খুঁজুন
, ,

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সবসময় সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 February, 2025, 9:55 am
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সবসময় সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের সবসময় সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাজধানীর চারটি থানা (মিরপুর, দারুসসালাম, আদাবর ও মোহাম্মদপুর) পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ঘুমাতে পারে ও নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অফিসারদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ফোর্স ও টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক ও সজাগ রয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থাপিত চেকপোস্টগুলোও ফাংশন করছে। যৌথবাহিনীর অপারেশনও ভালোভাবে চলছে।

তিনি বলেন, থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে চলছে। থানাসমূহ সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা দেখতেই এ পরিদর্শন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোরের দিকে দায়িত্বে শিথিলতা দেখায়। এ সুযোগে সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা নানা রকম অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করার চেষ্টা করে। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি তারা যেন এসময়েও সজাগ ও সতর্ক থাকে।

চলমান যৌথ অভিযান আর কতদিন চলবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হলে যৌথ অভিযান বন্ধ করা হবে। তবে অন্যান্য অভিযান চলমান থাকবে।

তিনি আরও জানান, গতকাল গুলশান থানায় দায়িত্বে অবহেলা করায় একজন এসআই ও একজন কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

এর আগে উপদেষ্টা তার বারিধারাস্থ ডিওএইচএস এর বাসা থেকে বের হয়ে ইসিবি চত্বর, কালশী, পল্লবী, মিরপুর-১০ হয়ে মিরপুর থানায় পৌঁছান। পরিদর্শন শেষে সেখান থেকে মিরপুর-১ হয়ে দারুসসালাম থানায় যান। দারুসসালাম থানা থেকে টেকনিক্যাল মোড়, শ্যামলী হয়ে আদাবর থানা পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে মোহাম্মদপুর থানায় যান। মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শন শেষে ধানমন্ডি ২৭, সংসদ ভবন, বিজয় সরণি, মহাখালী, বনানী হয়ে বারিধারার বাসায় ফিরে আসেন।

থানাসমূহ পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা থানার অভ্যর্থনা কক্ষ, হাজতখানা-সহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা ঘুরে দেখেন। তিনি ডিউটি অফিসার-সহ কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন।

Feb2
Feb2

কেবল শিক্ষাই জেলে পল্লীর ভাগ্য বদলাতে পারে: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 9:24 pm
কেবল শিক্ষাই জেলে পল্লীর ভাগ্য বদলাতে পারে: ডিসি জাহিদ

শিক্ষাই উপকূলীয় জেলে সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দারিদ্র্য, অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকিপূর্ণ জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরের ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ হালিশহরের আকমল আলী ঘাট বেড়িবাঁধ এলাকায় স্বপ্নীল মডেল একাডেমিতে আয়োজিত মানবিক সহায়তা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ৫০ বছর আগে যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে যেতেন, আজও যদি একই পদ্ধতিতে তাঁদের যেতে হয়, তাহলে সেই ব্যবস্থার পরিবর্তন জরুরি। আর এই পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হলো শিক্ষা।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নত হলেও জেলে ও চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে, পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীকেও নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে উদ্যোগী হতে হবে।

জেলে পরিবারের অভিভাবকদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, সন্তানদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠাতে হবে। শুধু বই, খাতা বা পোশাক দিলেই হবে না, শিক্ষার মাধ্যমে তাঁদের আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, “আপনাদের সন্তানরা যেন আগের মতো ঝুঁকি নিয়ে সাগরে না যায়। তারা যেন শিক্ষা, জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তি নিয়ে মাছ আহরণে যায়। বাবা-মা হিসেবে কিছু কষ্ট স্বীকার করতে হবে। নিজের ও সন্তানের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এই কষ্ট প্রয়োজন।”

জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ মানুষ। শিক্ষা, দক্ষতা ও প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষকে যুক্ত করা গেলে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে। একজন মৎস্যজীবীকেও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তিনি নিজের পেশার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারেন।

সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর ভাষায়, একজন জেলে সাগরে গেলে প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা, পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জানা সম্ভব হওয়া উচিত। “আমরা চাই না, একজন জেলে ভাই সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ থাকবেন, অথচ তাঁর অবস্থান কেউ জানতে পারবে না।”

তিনি জানান, মৎস্যজীবী ও চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে তিনি জেলেদের উদ্দেশে বলেন, নিজেদের প্রয়োজন ও সমস্যার কথা প্রশাসনকে জানাতে হবে। “আপনারা যদি সমস্যার কথা না জানান, তাহলে আমরা কীভাবে বুঝব? আপনারা প্রয়োজনগুলো জানাবেন, আমরা আপনাদের পাশে থাকব।”

