদেশ অংশে তিস্তার উপরে ব্যারেজ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আলোচনা হয়নি, এটি নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। এটির প্রয়োজন আছে। কিন্তু এ নিয়ে এখনো সেভাবে কথা হয়নি।

দিল্লি সফর নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভারতের সঙ্গে খুব আত্মিক এবং উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে। যে সম্পর্ক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরা বেশকিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকট কীভাবে এ অঞ্চলে প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে কথা হয়েছে। বাংলাদেশেও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড সদস্যদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এগুলোর সমাধানে কিভাবে একযোগে কাজ করা যায় এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কীভাবে ফেরত পাঠানো যায়, সেসব বিষয়েও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা একাধিক ভোগ্যপণ্যের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। পেঁয়াজ, রসুন, ডালসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আমদানি করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে আমাদের আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটে। এ বিষয়গুলো নিয়ে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযুষ গোয়েলের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা এসব ভারতীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি কোটা নির্ধারণ করতে চাই। আগামী রমজান মাসের আগে পেঁয়াজ এবং চিনি যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে চাহিদা অনুযায়ী আমদানি করতে পারি সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভারত থেকে আমরা ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য আমদানি করি। ভারতে রপ্তানি করি দুই বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি মূল্যের পণ্য। এই বাণিজ্য ভারসাম্য যেন কমানো যায় তা নিয়ে কথা হয়েছে।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়েও ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোবালের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিয়ানমারের শরণার্থীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে ভারতের সাহায্য সবসময় আমরা চেয়েছি। তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে সবসময় ভারতের সহযোগিতা কামনা করেছি। এবারও বিষয়টি সেভাবেই আলোচনা হয়েছে।

টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে ছিটমহল সমস্যা ছিল প্রায় ৪০ বছরের বেশি পুরোনো। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আমরা সেটির সমাধান করতে পেরেছি। টাঙ্গাইল শাড়ির সমস্যার সমাধানও হয়ে যাবে।

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন ও ভোটের ফলাফল নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের জনগণ কাকে ক্ষমতায় আনবে সেটি সেদেশের জনগণের বিষয়। জনগণের ভোটে যারা নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করবে আমরা তাদের সঙ্গে স্বাভাবিক নিয়মেই বিজনেস করবো। আমরা পাকিস্তানের গণতন্ত্রকেই স্বাগত জানাই।

Feb2
Feb2

তেলের সংকট কাটেনি, বেড়েছে আটা-ময়দার দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2026, 12:08 pm
তেলের সংকট কাটেনি, বেড়েছে আটা-ময়দার দাম

দাম বাড়ানোর পরও বাজারে স্বাভাবিক হয়নি সয়াবিন তেলের সরবরাহ। রাজধানীর অনেক মুদি দোকানেই মিলছে না পর্যাপ্ত বোতলজাত সয়াবিন তেল। চাহিদা মত তেল না দেওয়ার অভিযোগ জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মুদি দোকানিদের অনেকেই বলছেন, অর্ডার দিয়েও তেল পেয়ে কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

পাহাড়তলী বাজারের মুদি দোকানি সাইফুল বলেন, অর্ডার দিলেও তেল দেয় না কোম্পানি। দোকানে কোনো সয়াবিন তেল নেই। তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেক ক্রেতা।

আরেক বিক্রেতা অভিযোগ জানিয়ে বলেন, পর্যাপ্ত তেল তো দিচ্ছেই না, আবার লাভ দিচ্ছে একদম সীমিত। ১ লিটার তেল ১৯৮ টাকা কেনা, বিক্রি করতে হচ্ছে ১৯৯ টাকায়। এ অবস্থায় অনেকেই তেল বিক্রি করতে চাচ্ছেন না।

সম্প্রতি সরকার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর অনুমোদন দেয়। ব্যবসায়ীরা ১০ টাকা বাড়ানোর দাবি করলেও সরকার ৫ টাকা বাড়ানোর অনুমতি দেয়। এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে।

এর মধ্যেই বেড়েছে আটা ও ময়দার দাম। বিশেষ করে ময়দার দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বেকারি পণ্যে। এরইমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির পাউরুটি ও অন্যান্য বেকারি পণ্যের দাম বেড়েছে।

বেকারি মালিকদের সংগঠন জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবার থেকে সব ধরনের বেকারি পণ্যের দাম ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দাম অপরিবর্তিত রেখে পণ্যের ওজন কমিয়ে মূল্য সমন্বয় করা হবে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার বিশ্লেষণের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে প্রতি কেজি খোলা আটার দাম এখন ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। এক মাস আগেও পণ্যটির সর্বনিম্ন দাম ছিল ৪৫ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে আটার দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ।

এছাড়া বাজারে খোলা ময়দা ও প্যাকেটজাত ময়দার দামও বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি খোলা ময়দা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন তা ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। প্যাকেটজাত ময়দা প্রতি কেজি এখন ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগেও এর দাম ছিল ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা।

বিদ্যুতের বাড়তি দাম, গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব আটা-ময়দাসহ সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামে পড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আটা-ময়দার দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বেকারি পণ্যে। বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবার থেকে সব ধরনের বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানো হবে।

সংগঠনের সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, দাম সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দাম বাড়লে ২০ শতাংশ হারে বাড়াবে। আবার কিছু ক্ষেত্রে ওজন কমিয়ে দাম সমন্বয় করা হবে। অর্থাৎ, ১০ টাকার রুটি ১০ টাকাই থাকবে। যেটা ৪০০ গ্রাম ছিল, হয়তো ৩৫০ গ্রাম বা ৩২০ গ্রাম হবে।

