খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুয়ার আসর নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০২৪, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
জুয়ার আসর নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার কালামিয়া বাজারস্থ বাহার কনভেনশন হলে চলমান জুয়ার আসর নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে ২ সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই বিষয়ে গত মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সিএমপির বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা। তিনি দৈনিক সময়ের কাগজ পত্রিকার চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

জিডিতে জিয়া নামের একজনকে বিবাদী করা হয়েছে। জিয়া কালামিয়া বাজারস্থ বাহার কনভেনশন হলের জুয়ার আসরের ম্যানেজার বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী দিয়েছে। এই বিষয়ে আমি বাকলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। থানা কতৃপক্ষ অভিযোগটি জিডি হিসাবে গ্রহণ করেছেন। বিষয়টি সিএমপি কমিশনার ও এডিশনাল পুলিশ কমিশনারকে (ক্রাইম) অবহিত করা হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।

জানা যায়, গত ৯ জুলাই বাকলিয়া থানার ৪৩৭ নং জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ”কালামিয়া বাজারের বাহার কনভেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন যাবৎ জুয়ার আসর চলছে। সু-নির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জুয়ার ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে দৈনিক সময়ের কাগজ পত্রিকায় ৮ জুলাই “চট্টগ্রামে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর, নেপথ্যে সমাজকল্যাণ ও পুলিশ কর্মকর্তা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদ প্রকাশের খবর পেয়ে জুয়াড়ি জিয়া ওইদিনই দুপুর আনুমানিক দেড়টায় সময়ের কাগজ পত্রিকার আঞ্চলিক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ রানার হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে, মিথ্যা মামলার আসামি করবে ও প্রানে মেরে ফেলবে মর্মে হুমকি দেয়। একই ভাবে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য দৈনিক ” নতুন সময়” পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মো. ইসমাইলকেও হুমকি প্রদান করে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…