খুঁজুন
, ,

নকলের বিরুদ্ধে সর্বস্তরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে : রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 January, 2020, 11:34 pm
নকলের বিরুদ্ধে সর্বস্তরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বন করাকে লজ্জাজনক বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচারণা চালানোর আহবান জানিয়েছেন।

তিনি আজ এখানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসাবে ভাষণ প্রদানকালে এ আহবান জানান।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, সকল পযার্য়ে পরীক্ষায় অসাধু উপায়ের বিরুদ্ধে সবার্ত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮,২৮৪ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সনদ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া আরো ১১ জন এমফিল এবং ৬ জন পিএইচডি সনদ লাভ করেন।

রাষ্ট্রপতি পরীক্ষায় এ ধরনের অসাধু উপায় অবলম্বনের বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমার লজ্জা হয় যখন শুনি, পরীক্ষার হলে শিক্ষকরা পরীক্ষার্থীদেরকে নকল সরবারহ করেন এবং বাবা-মায়েরা পর্যন্ত পরীক্ষার হলে উত্তর পত্র সরবরাহ করেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা বাস্তবিকই দুর্ভাগ্যজনক, কলংকজনক ও হতাশাজনক। তিনি এই অভিশাপ প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে বিশেষ করে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পরীক্ষায় এ ধরনের অসাধু উপায় অবলম্বনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং আমি কি বলতে চাচ্ছি, শিক্ষার্থীদের তা উপলব্ধি করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, আমি আমার জীবনে পরীক্ষায় কয়েকবার ফেল করেছি। কিন্তু কখনো পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বন করিনি। এমনকি পরীক্ষার হলে প্রশ্নের উত্তর কি হবে, এ বিষয়ে কখনো কারো কাছে জানতে চাইনি। এ জন্য আমি নিজে গর্ববোধ করি।

নগরীর পুরানো ঢাকায় ধূপখোলা খেলার মাঠে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসাবে বিশিষ্ট পদার্থবিদ অধ্যাপক ইমেরিটাস ড. অরুন কুমার বসাক বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, জবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমেদও বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে কয়েকজন সংসদ সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি পেশার মযার্দা বিবেচনায় রেখে যে কোন ধরনের অনৈতিক চর্চা পরিহার করে তাদের স্ব স্ব দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তাদের সততা, নিষ্ঠা ও পারদর্শিতা প্রমাণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাকে ভাবতে হবে, আপনি যদি কোন অনিয়মের প্রশ্রয় দেন অথবা কোন দুর্নীতিতে জড়ান, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি কি হবে।

রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স পরিচালনায় শিক্ষকদের আগ্রহ প্রবণতায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এতে তাদের নিজ নিজ বিভাগে তাদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন ব্যাহত হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য নির্বাহী হিসাবে উপাচার্যগণকে অবশ্যই এ ধরনের কর্মকান্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি উপাচার্যগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদেরকে অবশ্যই আপনাদের প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি সাবির্ক শিক্ষা কর্মকান্ড মনিটর করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু বিশেষ করে ট্রাফিক আইন লংঘনের প্রবণতার প্রতি শিক্ষার্থী এবং নতুন গ্রাজুয়েটদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় আইন মেনে চলতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে তাদের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন।

তিনি বলেন, ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে, অথচ কেউ এটি ব্যবহার করে না, তিনি এ ব্যাপারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানান।

রাষ্ট্রপতি স্যাটেলাইট সংস্কৃতির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী বাঙ্গালী সংস্কৃতি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এ বিষয়ে একটি দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্যাটেলাইট সংস্কৃতির প্রভাব সত্ত্বেও বাঙ্গালী সংস্কৃতির ঐতিহ্য বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে হবে। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও চেতনা সমুন্নত রাখতে গ্রাজুয়েটদের প্রতি আহবান জানান।

তিনি বলেন, একজন সুনাগরিক হতে হলে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানার কোন বিকল্প নেই। এটি সমাজে সমতা, মানবতা ও ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রেও প্রয়োজন।

রাষ্ট্রপতি ডিগ্রি অর্জনের জন্য গ্রাজুয়েটদের অভিনন্দন জানান এবং মিথ্যা ও অন্যায়ের পক্ষাবলম্বন না করার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘দেশ আগামীদিনে তোমাদের সৃজনশৃলতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সমৃদ্ধ ও উন্নত হবে’। রাষ্ট্রপতি আরো আশা প্রকাশ করেন যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তারা দেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

১৫০ বছরের পুরানো এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৮৬৩ সালে প্রথমে ব্রাহ্ম স্কুল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি পরবর্তীতে জগন্নাথ কলেজ এবং ২০০৫ সালে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়।

Feb2
Feb2

দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:13 pm
দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে৷ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রশিদের পুকুর এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। কোথায় কী লাগবে, কী প্রয়োজন—সবকিছু তিনি জানেন। গতকালও তিনি আমাকে বলেছেন, আপনি সেখানে যান, কী কী লাগবে দেখে আসেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আজ আপনাদের মাঝে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আপনাদের খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি দেশের মানুষের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টাই চিন্তা করেন। সরকার যে কোনো দুর্যোগে আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা দিতে প্রস্তুত।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:26 pm
প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গত মানুষও যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ দিন ধরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামে এসে প্রশাসনের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ধাপে ধাপে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরইমধ্যে চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগের দিন দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুর্যোগ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও সহায়তা পৌঁছে দিতে কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

তিনি আরও জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে ত্রাণের পরিমাণ আরও বাড়ানো হচ্ছে। কোনো দুর্গত মানুষ যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্গঠন কার্যক্রমও আরও জোরদার করা হবে।