খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোটার তালিকা (সংশোধনী) আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২০, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
ভোটার তালিকা (সংশোধনী) আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

মন্ত্রিসভা বুধবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে আরো এক মাস সময় বৃদ্ধি করে ‘ভোটার তালিকা (সংশোধনী) আইন ২০১৯’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক বৈঠকে মন্ত্রিসভা এই অনুমোদন দিল।

আজ বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক প্রেস ব্রিফিংকালে বলেন, ‘ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে সময় বাড়ানোর জন্য মন্ত্রিসভা আজ ‘ভোটার তালিকা (সংশোধনী) আইন ২০১৯’ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘২০০৯ সালের বিদ্যমান আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। এর লক্ষ্যে হচ্ছে সময়সীমা বাড়ানো। কারণ, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ২৯ দিনের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা কঠিন।

তিনি বলেন, বৈঠকে আগামী ২ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে ১ মার্চ এ দিবস পালন করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো বলেন, কৃষকরা যেন সুলভ মূল্যে কৃষি সামগ্রী কিনতে পারে ও সহজ শর্তে অল্প অথবা বিনা সুদে ঋণ পেতে পারে সে লক্ষে বৈঠকে ‘জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতি-২০১৯’ এর খসড়ারও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, এই নীতি কৃষি যান্ত্রীকিকরণের আওতা বৃদ্ধিতে এবং একই সাথে মজুর কম লাগায় উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়ক হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই নীতির ফলে কৃষি খাতে বাণিজ্যিক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত হবে।
বৈঠকে কৃষিজ পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সমবায় পদ্ধতি অন্তর্ভূক্তির পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ প্রতি বছরের ১ মার্চ ‘জাতীয় বীমা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার এবং তৃণমূলের জনগণকে দিবসটি সম্পর্কে অবগত করার লক্ষ্যে দিবসটি যথাযথভাবে উদযাপন করার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর দেশে বীমা শিল্প চালু করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু ১৯৬০ সালের ১ মার্চ বীমা কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন বলে সভায় ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এই শিল্পের প্রসারে বঙ্গবন্ধু ‘বাংলাদেশ বীমা জাতীয়করণ আদেশ ১৯৭২ ও ইনস্যুরেন্স কোঅপারেশন অ্যাক্ট ১৯৭৩’ প্রণয়ন করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…