খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত নয়, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
জামায়াত নয়, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই

বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. মোহাম্মদ শফিকুর রহমান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ‘এগারো দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’র প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আমি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাইনা।

আমি এদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের এই সমুদ্রপাড়ের মানুষ ঢেউ-জলোচ্ছাসকে ভয় পায়না। এই ভয়কে যারা জয় করেছে ১২ তারিখও তারা জয় করবে। এদিন নতুন ইতিহাস তৈরি হবে।

জুলাইকে আঁকড়ে ধরার জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে হবে। একই সঙ্গে এগার দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীদের যেখানে যার হাতে যে প্রতীক আমরা তুলে দেবো তার পক্ষে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরী শুধুমাত্র বন্দর নগরী নয়, শুধু বাণিজ্যিক রাজধানী নয়। এটি এক সুদীর্ঘ সংগ্রামী ইতিহাস আর প্রতিরোধের রাজধানী। বাংলাদেশে ৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা এখান থেকেই হয়েছিল।

চট্টগ্রামের গর্বিত সন্তান বর্তমানে এলডিপির চেয়ারম্যান ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম চিৎকার দিয়ে বলেছিলেন ‘উিই রিভল্ট’। জিয়াউর রহমান সাহেবকে হাতে ধরে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। আজ তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমি লড়াই করেছি রনাঙ্গনে। জাতীয়তাবাদী দল গঠনে আমি ছিলাম তৃতীয় ব্যক্তি।

তিনি এখন বলেন, আমি বিএনপিতে নাই-থাকতে পারিনা। কারণ এটি জিয়াউর রহমান সাহেবের বিএনপি নয়। এটি বেগম জিয়ারও বিএনপি নয়।

চট্টগ্রামকে গর্বের চট্টলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জামায়াতে ইসলামীর আমীর বলেন, অনেকে আক্ষেপ করে বলেন, এটা এখন নামে বাণিজ্যিক রাজধানী, ভেতরে ফকফকা। কিছু মানুষ যুগ যুগ ধরে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিক্রি করে কপাল বানিয়েছে। আগামীতে এই সুযোগ আর দেওয়া হবেনা। জনগণের বন্দর জনগণের হবে।

তিনি বলেন, এ বাংলাদেশ আমাদের প্রিয় জন্মভূমি। এ জন্মভূমির প্রতি ইঞ্চি মাটির পাহারাদারি করা আমাদের দায়িত্ব। এর আধ ইঞ্চি মাটিও আমরা কাউকে দেবোনা। জুলাই যোদ্ধারা বলেছিল- জীবন দিব জুলাই দিব না।

আমরা তাদের সাথে সুর মিলিয়ে বলছি- জীবন দিব মাটি দিব না। কোন আধিপত্যবাদ আর বাংলাদেশে মানা হবেনা। বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। আমাদের যুব সমাজ প্রমাণ করেছে দেশের মর্যাদা রক্ষার জন্য যে কোন সময় বুক চিতিয়ে লড়াই করতে তারা প্রস্তুত।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তো পনের বছর মজলুম ছিলাম। এখন বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। যদি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে মর্যাদার সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই- তাহলে ফ্যাসিবাদী খাসলতের যারা তাদেরকে চিরতরে লাল কার্ড দেখাতে হবে। তিনি বলেন, সবচাইতে নির্যাতিত দল জামায়াতে ইসলামী ধৈর্য ধরলো। দেশের শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করলো।

শহীদ পরিবাগুলোর কাছে দৌঁড়ে গিয়ে হাজির হলো। বন্যা কবলিত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ালো। আর সেই জায়গায় একদল চাঁদাবাজিতে ঝাঁপিয়ে পড়লো। এখানে ওখানে বিভিন্ন জায়গায় দখলদারি শুরু হয়ে গেল।

এই দখলদারি করতে গিয়ে নিজেদের ২৩৪ জন মানুষকে নিজেরাই মেরে ফেলল। এরা বাংলাদেশকে কী দিবে? ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ক্ষমতায় আসার আগে যে বার্তা দিয়েছিল। আজ একই বার্তা দিচ্ছে এই দলটি। সেই দলের নেতাদের বার বার অনুরোধ করার পরও তারা শান্তির পথে আসছেন না।