উপকূলীয় জেলে পরিবারের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে নবপ্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির বিদ্যুৎ সংযোগসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, গত শীতে শীতবস্ত্র বিতরণের সময় স্থানীয়রা একটি বিদ্যালয়ের দাবি জানিয়েছিলেন। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে স্কুল, বই ও পোশাক দেওয়ার পরও যদি সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো না হয়, তাহলে এই উদ্যোগ সফল হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সবসময় মৎস্যজীবী ও চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও এই জনগোষ্ঠীর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। সরকার, প্রশাসন ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং প্রান্তিক মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি শুনে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ জেলে পরিবারের মধ্যে খাদ্য ও উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি, নুডলস, চিড়া, বিস্কুট, সাবান, মোমবাতি, লাইটার ও ওরস্যালাইন ছিল। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত একটি প্রতিষ্ঠানের পুনর্বাসনের জন্য ১২ বান্ডেল ঢেউটিন ও ৩৬ হাজার টাকার চেক এবং ১১৮ শিক্ষার্থীর হাতে নতুন স্কুল ড্রেস ও দুটি করে খাতা তুলে দেওয়া হয়।

পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারিস্তা করিম বলেন, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগেই স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের বিদ্যালয়ের দাবি বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। তিনি জানান, এলাকায় প্রায় ৬৫০ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি নৌযান চলাচলের রুট ও নেভিগেশন চ্যানেলে জাল না বসানোর আহ্বান জানান এবং স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান।

উত্তর চট্টলা জেলে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হরি জলদাস অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্থানের জেলেরা জাল কেড়ে নেওয়া, মাছ ধরায় বাধা ও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং জেলে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা পায়ে হেঁটে স্থানীয় জেলে পল্লী পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনসংগ্রাম, আবাসন, শিক্ষা, সুপেয় পানি, নিরাপত্তা ও জীবিকার বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। সরু গলি দিয়ে ঘরে ঘরে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্তোষের সৃষ্টি হয়।

বাসিন্দারা জানান, জেলা প্রশাসক শুধু ত্রাণ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; বাস্তব পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এ সময় তিনি স্থানীয়দের বলেন, সমস্যাগুলো প্রশাসনের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে, কারণ জনগণ না জানালে সেগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, ব্রাইট ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা, মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা ফিফার, জায়গা পেলেন কারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 7:00 pm
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা ফিফার, জায়গা পেলেন কারা

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার তিন দিন পর টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা। সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত এই একাদশে সবচেয়ে বেশি তিনজন করে জায়গা পেয়েছেন স্পেন ও ফ্রান্সের।

রানার্সআপ আর্জেন্টিনা থেকে আছেন দুজন। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, নরওয়ে ও কেপ ভার্দের একজন করে ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন। ব্রাজিলের কেউ বা স্পেনের লামিনে ইয়ামাল এই একাদশে নেই।

৪-৩-৩ ছকে সাজানো এই দলে গোলবারের নিচে আছেন কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা আফ্রিকান দলটির হয়ে দুর্দান্ত সব সেভ করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে ওঠেন তিনি। একাদশে জায়গা পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৯.৬% শতাংশ ভোটও পেয়েছেন ভোজিনিয়াই।

রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের মার্ক কুকুরেয়া ও পেদ্রো পোরো, আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং ফ্রান্সের দায়ো উপামেকানো। পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটও মিস না করা কুকুরেয়া দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন। স্পেনও বিশ্বকাপ জেতার পর পথে পুরো আসরে মাত্র এক গোল হজম করে সাতটি ক্লিন শিট রেখেছে।

মাঝমাঠে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের রদ্রি, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে এবং ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন রদ্রি। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বলও জিতেছেন তিনি। সেমিফাইনালে খেলা ফ্রান্সের হয়ে ৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন ওলিসে। অন্যদিকে বেলিংহাম ইংল্যান্ডের হয়ে করেছেন সাত গোল।

আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতা এমবাপ্পে টুর্নামেন্টে চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতার পথে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন এমবাপ্পেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯.৬% ভোট পেয়েছেন এই ফরাসি তারকা।

অন্যদিকে ৩৯ বছর বয়সেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন মেসি। পুরো টুর্নামেন্টে করেন ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। আর নরওয়ের বিশ্বকাপযাত্রা শেষ আটে থেমে গেলেও এর মধ্যেই সাত গোল করেন হলান্ড।

ফিফার বিশ্বকাপ সেরা একাদশ
গোলরক্ষক: ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে)
রক্ষণভাগ: পেদ্রো পোরো (স্পেন), দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন)
মাঝমাঠ: রদ্রি (স্পেন), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স), জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড)
আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 5:31 pm
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরে মাসে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন অংশগ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে (ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র) এসেছে। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ফোনালাপ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ফোনালাপের নির্দিষ্ট তথ্য নেই, বিষয়টি তদন্ত করবে সরকার। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির ফোনালাপের বিষয়ে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেনি। তথ্য প্রমাণ পেলে এ বিষয়ে তদন্ত করবে বাংলাদেশ।

গন্তান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ চায় আলোচনার মাধ্যমে ভারতের চলমান উত্তেজনা সমাধান হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সবসময় ভালো আছে। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়েই আলোচনা হবে।

বিভিন্ন দেশে ভিসা বন্ধ আছে, এজন্য একাধিক বার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। নানা সমস্যা অ্যাড্রেস করে ভিসা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সরকার বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।