খুঁজুন
রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাসের জন্য আ.লীগ আমলে ২০ কোটি টাকা ঘুস দিয়েছি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
গ্যাসের জন্য আ.লীগ আমলে ২০ কোটি টাকা ঘুস দিয়েছি

আওয়ামী লীগের শাসনামলে শিল্প কারখানায় গ্যাস সংযোগ পেতে ২০ কোটি টাকা ঘুস দিতে হয়েছে জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন বলেছেন, শিল্প কারখানায় বিনিয়োগের পর গ্যাস পেতে নিজের টাকায় ৪০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করতে হয়েছে। এই পাইপলাইন নির্মাণে শুধু রোড কাটিং বাবদ আমি ২০ কোটি টাকা ঘুস দিয়েছি। আর এই ঘুস দেওয়ার জন্যও আমাকে ঘুস দিতে হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

সেখ বশির উদ্দিন বলেন, গ্যাসের জন্য জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর বাসার সামনে আমাকে বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। তার কাছ থেকে অনেক লেকচার শুনতে হয়েছে। মিনিমাম সম্মান পর্যন্ত পাইনি। তারপরও জ্বি স্যার, জ্বি স্যার বলতে হয়েছে। কিছু কিছু মানুষের সিটিস্ক্যান করে তাদের ব্রেন দেখার ইচ্ছা হচ্ছে আমার। মানুষ কীভাবে এত ক্রিমিনাল হতে পারে?

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, আমি জ্বালানি উপদেষ্টাকে এক মিটিংয়ে বলতে শুনেছি যে জ্বালানি খাত দুর্নীতির অন্যতম স্তম্ভ। সেখান থেকে আমাদের বের হতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ভোলার গ্যাসক্ষেত্রে আবিষ্কৃত গ্যাস সিএনজি বা এলএনজি ফরম্যাটে আনার জন্য আগামী ডিসেম্বরে দরপত্র আহ্বান করা হবে।

ফাওজুল কবির বলেন, ভোলায় ৭০ এমএমসিএফ গ্যাস পাওয়া গেলেও পাইপলাইন না থাকায় ওই গ্যাস ঢাকায় বা শিল্প এলাকায় আনা যাচ্ছে না। ভোলার গ্যাস ঢাকায় আনার জন্য আমরা ডিসেম্বরেই ওপেন টেন্ডার দিচ্ছি। আগ্রহী ব্যবসায়ীরা দরপত্রে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এলএনজি বা সিএনজি ফরম্যাটে এই গ্যাস ঢাকায় আনতে পারবেন। ভোলার গ্যাস ঢাকায় আনা গেলে শিল্পে গ্যাসের সংকট কিছুটা হলেও কমবে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ভোলা থেকে গ্যাস আনার টেন্ডার আহ্বান করা হবে। এছাড়া ৯ ডিসেম্বর অফশোর বিডিং টেন্ডার ওপেন করা হবে। আগামী বছরের শুরুতেই বিশ্বের নাম করা জ্বালানি কোম্পানির সঙ্গে অফশোরের গ্যাস নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারব বলে আশা করি। তিনি বলেন, পাবর্ত্য এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস পাওয়ার বিপুল সম্ভাবনা আছে। এসব এলাকার গ্যাস অনুসন্ধানে অনশোর বিডিং ওপেন করার প্রস্তুতি চলছে। আশা করছি আগামী মার্চের মধ্যে অনশোর বিডিং করা সম্ভব হবে।

Feb2

চট্টগ্রামে তিন খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সংক্ষিপ্ত বিচারিক কার্যক্রমে তিনটি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিভিন্ন অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনা এবং নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের দায়ে এ জরিমানা করা হয়।

শনিবার (২০ জুন) চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম মহানগরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা।

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার আদেশ দেন।

অভিযানে আবুল খায়ের ফুড অ্যান্ড বেভারেজে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণে বিষাক্ত প্লাস্টিকজাতীয় পদার্থের উপস্থিতি, চানাচুর, চিড়া ও বুট উৎপাদনে পোড়াতেল ব্যবহার, প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় বর্জ্য পদার্থ সংরক্ষণ, খাদ্যপণ্যের মোড়কীকরণে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ না করা, বিভ্রান্তিকর তথ্য সংযোজন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ম্যাংগো ফ্রুট পাল্প সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ এবং খাদ্য কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি না মানাসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি পাওয়া যায়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে মধুবন সুইটস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, বিভিন্ন পোকামাকড়ের অবাধ বিচরণ, নিম্নমানের খাদ্যপণ্য উৎপাদন, বর্জ্য পদার্থ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহার, খাদ্য স্পর্শক হিসেবে খোলা কাগজ ও খবরের কাগজ ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে মোড়কীকরণ না করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অপরদিকে ময়মনসিংহ অ্যাগ্রোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণসহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোহাম্মদ ফারহান ইসলাম বলেন, খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে আবুল খায়ের ফুড অ্যান্ড বেভারেজকে ১৬ লাখ টাকা, মধুবন সুইটস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ১৫ লাখ টাকা এবং ময়মনসিংহ অ্যাগ্রোকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইকুয়েডরকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইকুয়েডরকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও

প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হার। বিশ্বকাপের অভিষেক মঞ্চে এমন এক হতাশাজনক শুরুর পর খুব কম মানুষই কুরাসাওয়ের কাছ থেকে বড় কিছু প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই সবাইকে চমকে দিল ক্যারিবীয় দ্বীপদেশটি। দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল ইকুয়েডরকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ফল তুলে নিয়েছে কুরাসাও।

