খুঁজুন
, ,

রাতে হঠাৎ উত্তপ্ত ঢাবি ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 15 July, 2024, 12:34 am
রাতে হঠাৎ উত্তপ্ত ঢাবি ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস। এরই জেরে আজ (রোববার) রাত ১১টার দিকে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। পরে প্রতিটি হল থেকে ক্যাম্পাসে মিছিল বের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার (১৪ জুলাই) রাত ১১টা থেকে এই মিছিলের সূচনা হয়। মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হন।

সরেজমিনে দেখা যায়, হল পাড়ার প্রায় হাজার শিক্ষার্থী একত্রিত হয়েছেন। এ সময় তারা বিজয় একাত্তর হলে ঢুকতে চাইলে ছাত্রলীগের বাধার সম্মুখীন হন। কিন্তু বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা করে ভেতরে ঢুকে সমর্থকদের নিয়ে আসেন। পরে তারা মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হন।

মিছিলে তাদের ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, রাষ্ট্র কারো বাপের না’, ‘চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’, ‘আমার স্বাধীন বাংলায়, একের কথা চলে না’, ‘তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি’, ‘লাখো শহীদের রক্তে কেনা, দেশটা কারো বাপের না’ ইত্যাদি স্লোগানও দিতে দেখা গেছে।

আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী বলেন, হলের ছাত্রলীগ নেতাদের কাছ থেকে এমন আচরণ অপ্রত্যাশিত। এটা ছাত্রদের অধিকারের লড়াই। এ লড়াইয়ে আমরা আপোসহীন।

বিজয় একাত্তরের হল ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ প্রত্যাশী সাইদুর রহমান শরীফ বলেন, আমরা কাউকে বাধা দেইনি। যারা আন্দোলনে যেতে চায় তারা যাবে আমরা তাদের বাধা দেইনা। কিন্তু আন্দোলনকারীরা হলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে চাইছে আমরা সেখানেই বাধা দিতে চেয়েছি।

এর আগে, রাত ৯টা থেকে প্রতিটি হলের শিক্ষার্থীরা সমস্বরে ‘আমি কে তুমি কে, রাজাকার, রাজাকার’ স্লোগান দিতে থাকেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিতে থাকেন।

প্রসঙ্গত, চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিরা চাকরি পাবে না কি রাজাকারের নাতি-নাতনিরা চাকরি পাবে?

Feb2
Feb2

চবির ৯ শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এসেছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 10:30 pm
চবির ৯ শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এসেছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নয়জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনার ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এখানে দেশবিরোধী, রাষ্ট্রবিরোধী কিংবা সরকারবিরোধী কোনো পক্ষকে আপনারা প্রশয় দেবেন না। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিকভাবে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে একবার মার্চে, একবার এপ্রিলে, একবার মে মাসে, আবার একবার ডিসেম্বরে আসার নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়ানো হয়। এই অবৈধ স্বৈরাচারিণী জীবদ্দশায় আত্মসমর্পণ ও সাজা ভোগ না করে বাংলাদেশে ঢুকতে পারবে না, যতদিন একজন দেশপ্রেমিক বাংলাদেশি জীবিত আছে, অবশ্যই তাকে বাংলাদেশে ফেরত আনা হবে। আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে সকলের জন্য সমতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সমঅধিকারের বিষয়ে কথা বলতে পারার একটি ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। একইসাথে শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত ১৭ বছরে বিভিন্নভাবে অবহেলিত হওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সেই অবস্থান থেকে বের করে আনতে শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে প্রশাসন কাজ করছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইতিহাসের আয়নায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান : ভাবাদর্শের রুপান্তর ও বাস্তবতার অভিঘাত’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন।

এতে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, চাকসুর সাধারণ সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব, সহ-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুবুর রহমান তৌফিক প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক জাহিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্ট, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি : রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 10:14 pm
আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, “আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি। জুলাইয়ের চেতনাকে যেন আমাদের হৃদয়ে ধারণ করতে পারি। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারি—এটাই হোক আমাদের আজকের অঙ্গীকার।”

বুধবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সচিব ব্যারিস্টার গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।

রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ষোল বছর ধরে অসংখ্য মানুষ অক্লান্ত সংগ্রাম করেছেন। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। সেই আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় স্বৈরশাসনের অবসান ঘটেছে। এটি জাতির ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়, যা বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে গর্বের সঙ্গে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, আজ দুপুরে একটি অনুষ্ঠানে আমি এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছি। এক মা তার অন্ধ ছেলেকে হাত ধরে মঞ্চে নিয়ে এসেছেন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সেই তরুণ তার দুই চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। মা সবার সামনে তাদের দুঃখ-কষ্ট, অভাব-অভিযোগ ও বেদনার কথা তুলে ধরেছেন। জুলাইয়ে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা অঙ্গহানির শিকার হয়েছেন, তাদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জাতীয় সংসদ ও বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এটি কোনো স্বল্পমেয়াদি দায়িত্ব নয়; বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় অঙ্গীকার।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর যেমন গৌরব ও বিজয়ের দিন, তেমনি ৫ আগস্টও গৌরব ও বিজয়ের দিন হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। তিনি বলেন ২৬শে মার্চ ও ১৬ই ডিসেম্বর আমরা অর্জন করেছি বিদেশি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে, আর ৫ আগস্ট অর্জিত হয়েছে দেশীয় ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাভূত করার মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পায়নি। ফলে স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল থেকে জনগণ বহুবার বঞ্চিত হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন জাতিকে আর সেই পথে হাঁটতে না হয়, সে জন্য ধৈর্য, সহনশীলতা এবং পরিশীলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রকৃত সংস্কার মানুষের মনোজগতে হতে হবে। মনোজগতের পরিবর্তন না হলে শুধু আইন বা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার ও মেরামতের সূচনা হতে হবে সংবিধান থেকে, যা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশের জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল এবং এর মাধ্যমেই বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই স্বাধীনতার গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে সুসংহত করার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

চিফ হুইপ জুলাই বিপ্লবের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বিগত ‘মাফিয়া’ সরকার দেশের বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করেছে, মানুষের বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার হরণ করেছে এবং ‘আয়নাঘর’, গুম, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছিল। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকার কথাও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সব হুইপ, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই সনদ শতভাগ বাস্তবায়ন করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর: ব্যারিস্টার মীর হেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2026, 8:23 pm
জুলাই সনদ শতভাগ বাস্তবায়ন করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর: ব্যারিস্টার মীর হেলাল

ভুমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জনসম্মুখে যে জুলাই সনদ সাক্ষরিত হয়ছে সেটা শতভাগ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট এর বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে ছাত্রদলের ভুমিকা ও জুলাই – আগষ্ট আন্দোলনে অবদান কে তুলে ধরে প্রশংসা করেন।আজ ৫ই আগষ্ট চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, ৫ই আগষ্ঠ এর মুল চেতনা হল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মান করা এবং গত ফ্যাসিস্ট এর করা অপশাসন হতে বাংলাদেশকে মুক্ত করা। জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে ছাত্রদল মুখ্য ভুমিকা পালন করেন এবং ছাত্রদলে ১৪২ নেতাকর্মী শহিদ হন। ১৬ জুলাই ২০২৪ সালে মুরাদপুরে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ওয়াসিম আকরাম ছাত্রদল পরিচয় ধারন করে শহীদ হোন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ্ বলেন জুলাই আন্দোলনে আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে চট্টগ্রামে ছাত্রদল কে দিয়ে আন্দোলন চলমান রাখতে সার্বক্ষনিক তদারকিতে ছিলাম এবং সব সময় ছাত্রদল মাঠে ছিল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন,শহীদ ওয়াসিম সহ যারা বিগত আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন তাদের প্রত্যেককে যথাযথ সম্মানের সহিত প্রতিটি রাষ্ট্রীয় পোগ্রাম গুলোতে ছবি সহকারে নাল উল্লেখ করে উপস্থাপন করার জোর দাবি জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসরাফিল খসরু বলেন,যে বৈষম্য দুর করার জন্য জুলাই – আগষ্ট ছাত্র জনতার সমন্বয়ে যে আন্দোলন সংগঠিত হয়েছে ৫ আগষ্ট পরিবর্তী সময়ে ছাত্রদলই সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হয়ছে।সে বৈষম্য দুর করার জন্য ছাত্রদলকে সজাগ থাকার পাশাপাশি ভুমিকা পালন করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আল ফোরকান বলেন, জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ছাত্রদল ভুমিকা রাখার কারণে আন্দোলন দিন দিন তীব্র হয় এবং ৫ ই আগষ্ট হাসিনার পতনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন এর সঞ্চালনায় আর ও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আসিফ চৌধুরী লিমন, যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তানভীর, শহিদুল ইসলাম সুমন, খন্দকার রাজিবুল হক বাপ্পী, মোহাম্মদ আনাছ, নুর জাফর নাঈম রাহুল, সদস্য ইমরান হোসেন বাপ্পী, আল মামুন সাদ্দাম, কামরুল হাসান আকাশ, আব্বাস উদ্দিন সহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।