খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওসি প্রদীপের বোনের সংখ্যালঘুর উপর আক্রমনের নাটকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
ওসি প্রদীপের বোনের সংখ্যালঘুর উপর আক্রমনের নাটকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহাকে হত্যাকারী টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপের পরিবারের বিরুদ্ধে ভূমি জবর দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী মোহাম্মদ মহিউদ্দীন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে(সিএমইউজে) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযুক্ত ওসি প্রদীপের বোন রত্না বালা প্রজাপতি, বেবি চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, রনজিত চৌধুরী, মোঃ নবী, সুজিত চৌধুরী ও তৎকালীন মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি সহ অস্ত্রধারী বহিরাগত সন্ত্রাসীদের কর্তৃক নির্যাতিত ও ভুক্তভোগীদাবী করে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে মহিউদ্দীন চৌধুরী জানান, বিগত ১৪ সেপ্টম্বর ২০১৪ ইং তারিখের এক রাতে পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির মৌরশী ও ক্রয়কৃত সম্পত্তির ৪টি জায়গা জবর দখল করে নেয় অভিযুক্তরা। উক্ত সম্পত্তিগুলো রত্নাবালা প্রজাপতির মা যুগলরানী প্রজাপতি প্রায় ৭০ বৎসর পূর্বে রেজিস্ট্রীযুক্ত ছাফ কবলা দলিল প্রদান করিয়া দখলচ্যুত হন। ওসি প্রদীপের জবরদখল সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় পাঁচলাইশ মডেল থানার তৎকালীন ওসি মহিউদ্দীন মাহমুদ স্বপ্রণোদিত হইয়া একটি জিডি রেকর্ড করেন, যার নং-৮৬১। উক্ত রেকর্ডীয় জিডিতে ওসি প্রদীপ ও রত্নাবালা প্রজাপতির নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। তাদের মালিকীয় ও দখলীয় স্থাপনা সহকারে জায়গাটি বেদখল করে ওসি প্রদীপ নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরবর্তী তর্ক বিতর্কে ওসি প্রদীপ তাদের দলিলাদি পর্যালোচনা করিয়া, দলিল পত্রাদি ঠিক আছে মর্মে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন। ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তাদের জায়গাটি বুঝিয়ে দিবেন মর্মে আশ্বস্থ করেন। পরবর্তীতে ওসি প্রদীপ তাকে জায়গাটি বুঝিয়ে না দিয়া তার বোন রত্নাবালা প্রজাপতিকে জবরদখল দিয়ে দেয়। তার খরিদকৃত জায়গায় বি.এস. নামজারী করতে গেলে তাহা অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে ভুল লিপিবদ্ধ থাকায় উক্ত ভুল সংশোধন কল্পে বিজ্ঞ আদালতে ৩০৪/২০০৩ ইং মামলা আনায়ন করেন। বিজ্ঞ আদালত বিগত ১৫ ডিসেম্বর ২০০৫ ইং তারিখে বি.এস খতিয়ান ভুল মর্মে রায়-ডিক্রী প্রদান করেন। উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে সরকার অপর আপীল ৩৯/২০০৬ দায়ের করিলে তা পরবর্তীতে ২৩ এপ্রিল ২০০৮ ইং খারিজ করে দেন এবং পূর্বের রায় বহাল রাখেন। উক্ত রায়-ডিক্রী মূলে তাদের পক্ষে ১৯৫৮ সাল থেকে ২০০২ পর্যন্ত সকল হস্থান্তরিত কবলা সঠিক বলিয়া প্রচার হয়। ২০১২ সালে সরকার “খ” তালিকা বাতিল করলেও রত্নাবালা প্রজাপতি ট্রাইব্যুনালে অংশ গ্রহণ না করে ভূমি অফিসে অনৈতিক সুবিধা দ্বারা নিজের নামে ভুল খতিয়ান সৃজন করেন। খতিয়ান সংক্রান্ত বিষয় অবগত হওয়ার পর ভূমি অফিস চান্দগাঁও সার্কেল বরাবর তার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে রত্নাবালার নামজারী খতিয়ান বাতিল করে এবং তার নামে নামজারী বহাল রাখে। পরবর্তীতে তারা আপীল করিলে ভূমি অফিস আপীল মামলাটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মামলা নং-(৪৬/২০১৫) অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আদালতে (১১১/২০১৬) মামলাটি খারিজ করিয়া দেন এবং তার পূর্বের খতিয়ান বহাল রাখেন।

