খুঁজুন
, ,

শুভ জন্মদিন নগরবাউল জেমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 October, 2024, 10:54 am
শুভ জন্মদিন নগরবাউল জেমস

দেশের ব্যান্ড জগতের রকস্টার নগর বাউল জেমসের জন্মদিন আজ(০২ অক্টোবর)। ১৯৬৪ সালের আজকের এই দিনে রাজশাহীর নওগাঁয় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জীবনের ৫৯ বসন্ত পেরিয়ে ৬০ বছরে পা দিলেন এই গায়ক। তার পুরো নাম ফারুক মাহফুজ আনাম হলেও ভক্তদের কাছে নগর বাউল জেমস নামেই পরিচিত তিনি।

নওগাঁয় জন্মগ্রহণ করলেও জেমসের বেড়ে ওঠা এবং সংগীত জীবনের শুরুটা চট্টগ্রামে। তার বাবা ছিলেন ছিলেন একজন সরকারি কর্মকর্তা, যিনি পরবর্তীতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সঙ্গীত জেমসের পছন্দের হলেও তার পরিবার একবোরেই পছন্দ করত না। গানের জন্য বাবার সঙ্গে অভিমান করে কিশোর বয়সেই ঘর ছাড়েন তিনি।

পরে চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিং নামক একটি বোর্ডিংয়ে থাকতে শুরু করেন জেমস। সেখানে থেকেই শুরু হয় তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার। এহসান এলাহী ফানটি ও কিছু বন্ধুদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ফিলিংস’ নামক একটি ব্যান্ড এবং ব্যান্ডের প্রধান গিটারিস্ট ও কন্ঠদাতা হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেন জেমস। তবে পরবর্তীতে তিনি ফিলিংস ব্যান্ডের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেন ‘নগর বাউল’।

জেমস ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ব্যান্ড ‘ফিলিংস’। ১৯৮৭ সালে প্রথম অ্যালবাম ‘স্টেশন রোড’প্রকাশ পায়। ১৯৮৮ সালে ‘অনন্যা’নামের একক অ্যালবাম প্রকাশ করে সুপারহিট হয়ে যান জেমস।

এরপর ১৯৯০ সালে ‘জেল থেকে বলছি’, ১৯৯৬ সালে ‘নগর বাউল’, ১৯৯৮ সালে ‘লেইস ফিতা লেইস’, ১৯৯৯ সালে ‘কালেকশন অব ফিলিংস’অ্যালবামগুলো প্রকাশ পায়। এরপর ‘ফিলিংস’ভেঙে জেমস গড়ে তোলেন নতুন লাইনআপে ব্যান্ড ‘নগর বাউল’। এই ব্যান্ড ‘দুষ্টু ছেলের দল’এবং ‘বিজলি’অ্যালবাম দুটির মধ্যেই আটকে যায়।

২০০৪ সালে কলকাতার সংগীত পরিচালক প্রিতমের সঙ্গে গান নিয়ে কাজ করেন জেমস। ২০০৫ সালে বলিউডের ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমায় প্লেব্যাক করেন তিনি। এরপর ২০০৬ সালে আবারও বলিউড সিনেমা ‘চল চলে’ গানে কণ্ঠ দেন। ২০০৭ সালে তিনি ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ সিনেমায় প্লেব্যাক করেন। তার প্রকাশ পাওয়া সবশেষ গান ‘সবই ভুল’। ২০২৩ সালের ঈদুল ফিতরের চাঁদ রাতে এটি প্রকাশ পায়।

২০০০ সালের প্রথম দিকে পেপসির একটি বিজ্ঞাপন চিত্রে অংশগ্রহণ করেন জেমস। এটিই ছিল তার কাজ করা প্রথম বিজ্ঞাপন চিত্র। বিজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে প্রচার করা হয়। এরপর তিনি ২০১১ সালে এনার্জি ড্রিংক ব্ল্যাক হর্সের বিজ্ঞাপনে কাজ করেন।

জেমসের উল্লেখযোগ্য অ্যালবামগুলোর মধ্যে রয়েছে, স্টেশন রোড (১৯৮৭), জেল থেকে বলছি (১৯৯০), নগর বাউল (১৯৯৬), লেইস ফিতা লেইস (১৯৯৮), কালেকশন অব ফিলিংস (১৯৯৯), দুষ্টু ছেলের দল (২০০১) প্রভৃতি।

Feb2
Feb2

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 10:54 am
মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম নগরের বাজারে মাংস ও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৩৫ টাকা ডজন। পাঙাশ মাছের দামও দু’শ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি মাছের দাম বেশ চড়া দেখা গেছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ ও ট্যাংরা ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে কিছুটা বেড়েছে চাষের কই, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

আরও দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। প্রতি কেজি গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজরের ইদ্রিস মিয়া বলেন, এই সপ্তাহে চাষের মাছের দাম বেড়েছে। বাজারে মাছ কম আসছে। এ কারণে কিছু মাছের দাম বেশি। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা বিক্রি করছি। পাঙাশ ২২০ টাকা। তবে মরে গেলে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন আতাউর রহমান ও তার স্ত্রী। তারা জানান, ব্রয়লার আজকে ১৯০ টাকা কেজি কিনেছেন। গত মাসে মুরগির দাম কম ছিল। আজকে তো কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেশি মনে হচ্ছে।

এদিকে মাছের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়লেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।

আক্তারুজ্জামান নামে এক ক্রেতা বলেন, আমরা কী খাবো? সব কিছুর দাম তো বাড়ছে। বৃষ্টির কারণে বেড়েছে সবজির দাম। মাছের দাম বাড়াটা হয়ত ‍বুঝা যায় না। কিন্তু ১০ টাকা হলেও বেড়েছে। দাম বাড়লেও আমাদের খেতে হবে।

