খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংখ্যালঘু নির্যাতন প্রশ্নে ইসকন ও সনাতন সম্প্রদায়ের নেতাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা-হইচই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ
সংখ্যালঘু নির্যাতন প্রশ্নে ইসকন ও সনাতন সম্প্রদায়ের নেতাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা-হইচই

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে রংপুর জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয় মিলনায়তনে জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) নেতারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে অভিযোগ করলে তার প্রতিবাদ করেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে দুই পক্ষের নেতাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হইচই হয়। এ অবস্থায় সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে শান্ত করেন পুলিশ সুপার ও অন্য নেতারা।

জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, সনাতনী ধর্মীয় নেতা উত্তম কুমার সাহা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মহানগর সভাপতি সুব্রত সরকার মুকুল, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ধীমান ভট্টাচার্য, পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাম জীবন কুন্ডু, কেরামতিয়া মসজিদের ইমাম মাওলানা বায়েজীদ আহমেদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ উদ্দিন ইমতিসহ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।

সভায় ইসকন সমর্থিত দুই নেতা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুই দলই সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করে। এখনও সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে। ইসকন কোনও মৌলবাদী সংগঠন নয়। এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে পালটা বক্তব্য রাখেন পূজা উদযাপন পরিষদ আর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেন সুব্রত সরকার মুকুল ও ধীমান ভট্টাচার্য। এ নিয়ে শুরু হয় হইচই ও উত্তেজনা।

পূজা উদযাপন পরিষদের জেলার সাধারণ সম্পাদক রাম জীবন কুন্ডু বলেন, ‘রংপুরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। ইসকনকে আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি মনে করি না।’

মহানগর সভাপতি সুব্রত সরকার মুকুল বলেন, ‘এখানে সমস্যা ইসকনের এক নেতাকে নিয়ে। বিষয়টিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন বললে তো হবে না। এজন্য প্রতিবাদ করেছি আমরা।’

সভায় ইমতিয়াজ উদ্দিন ইমতি অভিযোগ করে বলেন, ‘সংখ্যালঘুরা ভারতপ্রীতি বন্ধ না করলে সমস্যা থাকবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুব ভালো। একে অপরের বাড়িতে যাতায়াত ও খাওয়াদাওয়া করি। কিন্তু একটি মহল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।’

বিএনপি নেতা খয়রাত হোসেন ও জামায়াত নেতা সালাম বলেন, রংপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে পতিত ফ্যাসিবাদীরা ইসকনকে দিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে, কিন্তু তারা সফল হবে না।

রংপুর কেরামতিয়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা বায়েজিদ আহম্মেদ বলেন, দেশে ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম হলে অমুসলিম ভাইয়েরা আরও বেশি স্বাধীনতা পাবেন।’

পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘পত্রিকাসহ গণমাধ্যমগুলো চটকদার শিরোনাম করে। যা দেখে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। অথচ খবরের ভেতরে কিছু থাকে না। বিষয়টি দেখা উচিত।’

এদিকে, সভা শেষে পুলিশ সুপার কার্যালয় চত্বরে ইসকন ও হিন্দু নেতাদের আরেক দফা বাগবিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…