রোববার (২১ জুন) কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল ইকুয়েডরের। একের পর এক আক্রমণ সাজিয়ে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা। এর প্রধান কারণ ছিলেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রুম। পুরো ম্যাচজুড়ে অসাধারণ দৃঢ়তা ও মনোযোগ ধরে রেখে ইকুয়েডরের একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি।

ম্যাচে মোট ১৫টি সেভ করেছেন রুম, যা বিশ্বকাপের মঞ্চে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সেরা গোলকিপিং প্রদর্শনী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও বারবার তাদের হতাশ করেছেন এই গোলরক্ষক। দূরপাল্লার শট, বক্সের ভেতরের সুযোগ কিংবা হেড সব ধরনের প্রচেষ্টাই ঠেকিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড এখনও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোলরক্ষক টিম হাওয়ার্ডের দখলে। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তিনি ১৬টি সেভ করেছিলেন। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১৫টি সেভ করে সেই রেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন রুম।

ম্যাচের আগে কাগজে-কলমে পরিষ্কার ফেভারিট ছিল ইকুয়েডর। বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা, খেলোয়াড়দের মান এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স সবদিক থেকেই এগিয়ে ছিল দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা। কিন্তু মাঠে নিজেদের পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করে কুরাসাও। শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ, কঠোর পরিশ্রম এবং গোলরক্ষকের অনবদ্য নৈপুণ্যে ইকুয়েডরের আক্রমণভাগকে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দেয় তারা।

প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে সাত গোল হজম করা দলটির জন্য এই ফল শুধু একটি পয়েন্ট নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও বড় উপলক্ষ। বিশ্বকাপের মতো আসরে প্রথমবারের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পয়েন্ট অর্জন কুরাসাওয়ের ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেবে।

অন্যদিকে, ইকুয়েডরের জন্য এটি হতাশার ফল। নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট হারিয়েছে তারা। ম্যাচজুড়ে আধিপত্য দেখিয়েও গোল করতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলটিকে।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে কুরাসাওয়ের খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছিল, তাদের কাছে এই ড্রয়ের মূল্য কতটা। জয়ের সমান আনন্দ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ক্যারিবীয় দেশটি। আর সেই আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন গোলরক্ষক এলয় রুম, যার বীরত্বেই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও।

প্রথমে গোল হজমের পরও জয়, দ্বিতীয় রাউন্ডে জার্মানি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ
প্রথমে গোল হজমের পরও জয়, দ্বিতীয় রাউন্ডে জার্মানি

ম্যাচের অর্ধেকটা সময়জুড়ে ছিল আইভরি কোস্টের আধিপত্য। প্রথমার্ধে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের স্তব্ধ করে লিডও নিয়েছিল আফ্রিকান দলটি। কিন্তু ফুটবল যে ৯০ মিনিটের খেলা, তা আরও একবার প্রমাণ করল জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধে ডেনিজ উন্দাভের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতেছে তারা।

আর এই জয়ের মাধ্যমে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে জার্মানি। দুই ম্যাচে ২ জয়ে সর্বোচ্চ ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষে অবস্থান তাদের। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রয়েছে আইভরি কোস্ট।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে সমানে সমানে লড়াই চলছিল। তবে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে চমৎকার এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আইভরি কোস্টকে এগিয়ে নেন তারকা মিডফিল্ডার ফ্রাঙ্ক কেসি। বাম প্রান্ত দিয়ে তৈরি হওয়া আক্রমণ থেকে ডি-বক্সের ভেতর বল পেয়ে নিখুঁত শটে জার্মানির জাল কাঁপান তিনি। ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করায় জার্মানির শিবিরে তখন ঘোর বিপর্যয়।

প্রথম গোল হজম করার আগে ও পরে দুবার আইভরি কোস্টের জালে বল পাঠিয়েছিল জার্মানি। কিন্তু দুটি গোলই বাতিল হয়।

ম্যাচের ২১তম মিনিটে জার্মানি একটি কর্নার পায়। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলটি ডি-বক্সের ভেতর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চমৎকার শটে আইভরি কোস্টের জালে জড়িয়ে দেন জার্মান মিডফিল্ডার আলেকজান্ডার পাভলোভিচ।

গোলটি হওয়ার পরপরই আইভরি কোস্টের খেলোয়াড়রা ফাউলের দাবি জানান। রেফারি মাঠের সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখে ভিএআরের মাধ্যমে গোলটি বাতিল করেন।

বিরতির ঠিক আগে ডি-বক্সের ডান প্রান্ত থেকে লেরয় সানের একটি নিচু ক্রসে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান স্ট্রাইকার কাই হাভার্টজ। গোল উদযাপনের মুহূর্তেই লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলেন। ফলে প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আইভরি কোস্ট।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠের চিত্র পুরোপুরি বদলে দেন জার্মান কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান। ম্যাচের ৬১তম মিনিটে একযোগে তিন বদলি খেলোয়াড় মাঠে নামিয়ে যে জুয়া তিনি খেলেছিলেন, তা-ই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে নাদিয়েম আমিরির বাড়ানো মাপা ক্রসে দুর্দান্ত এক ভলিতে জার্মানিকে ১-১ সমতায় ফেরান বদলি নামা ডেনিজ উন্দাভ। সমতা ফেরার পর আইভরি কোস্টের রক্ষণভাগ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। সেই সুযোগে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে আইভরি কোস্টের ডিফেন্সের মারাত্মক এক ভুলের সুযোগ নিয়ে জয়সূচক গোলটি তুলে নেয় জার্মানি। ম্যাচটি শেষ হয় ২-১ গোল ব্যবধানে।