খুঁজুন
, ,

উপাসনালয়ে হামলাকারীরা মানুষ নয়, পশু : ধর্ম উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 30 August, 2024, 9:56 pm
উপাসনালয়ে হামলাকারীরা মানুষ নয়, পশু : ধর্ম উপদেষ্টা

উপাসনালয়ে যারা হামলা করে তারা মানুষ নয়, পশু; এরা দুষ্কৃতকারী বলে মন্তব্য করেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশে অসাম্প্রদায়িক আবহ কোনোভাবেই নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না। আমাদের এই সরকারকে বিব্রত করার জন্য একশ্রেণির মতলবী মানুষ মাঠে নেমেছে। এদের আমাদের রুখতে হবে।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহাবতার ভগবান শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও পূজা উদযাপন পরিষদ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। আলোচনা সভায় বক্তারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সরকারের আছে আট দফা দাবি তুলে ধরে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষায় সিসি ক্যামেরা লাগানোর পরামর্শ দিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আপনারা মন্দিরে সিসি ক্যামেরা বসান। অজপাড়াগাঁয়ে রাতের বেলায় কেউ এসে যদি মন্দির অপবিত্র করে, আপনি মামলা করলেও আসামিদের আমরা ধরব কি করে। হামলাকারীকে চিহ্নিত করতে প্রমাণ লাগবে। অপরাধীদের ধরতে যদি মুসলমানদের সাহায্য লাগে তাহলে আমরা তৈরি আছি।

উপাসনালয়ে যারা হাত দেয় এরা মানুষ নয়, পশু। এরা দুষ্কৃতকারী এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, হামলাকারীদের অবশ্যই আইনের আওতায় এনে বিচার হবে। কক্সবাজার, উখিয়া, রামুতে যেসব বৌদ্ধ বিহার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে আমি ভিজিটে যাব। প্রয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা সবাই দেশের নাগরিক। দেশের একজন মুসলমান ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাষ্ট্র দায়ী, তেমনি অন্য ধর্মের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রাষ্ট্র দায়ী। সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সুন্দর সমাজ জাতিকে উপহার দিতে চাই। আমি যতদিন পারি দেশের সব ধর্মের মানুষের সেবা করে যেতে চাই। আপনারা আমার উপর আস্থা রাখতে পারেন।

তিনি বলেন, আমরা কতদিন দায়িত্ব পালন করব তা বলা মুশকিল। আমরা কিছু সংস্কার করতে চাই। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা চাই। তারপর আমরা ইলেকশন কমিশনকে সাজিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে চাই।

আলোচনায় অংশ নিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ধর্ম, বর্ণ, বিশ্বাস নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকার নিয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর আট আগস্ট পর্যন্ত যখন সরকার ছিল না, তখন কিছু দুষ্কৃতকারী আমাদের অর্জন ম্লান করতে মন্দিরে হামলা করেছে। কিন্তু জনগণ তা রুখে দিয়েছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আমাদের মধ্যে ঐক্য অটুট রাখতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বা বাংলাদেশের শেষ দিন পর্যন্ত তা রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর।

আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবের কথা উল্লেখ করে এ উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের মধ্যে দুর্গাপুজা নিয়ে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। পূজার আয়োজন বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, যারা এ দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করবে- িপরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি বা অন্য যে কেউ যদি এ ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এ সরকার তাদের ছাড়বে না। প্রতিটি সাম্প্রদায়িক ঘটনা ও এর পেছনে যারা ইন্ধনদাতা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সরকার নিশ্চিত করবে- এই প্রতিজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমাদের অর্জনকে ম্লান করতে কোনো ষড়যন্ত্র যেন কেউ সফল করতে না পারে, সেজন্য আমরা কাজ করে যাব। এই অগ্রযাত্রায় সব নাগরিক লড়াইয়ে অংশ নেবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

জুলাই বিপ্লবের পর আলোর দিকে যাত্রায় আমরা দেশে আর সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দেখতে চাইনি এ কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর বলেন, আমরা চাই সমাজ পরিবর্তন হবে। সব ধরনের বৈষম্যের অবসান হবে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় উপদেষ্টাদের কাছে দেওয়া আট দফা দাবির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা বলেন, আপনাদের কাছে দেওয়া আট দফার প্রতি আপনারা যত্নশীল হবেন।

তিনি বলেন, গত ৫৩ বছরে একটি সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিচার হয়নি। জুলাই বিপ্লবের পরও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উপদেষ্টাদের কাছে আমাদের আকুল আবেদন আপনারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংকট সমাধানে কাজ করবেন, প্রতিটি সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার করবেন। আমরা চাই দেশে আপনার-আমার সাংবিধানিক অধিকার সমান হবে। আমরা সমঅধিকার ও বিচার চাই।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব।

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।