জামায়াতের আমীর বলেন, এখন তারা লেগেছে আমাদের পেছনে, আমাদের মা বোনদের পেছনে। তারা মা-বোনদের গায়ে হাত দেয়।

তারা হুমকি দেয় কাপড় খুলে ফেলবে। এসবের প্রতিবাদ করি বলেই আমার আইডি হ্যাক করে আমার নামে এত জঘন্য একটা বিষয় চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে আবিস্কার হয়ে গেছে কারা এই কাজ করেছে। ওদের পেছনে কোন কালো হাত আছে সেটাই আমরা আবিস্কার করবো। আল্লাহ সাক্ষী, এ ধরণের নোংরা চিন্তা আমরা জীবনেও করি নাই। আমাদের মা-বাপ এ শিক্ষা আমাদের দেন নাই।

তিনি বলেন, দেশের তরুণ সমাজ ইতিমধ্যে জাতিকে একটা বার্তা দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত। তরুন ছাত্র সমাজ চাঁবাদাজ, দুর্ণীতিবাজ, মামলাবাজ, নারীদের ইজ্জত হরণকারীদের লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছে। এরপরে নির্বাচনগুলো ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে ভয়ে। এভাবে জনজোয়ার ঠেকানো যাবেনা। অপবাদ দিয়ে আমাদের ঠেকাতে পারবেনা। ভয় ভীতি দেখিয়ে আমাদের গতি স্তব্দ করতে পারবেনা। আমাদের মনজিল হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া বিধানের ভিত্তিতে এই বাংলাদেশকে একটি ইনসাফ ভিত্তিক দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।

এই যুব সমাজ বেকার ভাতার দাবি জানায়নি। তারা কাজ চায়। আমরা বেকার ভাতা দিয়ে ‍ুযুবসমাজকে অসম্মানিত করবোনা। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তুলবো। আমরা বাংলাদেশ নামের একটি উড়োজাহাজের ককপিটে ক্যাপ্টেন হিসেবে যুবসমাজকে বসিয়ে দিতে চাই। সেই উড়োজাহাজের যাত্রী হিসেবে আমরা বসে থাকতে চাই। এরা এই উড়োজাহাজ চালিয়ে জাতিতে সামনের দিকে নিয়ে যাবে।

চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমীর নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর আ ন ম শামসুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসান উল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল সিবগাত উল্লাহ, ডাকসু জিএস ফরহাদ হোসেন, জাগপার সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের ডা. এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম-১০ আসনের অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী মো. শফিউল আলমসহ জামায়াতে ইসলামী ও জোটভূক্ত বিভিন্ন দলের স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

এর আগে ডা. শফিকুর রহমান মহেশখাল, কক্সবাজার, লোহাগাড়া ও সীতাকুন্ডে পৃথক চারটি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন।

Feb2

টেকসই উন্নয়ন ও জনভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দেবে সিডিএ : ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
টেকসই উন্নয়ন ও জনভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দেবে সিডিএ : ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেছেন, চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনভোগান্তি কমানো এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে সিডিএ।

রোববার (১৪ জুন) ঢাকা থেকে ফিরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, সব সেবা সংস্থার একটাই লক্ষ্য হওয়া উচিত চট্টগ্রামকে আরও ভালো কিছু দেওয়া। সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই নগরীর দীর্ঘদিনের সংকটগুলোর সমাধান সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম দেশের অর্থনৈতিক হৃৎপিণ্ড। কিন্তু জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সমন্বয়ের অভাব এই শহরের সম্ভাবনাকে ব্যাহত করছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), ওয়াসা, ওয়াপদা, গ্যাস বিভাগ, ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে সিডিএ আগামী দিনে কাজ করবে। চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনভোগান্তি কমানো এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বেলায়েত হোসেন আরও বলেন, আমরা এমন একটি চট্টগ্রাম দেখতে চাই, যেখানে নাগরিক সেবা পাওয়া সহজ হবে এবং পাহাড়-প্রকৃতি সংরক্ষণ করে পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সিডিএর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আমি বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, নগরকে সাজাতে হবে বৈজ্ঞানিক ও যুগোপযোগী পদ্ধতিতে। এ জন্য তিনি নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশকর্মী ও গবেষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে চান। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে সিডিএর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন উপকারের বদলে জাতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তা আর হতে দেওয়া হবে না। এই নগরকে ভালো কিছু দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য।

