খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড. ইউনূসের সরকারের প্রতি ১৯৮ বিশ্বনেতার দৃঢ় সমর্থন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসের সরকারের প্রতি ১৯৮ বিশ্বনেতার দৃঢ় সমর্থন

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েয়েছেন ১৯৮ বিশ্বনেতা। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ অন্তত ৯২ জন নোবেলবিজয়ী। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে ওই ১৯৮ বিশ্বনেতার স্বাক্ষরসহ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিশ্বনেতারা বলেছেন, “আমরা প্রকাশ্যে নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি সমর্থন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’’

তারা বলেন, ‘‘বাংলাদেশের অন্যান্যদের মতো অধ্যাপক ইউনূসও স্বৈরাচারের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। একটি গণতান্ত্রিক ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরতন্ত্রের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে আশা; যেমনটা অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ তার দ্বিতীয় স্বাধীনতা উপভোগ করছে।”

“আমরা বছরের পর বছর ধরে অধ্যাপক ইউনূসকে সমর্থন দিতে পেরে গর্বিত। এটা বাংলাদেশে নতুন সূর্যোদয়ের সূচনা। আমরা সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের শান্তি এবং সাফল্য কামনা করছি।”

“আমরা খুবই আনন্দিত যে বাংলাদেশকে উন্নয়নের দিকে নেওয়ার কাজ করতে অধ্যাপক ইউনূস এখন মুক্ত। যেটি গত ছয় দশক ধরে তিনি বলে আসছেন। যেভাবে দেশের তরুণ সমাজ ইউনূসকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা জানি তিনিও একটি নতুন উজ্জ্বল বাংলাদেশের নেতৃত্বে তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে পারবেন। আমরা নিশ্চিত তিনি পুরো বিশ্বের লাখ লাখ তরুণকে অনুপ্রাণিত করবেন। যার মধ্যে রয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।”

বিশ্বনেতারা বলেছেন, “বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ফিরিয়ে আনা এবং গণতন্ত্রের উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি অন্তর্বর্তী সরকার দিয়েছে আমরা সেটিকে সাধুবাদ জানাই। আমরা বিশ্বকে একটি নতুন এবং উন্নত সভ্যতার দিকে নিয়ে যেতে বাংলাদেশ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সব প্রচেষ্টাকে যে কোনোভাবে সমর্থন জানাতে প্রস্তুত আছি। কারণ অধ্যাপক ইউনূস এই বিষয়ে বারবার আমাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।’’

ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিবৃতিতে সই করা বিশ্বনেতাদের মধ্যে আছেন নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রো ব্রুন্ডল্যান্ড, রোমানিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এমিল কনস্টান্টিনেস্কু, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, বিশ্বব্যাংকের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাটস কার্লসন-সহ প্রমুখ।

এছাড়া শান্তি, অর্থনীতি, সাহিত্য, চিকিৎসা, রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী অন্তত ৯২ জনও আছেন ওই তালিকায়। তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ইরানের শিরিন এবাদি, কলম্বিয়ার হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস, পূর্ব তিমুরের রামোস-হোর্তা, মার্কিন-অস্ট্রিয়ান রসায়নবিদ মার্টিন কার্প্লাসসহ অনেকে আছেন।

‘বাংলাদেশের জনগণ ও পুরো বিশ্বের শুভবুদ্ধির নাগরিকদের জন্য বার্তা’ শিরোনামে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের পুরো পৃষ্ঠাজুড়ে বিজ্ঞাপন আকারে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়েছে।

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।