উল্লেখিত জায়গায় তার তৈরীকৃত স্থাপনায় গ্যাস, বিদ্যুৎ, হোল্ডিং, ওয়াসা ও খাজনা ২০২৬ সাল পর্যন্ত তার নামে পরিশোধিত আছে বলে দাবী করেন। প্রতিপক্ষগণ পূর্ব হইতে অদ্যাবধি বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ও কোনো অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্থ করতে পারেনি।

উল্লেখ্য যে, উক্ত সম্পত্তি যুগল রানী প্রজাপতি তার স্বামী প্রেমলাল প্রজাপতি মারা যাওয়ার পর তার সন্তানদের লালন-পালনের জন্য ছাফ কবলা দলিল মূলে বিক্রি করিয়া দেন। আরো উল্লেখ্য যে, রত্নাবালা প্রজাপতির প্রকৃত পরিচয় উদঘাটনে পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি ওয়াসার একজন কর্মচারী ছিলেন। সেখানে তিনি রত্নাপ্রভা প্রজাপতি নামে পেনশন উত্তোলন করেন। তার জাতীয়তা পরিচয় পত্রে দেখা যায় রত্না চৌধুরী উক্ত পরিচয় ঠিকানা তুলা পুকুর লেইন, লালখান বাজার। প্রকৃত রত্নার প্রকৃত পরিচয় এখনো অজানা রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, রত্নাবালা প্রজাপতি তার আশ্রয় প্রশ্রয়ে সন্ত্রাসীরা তার মালিকীয় স্থাপনা স্বঘোষিত দখল, স্বার্থ, স্বত্ব ছেড়ে দিবে মর্মে আপোষে একটি চুক্তিপত্র করার প্রস্তাব দিলে উক্ত প্রস্তাবে সে রাজী হই। বিগত ২০ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে নগদ ৫ লক্ষ টাকার বিনিময় মূল্যে চুক্তিপত্র সম্পাদন করেন। উক্ত চুক্তিমতে ২৪ জুলাই ২০২৫ ইং সকালে তারা দখল ছেড়ে দেওয়ার পর সিডিএ এর অনুমোদন অনুযায়ী বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত স্থাপনা ভাঙ্গার কাজ শুরু করিলে কিছুক্ষণ পর সুমন চৌধুরী, মোঃ নবী, বেবী চৌধুরী এসে কাজে বাধা দেয় এবং পুনরায় আরো টাকা দাবী করে এবং পুনরায় তারা দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানান। তৎক্ষণিক তার বোন ও ভগ্নিপতি সহ আরো অনেকে এসে সংখ্যালঘুর উপর আক্রমনের নাটক শুরু করে। পরবর্তীতে ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশ আসিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য ঘরের চাবি তার নিকট হইতে পুলিশের হাতে হস্তান্তরের জন্য বলেন। সে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হইয়া উক্ত চাবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উভয় পক্ষকে শান্ত রেখে দলিলাদি নিয়ে থানায় সন্ধ্যা ৭ টায় আসতে বলেন এবং স্থাপনা ভাঙ্গার সকল কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দেন। কিন্তু থানায় বৈঠকের পূর্বেই সুমন চৌধুরী ও বেবী চৌধুরীর যোগসাজসে পুলিশ হতে চাবি তারা অস্থায়ীভাবে বুঝে নেয়। পরবর্তীতে তাদের অন্য একটি দখলীয় জায়গা ১নং রেল গেইট বসবাসরত স্থাপনা হইতে আসবাবপত্র এনে আমার ঘরের সামনে রাখে এবং সাংবাদিকদের বলে এগুলো নাকি আমরা ভাংচুর করেছি।

ফলতঃ মিথ্যা অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করে। ইতিপূর্বে প্রতিপক্ষগণ অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানী করে আসছে বলে জানান তিনি।

এ সময় তার পরবারের সদস্যগণ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।