খুঁজুন
, ,

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 15 January, 2020, 12:15 pm
এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ এখন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল্ডস (এসডিজি) অর্জনের পথে রয়েছে।

‘ফিউচার সাসটেইনেবলিটি সামিট’-এ ইন্টারভিউ সেশনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এমডিজি অর্জনে আমরা চমৎকার সাফল্য অর্জন করেছি এবং ইতোমধ্যে আমরা এসডিজি অর্জনের পথে রয়েছি।’ আজ আবু ধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে এই ইন্টারভিউ সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

এসডিজি উন্নয়নে জাতিসংঘে বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের মানুষের জন্য সকল দেশের গৃহীত এটি একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বলে আমরা বিবেচনা করি।’

তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন যদি দৃশ্যমান না হয় তাহলে বৈষম্য সৃষ্টি হবে এবং অসমতা দেখা দেবে। এতে প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হবে।

প্রধানমন্ত্রী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এসডিজির অনেক আগেই আমরা রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ ঘোষণা করেছি। এতে সাসটেইনেবলিটির বিষয়টি আমরা অন্তর্ভুক্ত করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি উন্নয়নের পথে সবসময় সম্পদের স্বল্পতাই মূল কারণ নয়, সম্পদের সমবন্টনের সমস্যাও আরেকটি কারণ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার প্রান্তিক জনগণকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত করেছে। নারী ও শিশু, সাধারণ দরিদ্র মানুষ, প্রতিবন্ধী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ নজর দেয়ার জন্য এ ক্যাটাগরি করা হয়েছে। প্রান্তিক জনগণের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি শিক্ষা দিয়ে শুরু করেছি এবং সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক স্কুল ও ৬৮৫টি মাধ্যমিক স্কুলকে জাতীয়করণ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের লেখাপড়া অবৈতনিক করা হয়েছে এবং অটিস্টিক সহ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদেরকে মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলে এখন সারাদেশে‘আমার বাড়ি, আমার খামার’ প্রকল্পের আওতায় এক লাখ ৪২ হাজার সমবায় সমিতির মাধ্যমে ৬০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে সংগঠিত করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রায় এক চতুর্থাংশ পরিবার সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচির আওতায় এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার মুক্তিযোদ্ধা, বিধবা এবং সামাজিক নির্যাতনের শিকার, ব্যক্তি এবং শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধি, ভবঘুরে এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, চা বাগানের শ্রমিক, দরিদ্র ও স্তন্যদানকারী মা এবং তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিবর্গকে বিভিন্ন পর্যায়ে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করে আসছে।

রোহিঙ্গাদের প্রসংগে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের খাদ্য, আবাসন, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য জরুরী সেবা সহ প্রয়োজনীয় সকল ধরনের পরিসেবা প্রদান করে আসছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যদিও কার্বন নি:সরণের জন্য দায়ী নয়, কিন্তু কার্বন নি:সরণের ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত একটি দেশ।

তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু বসে না থেকে এটি মোকাবেলায় নিজস্ব সম্পদ দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি।’

Feb2
Feb2

কর্ণফুলীতে বন্ধ হলো এস আলমের সব কারখানা, ৪ হাজার ছাঁটাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 12:10 am
কর্ণফুলীতে বন্ধ হলো এস আলমের সব কারখানা, ৪ হাজার ছাঁটাই

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রয়েছে।

কারখানা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া হয়। ছাঁটাই কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে। কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলতে না পারা এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকায় উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এস আলম সুগারের শিফট ইনচার্জ প্রকৌশলী মো. হাসমত আলী বলেন, ‘কাঁচামালের সংকটের কারণে গত দুই বছর ধরে কারখানায় উৎপাদন প্রায় বন্ধ ছিল। কাজ না থাকলেও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এতদিন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিয়েছে। এখন আর সেই পরিস্থিতি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।’

তিনি জানান, শুধু এস আলম সুগার থেকেই ৩৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা ও অবসর সুবিধা পরিশোধ করা হচ্ছে। এর আগেও কয়েক দফায় জনবল কমানো হয়েছিল।

কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এস আলম সুগার, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন, ইনফিনিটি সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, চেমন ইস্পাত, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস-এনওএফ, এস আলম স্টিল ও এস আলম ব্যাগ।

শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে কারখানার নোটিশ বোর্ডে ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা টানিয়ে দেওয়া হয়। খবর প্রকাশের পর বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দেয়।

কারখানা সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকিং জটিলতা ও কাঁচামাল আমদানিতে বাধার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। মজুত কাঁচামাল দিয়ে সীমিত পরিসরে কিছু কারখানা চালু থাকলেও এবার সব ধরনের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তাই ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্মরতদের অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 10:53 pm
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর সড়কের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৪টা ৫ মিনিটের দিকে গুলশানের বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাজধানীর উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সড়কের পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি দেখতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘুরেছেন। প্রধানমন্ত্রী বারবার ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন। এ কারণে তিনি সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী শ্যামলী, বিজয় সরণি, রোকেয়া সরণি, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত ও শেওড়াপাড়ার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন। সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে তাঁর গাড়ি শ্যামলী এলাকা অতিক্রম করে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মেহেদুল ইসলাম ও সহকারী একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানী।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতেও রাজধানীর নাগরিক সেবার বাস্তব চিত্র দেখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সেদিন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ফার্মগেট এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দেখেন তিনি। এরপর সংসদ ভবন এলাকা, ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালী, বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি ও গুলশান ঘুরে বাসায় ফেরেন।

পরিদর্শনের সময় গাড়িতে বসেই ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসককে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ব্যক্তিগত কর্মকর্তারাও ছিলেন।

কেরানীগঞ্জে কারখানায় তৈরি হতো ইয়াবা, বিক্রি হতো ঢাকা ও আশপাশের এলাকায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 10:39 pm
কেরানীগঞ্জে কারখানায় তৈরি হতো ইয়াবা, বিক্রি হতো ঢাকা ও আশপাশের এলাকায়

ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ইয়াবা তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. আলমগীর ওরফে আন্ডে (৪০), মো. আলী আরমান (৩৬), মো. শাহজাহান (৪০) ও সোনিয়া (৩০)।

র‍্যাব বলছে, ইয়াবা তৈরিতে ব্যবহৃত এসব কাঁচামালগুলো বৈধ এবং বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। তবে এই চক্র সেগুলো ব্যবহার করে ইয়াবা উৎপাদনের পদ্ধতি তৈরি করেছে। কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানতে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্যচর দক্ষিণ বালুচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, গতকাল রাতে র‍্যাব-১০ এর আওতাধীন এলাকায় একটি ইয়াবা তৈরির চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৯৬৮ পিস ইয়াবা, বিভিন্ন ধরনের পাউডার সদৃশ কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র জব্দ করা হয়। এ সময় চারজন সক্রিয় মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে আলমগীরের বিরুদ্ধে ঢাকার রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। তারা সবাই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। গ্রেপ্তাররা দুই বছর ধরে এই কাজে যুক্ত বলে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ঢাকায় আরো কারখানা থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

চক্রটি কামরাঙ্গীরচর ও পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের ব্যবসার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতো। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।