খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাহাঙ্গীরের পেছনে ঘুরত মন্ত্রী-এমপিরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০২৪, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
জাহাঙ্গীরের পেছনে ঘুরত মন্ত্রী-এমপিরা

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর আলমের অবশেষে তদন্ত শুরু হয়েছে। গতকাল প্রধানমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন যে, আমার একজন পিয়নও ৪০০ কোটি টাকার মালিক। সেই পিয়ন জাহাঙ্গীর আলম, তার স্ত্রী কামরুন নাহার এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সেইসঙ্গে তাদের এই হিসাব খোলার ফর্মসহ যাবতীয় তথ্য আগামী পাঁচদিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সব ব্যাংওক এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো হিসাব থাকলে সে সব লেনদেন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ২৩-গ ধারায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হল।

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ৬ ডিসেম্বরে জাহাঙ্গীরকে গণভবনে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয় এবং তার ব্যাপারে গোয়েন্দা তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু তার আগেই জাহাঙ্গীর পালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

জাহাঙ্গীরের অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থের পরিমাণ পাঁচশ কোটি টাকার ওপর বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর তথাকথিত বিশেষ সহকারী হিসেবে থাকার সময় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিলেন এবং জাহাঙ্গীরকে সম্মান সমীহ করতো না-এমন আওয়ামী লীগের নেতা সংখ্যা খুব কম ছিল।

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, সেই সময় জাহাঙ্গীরের এতটাই প্রভাব ছিল যে জাহাঙ্গীরের বাবার মৃত্যুর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজে মন্ত্রীদের ঢল নেমেছিল। ১০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী চাটখিলে গিয়েছিলেন লাশ দাফন করতে। শুধু তাই নয়, জাহাঙ্গীর বিভিন্ন মন্ত্রীদেরকে ডেকে পাঠাতেন এবং জাহাঙ্গীরের বাড়িতে অনেক মন্ত্রী যাতায়াত ছিল। আওয়ামী লীগের নোয়াখালী অঞ্চলের একাধিক অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরকে প্রধান অতিথি করা হতো। আবার তখন বিশেষ অতিথি হতেন আওয়ামী লীগের অনেক কেন্দ্রীয় নেতা।

আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা এই বাস্তবতা স্বীকার করে বলেছেন যে, জাহাঙ্গীরের তখন ক্ষমতা এতটাই ছিল যে, তারা অপমানজনক হলেও এটা মেনে নিতেন।

বিভিন্ন সময় দেখা গেছে যে, জাহাঙ্গীর প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন আওয়ামী লীগ নেতা এবং মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে সত্য, মিথ্যা নানা কথা বলতেন। অনেকে হয়তো প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের জন্য জাহাঙ্গীরের কাছে ধর্না দিত। জাহাঙ্গীর তাদের কাছ থেকে উৎকোচ নিতো এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দিতো। গণভবনের পাস দেয়ার ক্ষেত্রেও জাহাঙ্গীর প্রভাব বিস্তার করতো। অনেক বিতর্কিত ব্যবসায়ীকে গণভবনে ঢুকিয়ে দিয়ে মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন করতো জাহাঙ্গীর। আর এ সমস্ত বিষয়গুলো যখন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে তখন প্রধানমন্ত্রী বিষয় তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন এবং তদন্তের পর জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জাহাঙ্গীরের এখন দেশে সম্পদের পরিমাণ খুবই কম। ঢাকায় তার কয়েকটি বাড়ি রয়েছে। নোয়াখালীতে তার প্রসাদসম বাড়ি রয়েছে। এছাড়া কিছু জমিজমা রয়েছে। তবে অধিকাংশ সম্পত্তি জাহাঙ্গীর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…