খুঁজুন
, ,

বৃহস্পতিবার থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 18 March, 2025, 6:57 pm
বৃহস্পতিবার থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা

সংস্কার নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

প্রথম পর্যায়ে আগামী বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) বিকেল ৩টায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে আলোচনার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য দলসমূহের সঙ্গেও আলোচনার সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ের আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত থাকবেন না। কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে কমিশনের সদস্যরা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন। সব দলের সঙ্গে আলাদা আলোচনা শেষে সব দলকে একসঙ্গে নিয়ে আরেক দফা আলোচনা হবে। সেখানে প্রধান উপদেষ্টা উপস্থিত থাকবেন।

সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশের বিষয়ে মাতামত চেয়ে ৬ মার্চ ৩৭টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি ও ‘স্প্রেডশিট’ পাঠিয়েছিল ঐকমত্য কমিশন। ১৩ মার্চের মধ্যে তাদের মতামত জানাতে অনুরোধ করা হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ১৫টি দল তাদের মতামত জানিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১৪টি রাজনৈতিক দল তাদের পূর্ণাঙ্গ মতামত আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জানাবে বলে কমিশনকে জানিয়েছে।

কমিশন আগেই জানিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাথমিক মতামত পাওয়ার পর দলগুলোর সঙ্গে আলাদা আলাদা আলোচনা করা হবে। যারা ইতিমধ্যে মতামত দিয়েছেন, তাদের নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। এরপর যারা মতামত দেবেন, ক্রমান্বয়ে তাদের আলোচনায় আমন্ত্রণ জানানো হবে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য দেশের বিভিন্ন খাতে সংস্কার আনা। এ লক্ষ্যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির জন্য গত বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন গঠন করে সরকার।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে এই ছয়টি কমিশন তাদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এসব কমিশনের প্রধানদের নিয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে সরকার।

Feb2
Feb2

নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরাপদ করতে ৩৮ ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ হচ্ছে: চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 8:03 pm
নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরাপদ করতে ৩৮ ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ হচ্ছে: চসিক মেয়র

নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও নিরাপদ, শৃঙ্খলিত ও জনবান্ধব করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরজুড়ে ৩৮টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ৭–৮টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (৩ আগস্ট) নগরীর ৪০ নম্বর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের কাঠগড় মোড়ে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণকাজের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

মেয়র জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ‘বিমানবন্দর সড়ক সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিতভাবে এসব ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৯টি ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে, ২১টির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এসব ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে ব্যস্ত সড়কে পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। যেসব ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে, সেগুলো সংস্কারের উদ্যোগও নেয়া হবে।

কাঠগড় মোড়ে নির্মাণাধীন ফুটওভার ব্রিজটি ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। ব্রিজটির দৈর্ঘ্য ৩৫ মিটার, যা প্রায় ১১৫ ফুট এবং প্রস্থ ৩ মিটার। এতে দুই পাশে একটি করে মোট দুটি সিঁড়ি থাকবে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এ এলাকায় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চলাচল করেন। বিশেষ করে দূরপাল্লার যাত্রী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারে ফুটওভার ব্রিজটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে এটি সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, নগরীর উন্নয়ন মানে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়; বরং নাগরিকদের জীবন ও চলাচলকে নিরাপদ করা। পরিকল্পিত ফুটওভার ব্রিজ ও উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে পথচারী ও যানবাহন—উভয়ের জন্যই একটি নিরাপদ নগর গড়ে তোলাই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাইমিনুল ইসলাম মাহিসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

৮ ব্র্যান্ডের রং ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়ংকর মাত্রার মার্কারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 7:39 pm
৮ ব্র্যান্ডের রং ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়ংকর মাত্রার মার্কারি

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (BDS) অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বিপজ্জনক মাত্রায় ক্ষতিকর মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে। এসব ক্রিমের বিক্রয়-বিতরণ, মজুদ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

বাংলাদেশ মানের চেয়ে অতি বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারিযুক্ত পণ্য ব্যবহার করলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা থাকায় জনসাধারণকে এসব পণ্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিএসটিআইয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, দেশীয় বাজারে বিভিন্ন রং ফর্সাকারী ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে। এসব পণ্য বৈধভাবে আমদানি করা হচ্ছে না। লাগেজ বা বিভিন্ন চোরাই পথে দেশীয় বাজারে এসব পণ্য প্রবেশ করছে এবং বাজারে বিক্রি হচ্ছে। ফলে বিএসটিআই চোরাই পথে আসা এসব পণ্যের মান যাচাই করতে পারছে না। বাজার থেকে সংগ্রহ করা এমন রং ফর্সাকারী ক্রিম বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষায় ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে অত্যন্ত বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি (Mercury) শনাক্ত হয়েছে। এসব পণ্যে মার্কারির উপস্থিতি বাংলাদেশ মান (বিডিএস ১৩৮২) অনুযায়ী নির্ধারিত সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা ১.০০ (এক) পিপিএমের বহুগুণ বেশি পাওয়া গেছে।

বাজার থেকে সংগৃহীত নমুনা বিএসটিআই পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে পাকিস্তানের এস.জে এন্টারপ্রাইজের চাঁদনি হোয়াটেনিং ক্রিমে ১২০.৩৯ পিপিএম; পাকিস্তানের কিউসিআই কোম্পানির নিউ ফেস বিউটি ক্রিমে ৪৪.৭২ পিপিএম, পাকিস্তানের লোয়া ইন্টারন্যাশনালের নাভিয়া বিউটি ক্রিমে এবং নাভিয়া হোয়াটেনিং ক্রিমে যথাক্রমে ৫৯.৮২ পিপিএম এবং ৭৯.৭০ পিপিএম; পাকিস্তানের নুর এন্টারপ্রাইজের নুর হোয়াটেনিং ক্রিমে ৮২.৭৬ পিপিএম, পাকিস্তানের ক্রিয়েটিভ কসমেটিকসের ডিউ বিউটি ক্রিমে ১২৩.৩৭ পিপিএম; পাকিস্তানের গৌরি কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেডের গৌরি বিউটি ক্রিমে ৫৬.৯৩ পিপিএম এবং চায়নার জিএলডিজেবি (হারবিন) কসমেটিকস কোম্পানি লিমিটেডের ন্যাচারাল পার্ল স্ক্রিন ক্রিমে ৬৭.৪৯ পিপিএম মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাই বিএসটিআইয়ের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যে কোনো প্রতিষ্ঠান ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত প্রসাধনী উৎপাদন, আমদানি বা বাজারজাত করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএসটিআই দেশের বাজারকে নিরাপদ রাখতে নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষাগারে পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ, বাজার তদারকি এবং মোবাইল কোর্ট ও সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম জোরদার করেছে।

পাশাপাশি তিনি অজ্ঞাত বা অনুমোদনবিহীন ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম ক্রয় ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকা, প্রসাধনী ক্রয়ের আগে অবশ্যই বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ও পণ্যের বৈধতা যাচাই করা এবং সন্দেহজনক কোনো পণ্য সম্পর্কে তথ্য থাকলে বিএসটিআইকে অবহিত করার জন্যও অনুরোধ জানান।

দীর্ঘদিন মার্কারিযুক্ত স্কিন ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া, স্থায়ী দাগ, অ্যালার্জি, কিডনির ক্ষতি, স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা এবং গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে অনাগত শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হওয়ার মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।