দাপট দেখাল তুরস্ক, জিতল অস্ট্রেলিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ
দাপট দেখাল তুরস্ক, জিতল অস্ট্রেলিয়া

বল দখল থেকে আক্রমণ– সবদিক থেকেই অনেকটা একপেশে দাপট ছিল ২৪ বছর পর ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ফেরা তুরস্কের। কিন্তু ফিনিশিং ব্যর্থতায় তাদের গোলটাই পাওয়া হয়নি। অন্যদিকে, কাউন্টার অ্যাটাকে ক্যারিশমা দেখিয়ে ২-০ গোলে ম্যাচটি জিতে নিলো অস্ট্রেলিয়া।

কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ৭২ শতাংশ বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তুরস্কের। আর গোলের লক্ষ্যে নেয় ৮টি শট। বিপরীতে স্রেফ ২ শট নেওয়া অস্ট্রেলিয়ান সকারুজরা কেমন চাপে ছিল তা বোঝাই যায়। কিন্তু ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফের গোলে সেসব পরিসংখ্যানকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অবশ্য তুরস্কের আক্রমণ ঠেকানোর মূল ভূমিকায় ছিলেন ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখানো অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। তিনি আটটি সেভ করেন। এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার টানা ষষ্ঠ এবং সব মিলিয়ে সপ্তম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ। বিপরীতে, ২০০২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পর তুরস্ক টানা পাঁচটি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি। এবার প্লে-অফে কসোভোকে হারিয়ে তারা ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৭তম মিনিটে গোলের সূচনা করেন ইরানকুন্ডা। তিনজন ডিফেন্ডারের চাপের মাঝেও নিচু শটে তিনি বল জালে পাঠান। গোল উদযাপনের সময় ইরানকুন্ডা কর্নার ফ্ল্যাগে ঘুষি মেরে অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল কিংবদন্তি টিম কাহিলকে শ্রদ্ধা জানান। ২০ বছর বয়সী এই ওয়াটফোর্ড ফরোয়ার্ড বিশ্বকাপে গোল করা অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়।

কয়েক মিনিট পর তুরস্কের আবদুলকেরিম বারদাকচির দূরপাল্লার জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন বিচ। কোচ টনি পপোভিচের চমকপ্রদ সিদ্ধান্তে অভিজ্ঞ ম্যাথিউ রায়ানের পরিবর্তে বিচ অস্ট্রেলিয়ার গোলপোস্টের দায়িত্ব পান। তুরস্কের ২১ বছর বয়সী জুভেন্তাস খেলোয়াড় কেনান ইলদিজ শুরুর একাদশে ছিলেন না। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঠে নামানো হয় তাকে।

ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে তুরস্ক একটি বিপজ্জনক ফ্রি-কিক পায়। রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিভাবান ২১ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আরদা গুলারের নেওয়া সেই শটও রুখে দেন বিচ। মজার বিষয়, তুরস্ক সর্বশেষ যখন বিশ্বকাপে খেলেছিল, তখন গুলারের জন্মই হয়নি। এদিকে, ৭৫তম মিনিটে ইসমাইল ইউকসেকের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনর মেটকাফ।

কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে এরপর গ্রুপ পর্বে তিউনিসিয়া ও ডেনমার্ককে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছিল তারা। সেখানে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নেয় অস্ট্রেলিয়া।

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি গ্রামে এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হামলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তান। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন– ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে সুজন বড়ুয়ার পরিবারে সুদের টাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রতিবেশী তেজপ্রিয় বড়ুয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থিক লেনদেন ছিল। এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সময় আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।’

আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।