খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৈয়দপুরে টেন্ডার ছাড়াই ২৫টি গাছ কেটে সাবার করেছেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে টেন্ডার ছাড়াই ২৫টি গাছ কেটে সাবার করেছেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ কর্তৃৃৃপক্ষের কোন প্রকার অনুমতি না নিয়ে টেন্ডার ছাড়াই ২৫ টি ফলজ ও বনজ গাছ কেটেছেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা।

বিগত ৫ দিন থেকে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসারের কার্যালয় চত্বরের গাছগুলো কাটার পর তা প্রকাশ্যেই পাচার করে দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। সরকারী গাছ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে কাটার পরও তিনি তা অস্বীকার করে মিথ্যেচার করছেন এবং নানা অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টিকে জায়েজ করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রশাসনকে অবগত করা হলেও এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায়।

১৩ জানুয়ারি সোমবার বিকালে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, সৈয়দপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড নয়াটোলা এলাকায় উপজেলা প্রানি সম্পদ অফিসারের কার্যালয়ে প্রধান ভবনের পশ্চিম পাশের বিশালাকৃতির একটি কদম গাছের কাটা গুড়ি ও ডালপালা পড়ে আছে। যা কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে গাছকাটার পাইকার ও কাঠুরেরা তাদের যন্ত্রপাতি ফেলে রেখেই পালিয়ে যায়। এছাড়া অফিস চত্বরের চারপাশের প্রায় ২৫টি গাছ কেটে তা আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে আমগাছ ৬টি, কাঠাল গাছ ৬টি, ঘোড়ানিম গাছ ৬টি, মেহগনি ৫টি, বাতাবি লেবু গাছ ১টি। এ গাছগুলোর শুধুমাত্র গোড়াগুলো দেখা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে অনেক গাছের গোড়াও মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। যা মাটি খুড়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ওই স্থানের গাছও কাটা হয়েছে। যে গাছগুলোর কোন কান্ড বা ডালপালার কোন হদিস নেই। এগাছগুলোর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা।

স্থানীয়রা জানান, গত প্রায় ৫দিন থেকে প্রানি সম্পদ কার্যালয়ের গাছগুলো কাটা হচ্ছে। এ ব্যাপারে অফিসের লোকজনের কাছে জানতে পারেন যে টেন্ডারের মাধ্যমেই গাছ কাটা হচ্ছে। তাই তারা বিষয়টি নিয়ে উচ্চবাচ্য করেননি।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর উপজেলা প্রানি সম্পদ অফিসের ভেটেনারী সার্জন ডাঃ রফিকুল ইসলাম জানান, গাছগুলো কাটা হয়েছে অফিস ভবনটি রক্ষার জন্য। গাছের কারণে ভবনটি ড্যামেজ হয়ে যাচ্ছিল। তাছাড়া আমরা ঠান্ডার কারণে অফিসে বসতে পারছিনা। তাই রোদের ব্যবস্থা করার জন্যই গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।

উপ-সহকারী প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা দিলাল সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে চরম বিরক্তিভাব প্রকাশ করে বলেন, এটা আমাদের প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যাপার। এ সামান্য বিষয় নিয়ে আপনারা ছুটে এসেছেন। অথচ এখানে কোন জীবিত গাছই কাটা হয়নি। মরা গাছগুলো অনেকদিন থেকে পড়ে আছে যা জঙ্গলের সৃষ্টি করেছে তাই কেটে ফেলা হয়েছে। এখন এটা নিয়ে কারো মাথাব্যাথা থাকার কথা নয়। তারপরও যদি কেউ নাক গলাতে আসেন তাহলে আমি অত্যন্ত পজেটিভলি বলছি তা ভালো হবেনা। উপস্থিত সংবাদকর্মীরা তার আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

উপজেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রাশেদুল হক জানান, মূলতঃ একটি মাত্র কদম গাছ কাটা হয়েছে। তাও গাছকাটার কর্মীদের ভুলের কারণে। অফিসের দক্ষিন-পশ্চিম পাশের বাড়ি ওয়ালার অভিযোগের কারণে ওই গাছটির ডাল কাটার জন্য মজুর লাগানো হয়েছিল। তারা আমার অনুপস্থিতিতে পুরো গাছটিই কেটে ফেলেছে। তাছাড়া আর কোন জীবিত গাছ কাটা হয়নি। উত্তরদিকের মাত্র ৫টি গাছ কাটা হয়েছে। সেগুলো সব মৃত ছিল। তাই ওই গাছগুলো কাটার ক্ষেত্রে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা বন বিভাগের কোন অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করিনি।

উপজেলা সামাজিক বনায়ন, নার্সারী ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হাসান জানান, এ ধরণের কোন আবেদন আমাদের এখানে করা হয়নি। বিষয়টি আমরা জানিনা। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ উপজেলা প্রশাসন দেখবেন।

নীলফামারী জেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোনাক্কের আলীকে বিষয়টি মুঠোফোনে অবগত করা হলে তিনি জানান, গাছ কাটার ব্যাপারে কোন প্রকার অনুমতি নেওয়া হয়নি। তবে আজ উপজেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা মুঠোফোনে একটি গাছে ডাল কাটার বিষয়ে অবগত করেছেন মাত্র। এ ব্যাপারে প্রাপ্ত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিসিয়াল কাজে দেশের বাইরে অবস্থান করায় উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) পরিমল কুমারকে বিষয়টি অবগত করা হলে তিনি জানান, একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়ে যদি তিনি এমন অনিয়মতান্ত্রিক কাজ করে থাকেন তাহলে সেখানে আমার আর কি করা থাকে। তিনি এ ব্যাপারে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেননি।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।