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কারোপ যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 8:53 am
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কারোপ যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি বাণিজ্য অংশীদার দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে ১০ শতাংশ ও ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। জোরপূর্বক শ্রম নিষেধাজ্ঞা শিথিলভাবে প্রয়োগের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাময়িক ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে নতুন এই শুল্ক ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টার থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে আরোপ করতে যাওয়া এই শুল্ক মার্কিন আমদানির ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হবে। তবে এতে তেল ও গ্যাস, সার এবং নির্দিষ্ট কিছু খাদ্য সামগ্রীর মতো অসংখ্য পণ্যে ছাড় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে জাতীয় জরুরি অবস্থা আইনের অধীনে ট্রাম্পের আরোপিত ১০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ ‘পারস্পরিক’ শুল্ক চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়। ট্রাম্পের প্রায়-বৈশ্বিক শুল্কের নির্বাচনি রূপরেখা ফিরিয়ে আনার জন্য এটি হোয়াইট হাউসের সর্বশেষ প্রচেষ্টা।

১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের সেকশন ৩০১-এর অধীনে এই নতুন শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। এটি সুপ্রিম কোর্টের ধাক্কা সত্ত্বেও প্রশাসনকে প্রায় সব ধরনের মার্কিন আমদানির ওপর ন্যূনতম শুল্ক স্তর বজায় রাখার সুযোগ দেবে। এই শুল্কগুলো ফেব্রুয়ারিতে বাতিল হওয়া শুল্কের চেয়ে আইনি ঝুঁকির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ সেকশন ৩০১ অতীতে আদালতের আইনি চ্যালেঞ্জগুলোতে টিকে থেকেছে।

ফেব্রুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জবাবে ট্রাম্প ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ সাময়িক শুল্ক আরোপ করেন। আজ শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে শেষ হচ্ছে। ঠিক একই মুহূর্তে নতুন এই শুল্ক কার্যকর হবে। তবে ট্রানজিটে বা পরিবহনে থাকা পণ্যগুলো ২৮ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত এই শুল্কের আওতামুক্ত থাকবে।

ওষুধের ১৭ কাঁচামাল আমদানিতে থাকছে না শুল্ক
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জ্যামিসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক শতাব্দী ধরে জোরপূর্বক শ্রম পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদেরও একই কাজ করার সময় অনেক আগে পার হয়ে গেছে। আজকের এই পদক্ষেপ মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিকৃত বাণিজ্য চর্চা—উভয়ই সংশোধন করতে শুরু করবে, যা সর্বত্র শ্রমিকদের কল্যাণ বাড়াবে।

গ্রিয়ার আগেও বলেছিলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করা যে দেশগুলোর মার্কিন শুল্কের হার নির্ধারণ করা রয়েছে, এই নতুন জোরপূর্বক শ্রম শুল্ক তাদের নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করবে না।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা, ব্রিটেন, কম্বোডিয়া, কানাডা, ইকুয়েডর, এল সালভেদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং ট্রিনিডাদ ও টোবাগোর পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সুইজারল্যান্ডকে এমন একটি হার বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আগে থেকে বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন শুল্ক হারের সাথে একত্রিত হয়ে মোট ১০ শতাংশ বা ১২.৫ শতাংশ হবে।

অন্য ৩৮টি দেশকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হার দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে চীন, যাদের বিরুদ্ধে উইঘুর সংখ্যালঘুদের কাজের ক্যাম্পে বন্দি রাখার অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র; তবে বেইজিং এই অভিযোগ অস্বীকার করে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 8:17 am
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামে (এআরএফ) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। এদিকে এআরএফ বৈঠকের সাইডলাইনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

এআরএফ বৈঠকে অংশ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গাসংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা দরকার। বিশেষ করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদার করা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তার বক্তৃব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদীয়মান প্রযুক্তির মানবকেন্দ্রিক এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের জন্য এআরএফের আওতায় একটি প্রযুক্তি শাসন কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এছাড়া, তিনি আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সামুদ্রিক বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

৩৩তম এআরএফ সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, শান্তি, প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়।

খলিলুর-জয়শঙ্কর শুভেচ্ছা বিনিময়

ফিলিপাইনের ম্যানিলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় বলা হয়, গতকাল দুই মন্ত্রী একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান।

আরসিইপিতে সম্পৃক্ত হতে সিংগাপুরের সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ

ম্যানিলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিলুর রহমান এবং সিংগাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় খালিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান সিংগাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় সিংগাপুরসহ ছোট রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমত্কার কূটনৈতিক ও মানুষে মানুষে সম্পর্ককে আরো কার্যকর ও ফলপ্রসূ উদ্যোগে রূপ দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। এক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন এবং বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সিংগাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশি প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি সিংগাপুরে বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের বিষয়টিকে স্বাগত জানান। বৈঠকে খলিলুর রহমান আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার বাংলাদেশের আগ্রহে সিংগাপুরের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি তিন রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-এ বাংলাদেশের সম্পৃক্ততার বিষয়েও দেশটির সমর্থন প্রত্যাশা করেন। এছাড়া, রোহিঙ্গাসংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে সিংগাপুরের সহযোগিতা চান খলিলুর রহমান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও সিংগাপুরের মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করার চলমান প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সহযোগিতা বাড়াতে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এদিকে এআরএফের সাইডলাইে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রন্ত্রী এবং ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, পর্যটন, মানবিক সহায়তা এবং বহুপাক্ষিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতাসহ দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে তার দায়িত্ব পালনকালে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এসব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।