খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘টুস’ করে ফেলে দেয়া ও ‘চুবানোর’ হুমকি, শেখ হাসিনার নামে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
‘টুস’ করে ফেলে দেয়া ও ‘চুবানোর’ হুমকি, শেখ হাসিনার নামে মামলা

পদ্মা সেতুতে চুবিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে হত্যার হুমকি দেয়ার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে মামলা হয়েছে।

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আদালত এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক জুয়েল দেবের আদালতে নগরীর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সৌরভ পাল মামলাটি দায়ের করেন।

বাদীর আইনজীবী জানান, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করার নির্দেশ দেন। এই মামলার মধ্যে দিয়ে বাদি সঠিক বিচার পাওয়ার কথা জানান।

২০২২ সালের ১৮ মে এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপারসনের সমালোচনা করে বলেন, খালেদা জিয়া বলেছিল জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে। ওখানে চড়া যাবে না, ভেঙে পড়বে। এর সাথে যুক্ত ছিল তার (খালেদা জিয়ার) দোসররাও। তাদেরকে কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেয়া উচিত।

ড. ইউনূসকে উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, যিনি (ইউনূস) একটি এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো প্রকল্পের টাকা বন্ধ করেছে। তাকেও পদ্মা নদীতে নিয়ে দুটি চুবানি দিয়ে উঠিয়ে নেয়া উচিত। মরে যাতে না যায়। পদ্মা নদীতে চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেয়া উচিত। তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়।

এসব মন্তব্যের মাধ্যমে বিষোদগার করে বেগম খালেদা জিয়া ও দেশের একমাত্র নোবেল লরিয়েট ড. ইউনূসকে হত্যার সুপ্ত ইচ্ছা ব্যক্ত ও মানহানি করেছিলেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূসকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়ে এবং হত্যার ষড়যন্ত্র করে, হত্যার জন্য প্ররোচনা দিয়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন তথা ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষকলীগের সন্ত্রাসীদের প্ররোচিত করেছিলেন।

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘২০২২ সালের ১৮ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী একটি সংবাদ সম্মেলনে তার দেওয়া বক্তব্যে সাবেক বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সাহেবকে পদ্মা সেতু থেকে ফেলে দেওয়ার অভিপ্রায় জানান। যেটির দ্বারা তাদেরকে হত্যার সুপ্ত ইচ্ছা ব্যক্ত ও মানহানি হয়। তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় বাদী মামলা না করলেও বর্তমানে যেহেতু বাকস্বাধীনতা ফিরে এসেছে তাই নগর ছাত্রদলের একজন সাবেক নেতা বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।’

Feb2

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যরা অংশ নেন।

অনুমোদিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বিকেলে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট। এছাড়া বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আমির খসরুর প্রথম বাজেট উপস্থাপন।

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে এবং পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানিয়ে সই করবেন। ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে নতুন এই অর্থবছর।

চট্টগ্রামের ক্রীড়া উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ইসরাফিল খসরুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের ক্রীড়া উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ইসরাফিল খসরুর

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত পরিচালক ও ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ইসরাফিল খসরুকে সংবর্ধনা দিয়েছে চট্টগ্রাম ক্রীড়া সংগঠক পরিষদ। এ সময় চট্টগ্রামের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন ও খেলাধুলার প্রসারে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম চত্বরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামে খেলার মাঠের সংকট দূর করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম আউটার স্টেডিয়াম ও অনুশীলন মাঠের উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশন ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

বিসিবি পরিচালক ইসরাফিল খসরু বলেন, আমি কোনো মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য নই। তারপরও আপনারা আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন, তা আমি চিরদিন মনে রাখব। স্থানীয় জ্যেষ্ঠ ক্রীড়া সংগঠকদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করে যাব।অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়া খেলাধুলার উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ সময় তিনি এ খাতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চট্টগ্রাম ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের আহ্বায়ক হাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব এইচ এম রাশেদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মসিউল আলম স্বপন, সিজেকেএস ক্লাব উপদেষ্টা হাফিজুর রহমান, সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহীন আফতাব রেজা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দীন শামীম। আরও উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক মাহাবুবুর রহমান, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সভাপতি শাহাজাদা আলম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, মোহাম্মদ আজিজ, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল ও মঞ্জুর আলম মঞ্জু প্রমুখ।

বিরোধী দলের এলাকাতেও সমান উন্নয়ন হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
বিরোধী দলের এলাকাতেও সমান উন্নয়ন হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাস করে। তাই সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের মতো বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন কাজ করা হবে। একইসঙ্গে গঠনমূলক সমালোচনা থাকলে সরকার তা গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।

আজ (বুধবার) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনে সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

সংসদে ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যদের এলাকার উন্নয়ন ও কর্মপরিধি নিয়ে কথা বলেন। সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট আসন থাকলেও নারী সংসদ সদস্যদের সংবিধানে বা আইনে নির্দিষ্ট কোনো আসন নেই। তবে রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কাঠামোর ভিত্তিতে দলীয় অবস্থান থেকে তাদের কাজের জন্য কিছু জায়গা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

এলাকার উন্নয়নে সরাসরি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং নারী সংসদ সদস্য—উভয়েরই কাজ করার অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নের বিষয়ে সরকারি নিয়মানুযায়ী আমরা এগোচ্ছি। আপনার এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে আমার সহযোগিতা করার কিছু থাকলে জানাবেন, আমি সরাসরি সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।’

পরবর্তীতে সংসদ সদস্য আনিছুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের সুষম উন্নয়ন এবং বিরোধী দলের প্রতি সরকারের সহযোগিতার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

স্পিকারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকদিন আগে সংসদ কীভাবে চলবে সে বিষয়ে কমিটির একটি বৈঠক ছিল। সেখানে বিরোধীদলীয় নেতাও ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, ঈদের আগে সরকারের (এলজিইডি) পক্ষ থেকে দেওয়া কিছু সহযোগিতা হয়তো বিরোধীদলীয় অনেক সংসদ সদস্য পাননি। আমি ওই বৈঠক থেকে বেরিয়েই এলজিইডি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উভয়কেই সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশনা দিয়েছিলাম, বিরোধীদলীয় কোনো সংসদ সদস্য যদি না পেয়ে থাকেন, তবে যাতে দ্রুত সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের সম-উন্নয়নে বিশ্বাস করে। সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা যেভাবে এলাকার উন্নয়ন করবেন, ঠিক একইভাবে সরকারের সম্পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে বিরোধীদলীয় সদস্যবৃন্দ যারা আছেন, তাদের এলাকাতেও। আমরা সমানভাবে কাজ করার চেষ্টা করব।’

সরকারের পক্ষ থেকে উন্নয়ন সহযোগিতা দেওয়ার পরও সরকারি দলের বিরুদ্ধে যেসব অপপ্রচার হয়, সেগুলো বন্ধে বিরোধী দলের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে কি না—সাংসদ আনিসুর রহমান এমনটি জানতে চাইলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমার মনে হয় এ বিষয়ে আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে। সবেমাত্র শুরু হলো, লেট আস ওয়েট অ্যান্ড সি।’

এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এই সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার। কাজেই যদি গঠনমূলক কোনও সমালোচনা থাকে, অবশ্যই সেটি আমরা গ্রহণ করব এবং সেভাবে আমরা পদক্ষেপ নেব।’