খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিপ্লব উদ্যানে গ্রিন পার্কই হবে, হাইকোর্টে গিয়ে লাভ হবে না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৪, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
বিপ্লব উদ্যানে গ্রিন পার্কই হবে, হাইকোর্টে গিয়ে লাভ হবে না

বিপ্লব উদ্যানে গ্রিন পার্কই হবে তাই বাণিজ্যিকরণ করতে হাইকোর্টে গিয়ে কোনো লাভ হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, বিপ্লব উদ্যানে যারা মাফিয়া চক্র, সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে বার বার বাণিজ্যিকরণ করা হয়েছে। সেখানে শহীদ জিয়াউর রহমানের ইতিহাতের যে পটভূমি, সেটা সুন্দরভাবে লিখিত থাকবে। এটা একটা গ্রিন পার্ক হবে। সবুজের সমারোহ থাকবে। মানুষ হাঁটতে পারবে এবং সেখানে বসতে পারবে। কোনো বাণিজ্যিকরণ সেখানে হবে না। মাফিয়াদের চক্র সেখানে চলবে না। সেখানে ভেঙে দিয়েছি। ভেঙে দেওয়ার প্রেক্ষিতে অনতিবিলম্বে সেটা পার্কের কাজ করা হবে। অনেক চক্র বিভিন্নভাবে হাইকোর্টে যাচ্ছে যাতে সেখানে পার্ক করতে না পারি। আমি তাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, হাইকোর্টে গিয়ে কোনো লাভ হবে না।

তিনি মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ড্যাব চট্টগ্রাম শাখার সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মেডিকেল ক্যাম্প উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডা. ফয়েজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ডা. মো. ইমরোজ উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে রক্তদান কর্মসূচী উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে এই কর্মসূচিতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ সরবরাহ করা হয়। তাছাড়া চট্টগ্রাম রেড ক্রিসেন্টের সহযোগিতায় রক্ত সংগ্রহ করা হয়।

এসময় মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত বলেন, ওয়াসিম, মুগ্ধ, সাইদসহ ৮৭৫ জন ছাত্র জনতা বিএনপি নেতাকর্মীদের রক্তস্নাত এ বাংলাদেশ। তাদের এ আত্মত্যাগের মাধ্যমে আজকে একটি নতুন বাংলাদেশের উদ্ভব হয়েছে। পরিবেশ দূষণ যারা করে, যারা বাণিজ্যিকরণ করে, তারা চট্টগ্রামবাসীকে পার্ক ব্যবহার করতে দেয়নি, বাচ্চাদের সেখানে যেতে পারেনি, মা বোনরা সেখানে বসতে পারেনি, হাঁটতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমি বলতে চাই, আমি চট্টগ্রামের মেয়র নয়, চট্টগ্রামের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন। মনে রাখবেন, এ চট্টগ্রাম আমার একার নয়, এ চট্টগ্রাম সবার। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম নগরকে একটা গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি এবং হেলদি সিটি করবো, ইনশাআল্লাহ।

আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেন, রক্তদান মানব জগতের সবচেয়ে বড় ও নিঃস্বার্থ উপহার। স্বেচ্ছায় রক্তদান বাঁচাতে পারে অনেকের প্রাণ। রক্তদানের বিষয়ে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করে রক্তদানের অমূলক ভীতি দূর করতে হবে। রক্তের অভাবে দেশে প্রতিবছর অনেক রোগীর প্রাণ সংকটের মুখে পড়ে। রক্তদান একটি মহৎ কাজ। রক্তদানের মাধ্যমে আমরা অন্যের জীবন বাঁচাতে পারি। একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কেউ জীবন হারাবে না। নিয়ম মেনে রক্তদান করলে মানবদেহের ক্ষতি হয় না। তাই নিয়মিতভাবে আমাদের রক্তদান করা উচিত।

এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, ড্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, ড্যাব চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, বিএমএ চট্টগ্রামের সাবেক সহ সভাপতি ডা. কামরুন্নাহার দস্তগীর, মহানগর ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. ইফতেখার লিটন, মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ইস্কান্দর মির্জা, মজিবুল হক, মো. কামরুল ইসলাম, জাফর আহমেদ, মো. আজম, আশরাফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ড্যাবের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এস এম সারোয়ার আলম, চমেক ড্যাবে যুগ্ম সম্পাদক ডা. ঈসা চৌধুরী, চসিক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হোসনে আরা বেগম, ড্যাব নেতা ডা. তানভীর তান্না, ডা. মোনায়েম ফরহাদ, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. রিয়াসাত, ডা. মেহেদী হাসান, ডা. জোনায়েদ রায়হান প্রমূখ।

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।