তিনি বলেন, তেলের দাম অনেক বেড়ে গেছে। ২৫ হাজার টাকার তেল বেড়ে ৩৬ হাজার টাকা হয়েছে। এর সঙ্গে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা ও বাড়তি খরচ রয়েছে। ফলে দাম সমন্বয় করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

পাহাড়তলী বাজার, কাজীরদেউরি বাজার, বহদ্দারহাট বাজার, কর্ণফুলী মার্কেট ও রিয়াজউদ্দিন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দামও কমেনি। প্রতি কেজি এখন ১৯০-২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছে, অতিবৃষ্টি ও গরমে অনেক খামারে ডিমপাড়া মুরগিসহ ব্রয়লার মুরগি মারা গেছে। পরে অনেক খামারি নতুন করে মুরগি পালন শুরু করেননি। সাম্প্রতিক লোডশেডিং পরিস্থিতির কারণেও খামারে মুরগি পালন কমেছে। এসব কারণে বাজারে ডিম-মুরগির দাম কিছুটা বেশি।

এদিকে, আগের মত চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি। লম্বা বেগুন ৭০ টাকা এবং গোল বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। করলা ও বরবটি ৮০ টাকা কেজি। হাইব্রিড শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। আগাম শিমের দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। পটোল, ঢ্যাঁড়স, কাঁকরোলসহ কয়েক ধরনের সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। আর টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা এবং রুই-কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে।

বহদ্দারহাট বাজারে কথা হয় মিজানুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ আমিষের চাহিদা মেটায় ডিম ও মুরগির মাধ্যমে। এই দুই পণ্যের দাম বাড়তি। তার ওপর এখন তেল ও আট-ময়দার দামও বেড়েছে। চাল, ডালসহ অন্যান্য খরচও বেড়েছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে।

খুলশীতে অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত সন্দেহে চীনা-পাকিস্তানিসহ ৭০ জন আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 September, 2026, 11:11 am
খুলশীতে অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত সন্দেহে চীনা-পাকিস্তানিসহ ৭০ জন আটক

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় অনলাইন স্ক্যামিং চক্রে জড়িত সন্দেহে চীনা, পাকিস্তানি ও লাওসের নাগরিকসহ ৭০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে জালালাবাদ কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবন থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৬৮টি ল্যাপটপ ও ৬৫টি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। এসব ডিভাইসে থাকা তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিরা অনলাইন স্ক্যামিংয়ের সঙ্গে জড়িত কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম বলেন, অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত সন্দেহে ৭০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চীন, পাকিস্তান, লাওসসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। প্রত্যেকের মুঠোফোন ও ল্যাপটপে থাকা তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকাও একটি বিশেষ দল চট্টগ্রামে আসছে। আগামীকাল বিস্তারিত জানানো হবে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিদের আটক করা হয়। পরে তাদের খুলশী থানায় নেওয়া হয়।

এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের একটি হোটেল থেকে অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয় চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গাড়ির লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই সবার আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 10 September, 2026, 8:48 pm
গাড়ির লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই সবার আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী

লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করা গেলে বিএনপি সবার আগে লংমার্চ করত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিরোধীদলের উদ্দেশে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে গ্যাস ও বিদ্যুতের জন্য সমগ্র দেশের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে আমরা আমাদের বিরোধীদলীয় বন্ধুদের কাছে সহযোগিতা আশা করেছিলাম। অথচ আমরা দেখলাম তারা একটি বিশাল গাড়ির লংমার্চ আয়োজন করেছেন। বিভিন্ন মানুষ একটি কথা বলে যে, জনগণকে অযথা উত্তেজিত করে অন্য কিছু করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল।’

‘গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করাই যেত, তাহলে আমরাই সবার আগে লংমার্চের আয়োজন করতাম,’ বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে পাঠিয়েছে সংসদে। আমি মনে করি এই সংসদের প্রতিটি সদস্য, বিরোধীদলের হোক, সরকারি দলের হোক—আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব সঠিক চিত্র বা বাস্তব পরিস্থিতি জনগণের সামনে তুলে ধরা।’

তিনি বলেন, ‘উত্তরাধিকার সূত্রে ফ্যাসিবাদী শাসনামলের সমস্যাকে আমরা অজুহাত হিসেবেও দাঁড় করাতে চাই না। বরং এই সমস্যাগুলো এই সমস্যাগুলোর ব্যাপারে আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই এবং সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে চাই। যেন সমস্যাগুলো মোকাবিলা করা যায়, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, যেন জনজীবনের শান্তি-স্বস্তি-নিরাপত্তা বিধান করা যায়। এই সরকার সেই লক্ষ্যেই নিরলসভাবে পরিশ্রম করছে।

বিগত আওয়ামী সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলনে, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যখন শুরু হলো সেসময় ২০২২ সালে যুদ্ধের অজুহাতে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে তখন অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন করা হলো, স্কুলগুলোতে একদিনের জায়গায় দুদিন ছুটি দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকের লেনদেনের কর্মসূচিও পরিবর্তন করা হয়েছিল। আমরা অজুহাত তুলে জনগণের সমস্যার সমাধান এড়িয়ে যেতে চাই না। বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবিলায় কুইকরেন্টাল বসানো হয়েছিল। এই কুইকরেন্টালের নামে কিছু মানুষকে সুবিধা দিয়ে রাষ্ট্রকে ফতুর করে দেওয়া হয়, ঋণগ্রস্ত করে দেওয়া হয়।’